• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২১শে ফাল্গুন ১৪৩০ রাত ১২:১৯:৪৭ (05-Mar-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২১শে ফাল্গুন ১৪৩০ রাত ১২:১৯:৪৭ (05-Mar-2024)
  • - ৩৩° সে:

হাওরাঞ্চলের যোগাযোগে স্বস্তি এনেছে ঘোড়াউত্রা নদীর ফেরি

বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ঘোড়াউত্রা নদীতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ফেরি সার্ভিসটি নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছে হাওরের মানুষজনকে। গেলো ডিসেম্বর মাসে পাটুলী নৌ ঘাট থেকে হুমাইপুর ঘাট, এই দুই কিলোমিটার নদী পথে ফেরি সার্ভিসটি চালু করা হয়।এর মাধ্যমে হাওরাঞ্চলের মানুষজন সহজেই চলাচল করতে পারছে। এটি বর্তমান সরকারের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের একটি অন্যতম চিত্র। ২০২০ সালে কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার সঙ্গে শুকনো মৌসুমে সড়কপথে গাড়ি দিয়ে চলাচলের জন্য ঘোড়াউত্রা নদীতে ফেরি চালু করার সিদ্ধান্ত নেয় সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। সে অনুযায়ী কাজ করা হলেও ফেরি চলাচল করেনি। ২০২৩ সালের ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ উপলক্ষে দুই দিনের জন্য ফেরি সার্ভিস চালু করা হলেও পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।হাওরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বাজিতপুর পাটুলীঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। হাওর অঞ্চলের মানুষকে সময় ও অর্থ বাঁচাতে ফেরি চলাচল ছিল সময়ের দাবি। বহুল প্রত্যাশিত দাবি বাস্তবায়ন হওয়া হাওরবাসীর উল্লসিত।বিশেষ করে, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার পাটুলিঘাট থেকে অষ্টগ্রাম, মিটামইন, ইটনা ও হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলাসহ হাওর অঞ্চলে যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এটি। সিএনজি, অটোরিক্সা, ট্রাক, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহন এ ফেরিটির মাধ্যমে পারাপার করা হয়। এটি চালু হওয়ায় এখন আর আগের মতো কষ্ট করতে হচ্ছে না হাওরবাসীর।তবে একটি ফেরি থাকায় চলাচলে তেমন সুবিধা পাচ্ছে না তারা। কারণ, একটি ফেরি থাকার কারণে লোকজনকে দীর্ঘ সময় ধরে ঘাটে অপেক্ষায় থেকে তারপর পর হতে হচ্ছে। আরো একটি ফেরি হলে অর্থাৎ দুটি ফেরি হলে সহজেই দুই প্রান্ত থেকে মানুষজন আরও সহজেই চলাচল করতে পারতো।এই ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপারে টাকা দিতে হয়। কিন্তু মানুষ পারাপারে কোনো টাকা লাগে না। তবে এখানে ভাড়া আদায়ের দৃশ্যমান কোনো তালিকা নেই। এমনকি ভাড়া আদায়ের রশিদ পর্যন্ত দেওয়া হয় না।স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি যাত্রীদের অনুরোধ, দ্রুত যেনো আরেকটি ফেরি চালু করা হয়। সেই সাথে ভাড়া আদায়ের তালিকা ও ভাড়া আদায়ের রশিদ প্রদান করার যেন ব্যবস্থা করা হয়। 

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান