• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ১৪ই মাঘ ১৪৩২ বিকাল ০৫:৫৯:৪৭ (27-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:

মৌলভীবাজারে ঘন কুয়াশা ও শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। টানা তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় হিমেল বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে মানুষ। প্রয়োজন ও জরুরি কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।৭ জানুয়ারি বুধবার সকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন। এর ফলে জেলাজুড়ে শীতের অনুভূতি বেড়েছে কয়েকগুণ। বিশেষ করে গরম কাপড়ের অভাবে নিম্নআয়ের মানুষগুলো পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহনগুলো ফগ লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। সূর্যের দেখা না থাকায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। শীতের প্রভাবে জেলার সার্বিক জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং বাতাসের আর্দ্রতা শতভাগ রয়েছে।এদিকে শীতকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত খেটে খাওয়া মানুষগুলো। জীবিকার তাগিদে শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে প্রতিদিন ভোরেই তাদের ঘর ছাড়তে হচ্ছে। এরই মধ্যে ফুটপাতের দোকানগুলোতে গরম কাপড়ের কেনাবেচা বাড়তে শুরু করেছে।শহরের কাজের উদ্দেশ্যে আসা শরিফ ইসলাম বলেন, ‘প্রচণ্ড ঠাণ্ডা পড়ছে। ভোরে কাজে বের হওয়াটা খুব কষ্টকর হয়ে গেছে। কাজ না করলে সংসার চালানো সম্ভব নয়। একাধিক কাপড় পরেও ঠাণ্ডা লাগছে।’ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক সাগর আলী বলেন, ‘সোয়েটার আর জ্যাকেট পরেও শীত কমছে না। সড়কে যাত্রীও কম। শীতের মধ্যে কাজ করতে ভালো লাগে না।’শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, ‘চলতি শীত মৌসুমে এটিই শ্রীমঙ্গলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বর্তমানে এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।’

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান