• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৭ই বৈশাখ ১৪৩১ রাত ০১:০৯:০৮ (21-Apr-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৭ই বৈশাখ ১৪৩১ রাত ০১:০৯:০৮ (21-Apr-2024)
  • - ৩৩° সে:

গাজীপুরে চুরি হওয়া ৮ মাসের শিশুকে ১৭ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর: গাজীপুর মহানগরীর নাওজোড় এলাকার ভাড়া বাসা থেকে চুরি হওয়া ৮ মাসের শিশু আব্দুল্লাহ নোমান ১৭ দিনেও উদ্ধার হয়নি। এতে ছেলের শোকে পাগল প্রায় বাবা-মা। সন্তানকে ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে হন্যে হয়ে ঘুরছে ওই শিশুর পরিবার।গত ৩ এপ্রিল একই বাসার ভাড়াটিয়া আইরিন নামের এক মহিলা ওই শিশুকে চুরি করে পালিয়ে যায়। চুরি হওয়ার ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো হদিস মেলেনি শিশু নোমানের।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চুরির ঘটনায় প্রশাসনের একাধিক সংস্থা শিশু নোমানকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত নারী চোর আইরিনকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।চুরি যাওয়া শিশু নোমানের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নোমানের বাবা পেশায় একজন পোশাক শ্রমিক। তিনি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকার একটি পোশাক তৈরি কারখানায় চাকরি করেন। কর্মের সুবাদে পরিবার নিয়ে শিশু নোমানের পিতা মোক্তার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুর মহানগরের ১৩ নং ওয়ার্ডের নাওজোড় এলাকার ফরিদ মিয়ার ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন।অপরদিকে, অভিযুক্ত ওই নারী তার স্বামীকে নিয়ে একই বাসার পাশের রুমে বসবাস করে আসছিলেন। গত ৩ এপ্রিল দুপুরে শিশু নোমানের মা তাকে গোসল করিয়ে খাটে রেখে কাপড় ধোয়ার জন্য গোসলখানায় যান। সেখান থেকে ফিরে এসে নোমানকে যথাস্থানে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে জানতে পারেন, আইরিন তার সন্তানকে চুরি করে পালিয়েছে।এ ঘটনায় শিশু নোমানের পিতা মোক্তার হোসেন বাদী হয়ে গত ৪ এপ্রিল আইরিন এবং আরও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের নামে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আইরিনের স্বামী আবু সাইকে গ্রেফতার করে।শিশু নোমান চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক নারী চোর মোসা: আইরিন(৩৪) কুড়িগ্রাম জেলার উদিরপুর থানার নতুন অনন্তপুর গ্রামের আফজাল হোসেন ওরফে খয়বর আলীর মেয়ে।গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এঘটনায় ওই নারীর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তার স্বামী এবং বাবার গ্রামের বাড়ী বগুড়া ও কুড়িগ্রামে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না।তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ওই নারী মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। তবে শিশু উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান