• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১০ই ফাল্গুন ১৪৩০ রাত ০৩:৩১:০৯ (23-Feb-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১০ই ফাল্গুন ১৪৩০ রাত ০৩:৩১:০৯ (23-Feb-2024)
  • - ৩৩° সে:

সোনা মসজিদ আমদানি ও রফতানিকারক গ্রুপের বার্ষিক সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মধ্যবাজারস্থ সোনা মসজিদ আমদানি ও রফতানি কারক গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে অত্র প্রতিষ্ঠানের দ্বি-তল ভবনে এই সাধারণ সভায় আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপিত কাজী মো. সাহাবুদ্দীন সভাপতিত্ব করেন। প্রতিষ্ঠানের ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের সকল খাতের প্রাপ্তি-প্রদানের হিসাব নীরিক্ষা ও অডিট প্রতিবেদন তুলে ধরেন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. মামুনুর রশিদ।কার্যনির্বাহী সদস্য মো. নুর আমিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেসার্স আবু তালেবের স্বত্বাধিকারী মো. আবু তালেব, সাবেক সভাপতি কবিরুল রহমান খাঁন খোকন, রেজাউল করিম বুলবুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সর্বোচ্চ করদাতা এলিম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. একরামুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন।বক্তারা বলেন, অন্য পানামার সাথে সোনামসজিদ পানামার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। পানামার খরচ বেশির কারণে আমাদের খরচও বেশি হচ্ছে। ফলে আমাদের ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছে। আমরা কোন সংঘর্ষ চাই না। আমরা সব স্থলবন্দরে একই নিয়ম চাই।বক্তারা আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সুলতানগঞ্জ মায়া নৌ বন্দরের উদ্বোধন হয়েছে। এই বন্দরের জন্য আমাদের সোনামসজিদ স্থলবন্দরের জন্য কিছুটা হলেও সমস্যা হবে। কেন না, ব্যবসায়ীরা চায় নিময়ানুযায়ী সুবিধা। আমরা বাড়তি কোন সুবিধা নয়, বরং সব বন্দরে একই নিয়মের আওতায় থাকা চাই। তাই এখন-ই আমাদের ভারতীয় মহদীপুর এক্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। যে এর সমাধান দ্রুত দরকার।বক্তরা আরও বলেন, সোনমসজিদ স্থলবন্দরে কোন অভিভাবক না থাকায় এই স্থলবন্দরে খরচ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এই বন্দরের ব্যবসায়ীরা খরচ কম হওয়ার কারণে অন্য বন্দরে চলে যাচ্ছে।পানামা সিএন্ডএফ শ্রমিক সমন্বয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার জন্য পানামা কর্তৃপক্ষ দিনদিন খরচ বাড়িয়ে যাচ্ছেন। আর আমার আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সদস্য ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়ছি। বর্তমান সংসদ সদস্য এই উপজেলার সর্বোচ্চ অভিভাবক। তিনিও আমাদের সহযোগিতা করছেন না, তা আমরা বুঝতে পারছি। তাঁর কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় এই স্থলবন্দরের উন্নয়নে বিঘ্নিত হচ্ছে।এ সময়  কার্যনিবাহী  কমিটির সদস্যসহ সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাহিনুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম,  কোষাধ্যক্ষ মো. আসাদুল হক বিয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন দপ্তর সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য শফিকুল ইসলাম তাজেল, কামাল আহমেদুজ্জামান, আলমগীর (জুয়েল), আকতার,  মো. সাঈদী হাসান,  মো. মিজান সাহেব, মো. যুবরাজ আলম (মানিক) প্রমূখ উপস্থি ছিলেন।

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান