• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৯শে আষাঢ় ১৪৩৩ ভোর ০৪:০৩:৫৮ (14-Jul-2026)
  • - ৩৩° সে:

শাহরাস্তিতে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে একটি ভাড়া বাসা থেকে নাজমুন নাহার স্বপ্না (৩৩) দুই সন্তানের মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।১৩ জুলাই সোমবার সকালে শাহরাস্তি পৌরসভার দোয়াভাঙ্গায় অবস্থিত নিউ লাইফ হাসপাতালের পঞ্চম তলার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।শাহরাস্তিতে ভাড়াটিয়া নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। পাশে দুই শিশুকে রেখে আত্ম নাশ করেন নাজমুন নাহার স্বপ্না। দুই শিশুর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে রেখে চিরবিদায় নিলেন এক জননী। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।নিহত নাজমুন নাহার স্বপ্না মনোহরগঞ্জ উপজেলার লালচাঁদপুর ইউনিয়নের বাংলাইস গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা নজরুল ইসলাম এবং মা ফিরোজা বেগম। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার বড় ভাই মোতালেব হোসেন এ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বপ্না খিলা বাজার এলাকায় একটি বিউটি পার্লার পরিচালনা করতেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একাধিকবার বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। প্রথম স্বামী ওমর ফারুকের সঙ্গে সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের বেরকী গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহাদাত হোসেনকে বিয়ে করেন। পরে সেই সম্পর্কও বিচ্ছেদে গড়ায়। সর্বশেষ একই ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা রাসেল চৌধুরী রাজুর সঙ্গে তার বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল বলে পারিবারিক সূত্র জানায়। তবে এ সংসারে তাদের কোনো সন্তান ছিল না। সর্বমোট ৪ সন্তানের জননী হন তিনি।স্থানীয়রা জানান, মাত্র চার দিন আগে তিনি নিউ লাইফ হাসপাতাল ভবনের পঞ্চম তলায় দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। সোমবার সকাল আনুমানিক ৮টার কোনো এক সময় তিনি গলায় ফাঁস দেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পরে তার শিশু সন্তানরা কান্নাকাটি করতে করতে নিচে নেমে এলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বাসায় গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।বাসার মালিক পক্ষ মেহেদী হাসান জানান, আজ থেকে চার দিন আগে তার স্বামীর পরিচয়ে রাসেল চৌধুরী নামে এক প্রবাসী মহিলাটির জন্য বাসা ভাড়া নেয়।খবর পেয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শমশেদ হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান