• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৭ই বৈশাখ ১৪৩১ রাত ১২:৪৭:৪৯ (21-Apr-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৭ই বৈশাখ ১৪৩১ রাত ১২:৪৭:৪৯ (21-Apr-2024)
  • - ৩৩° সে:

গোপালগঞ্জে ৬৬৪ টাকায় মিলছে গরুর মাংস

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ জেলা সদরের কালেক্টর বাজারে শুরু হয়েছে সরকার নির্ধারিত সুলভ মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও গরুর মাংস বিক্রির কার্যক্রম। জেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মানবিক সংগঠন মানবিক গোপালগঞ্জের সভাপতি আরমান খান জয়, এশিয়ান টেলিভিশন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ও মফস্বল মানবাধিকার সংগঠনের সভাপতি তানভীর হাসান সৈকত এবং সাংবাদিক ইকবাল মিয়ার সহযোগিতায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।আরও পড়ুন : মাঠে ফিরছেন লিওনেল মেসিগরুর মাংসের সরকার নির্ধারিত মূল্য ৬৬৪ টাকা ৪৯ পয়সা। কিন্তু সদরের কালেক্টর বাজারে ৬৬৪ টাকায় মিলছে গরুর মাংস। ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিজন ১০০ গ্রাম থেকে শুরু করে নিতে পারবেন সর্বোচ্চ ২ কেজি পর্যন্ত। পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে সুলভ মূল্যে সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি।সরকার নির্ধারিত মূল্য থেকেও ৫০ পয়সা কম মূল্যে মাংস পেয়ে খুশি ক্রেতারা। বাজারের তুলনায় কিছুটা কম মূল্যে অন্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যদি পেয়েও খুশি তারা।ভোর রাত থেকে গরু জবাই করে বিক্রির জন্য প্রস্তুতি শুরু করা হয়। জেলার বাসিন্দারা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী অন্যান্য জেলা থেকেও  নানান বয়সের নারী-পুরুষ দিনের প্রথম প্রহর থেকেই ব্যাগ হাতে মাংস কিনতে লাইনে ভিড় করেন।জেলা সদরের একজন ক্রেতা প্রতিবন্ধী জলিল, চাকুরীজীবি রিনা খানম, গৃহিণী সালমা বেগম, ব্যবসায়ী মুসতাইন বিল্লাহসহ কয়েকজন মাংস ক্রেতার সাথে কথা হলে তারা জানান, পবিত্র মাহে রমজানের শেষ সময়ে এসে সুলভ মূল্যে এমন নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারসহ গরুর মাংস কিনতে পারছেন তারা। হালালভাবে জবাই করা দেশি গরু দেখে মাংস কিনতে পেরে তারা সন্তুষ্ট।এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকল স্বেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদ জানান ক্রেতারা।গোপালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহসিন উদ্দিন বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে গরুর মাংস বেশিরভাগ মানুষের ক্রয় সাধ্যের বাহিরে চলে যাওয়ায় সরকার নির্ধারিত সূলভ মূল্যে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যদি এবং মাংস বিক্রির কার্যক্রম কালেক্টর বাজারের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়েছে, যা রমজানের পরেও চলমান থাকবে।তিনি বলেন, এলাকাভিত্তিক এধরনের উদ্যোগ নিলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি  এবং গরুর মাংসের দামের উপর প্রভাব পড়বে। অসাধু ব্যবসায়ীরাও বাধ্য হয়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যেই তখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও মাংস বিক্রি করবেন।সকাল ৬ টা দুপুর ৩টা পর্যন্ত চলে মাংস বিক্রির কার্যক্রম। পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রি হয় সকাল ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত।এছাড়াও মাহে রমজান উপলক্ষে কালেক্টর বাজার থেকে ইমাদ পরিবহনের সৌজন্যে প্রতিদিন রোজাদারদের জন্য ফ্রি ইফতার বিতরণ করা হয়।

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান