• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১৮ই ফাল্গুন ১৪৩০ রাত ১০:৫৮:৩০ (01-Mar-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১৮ই ফাল্গুন ১৪৩০ রাত ১০:৫৮:৩০ (01-Mar-2024)
  • - ৩৩° সে:

সদরপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে জাটকা নিধন

ফরিদপুর প্রতিনিধি: সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফরিদপুরের সদরপুরে পদ্মা নদীতে নির্বিচারে চলছে জাটকা ইলিশ নিধন। এক শ্রেণির অসাধু জেলে চক্র নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ বাঁধ দিয়ে ও জাল দিয়ে জাটকা ইলিশ শিকার করছে। এসব জাটকা ইলিশ দেদারসে বিক্রি হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে। এতে জাটকা সংরক্ষণে সরকারের কর্মসূচি ভেস্তে যেতে বসেছে।সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নির্বিঘ্নে জাটকা শিকার চলছে। এসব জাটকা সংরক্ষণ করে পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।চর নাসিরপুর এলাকার কয়েকজন জেলে পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে বাঁধ দিয়ে ও কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা ইলিশ শিকার করছেন। বিভিন্ন হাটবাজার সেসব মাছ প্রকাশ্যে বিক্রিও করছেন।এ সময় তারা বলেন, এ নদীতে এখন জাটকা ইলিশ ধরা পড়ে বেশি। প্রশাসনের লোকজন ধরলে তদবির করে ছাড়িয়ে নেওয়া যায়। আমরা উপরের মহলের সাথে যোগাযোগ রেখেই মাছ শিকার করছি।দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া এলাকার এক জেলে বলেন, বেশি মাছ পাওয়ার আশায় পদ্মা নদীর বিভিন্ন জায়গা জাল ফেলেছি। এ বছর জাটকা শিকারের মাত্রা অনেক বেড়ে গেছে। রাতের আঁধারে নদীতে প্রতিদিন আমার মতো অনেক জেলেই জাটকা ধরছে। এসব মাছ আড়ত থেকে রাতে ট্রলার, পিকআপ ভ্যান, বাসসহ বিভিন্ন পরিবহনে মোকামে যাচ্ছে।এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে কথা বলেতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে এবিষয়ে কোনো কথা বলবেন না বলে জানান। জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ঠিক মতো কোনো অভিযান পরিচালনা করেন না বলে অনেক অভিযোগ রয়েছে।তিনি তথাকথিত কোনো অভিযান পরিচালনা করলেও সেবিষয়ে জেলেরা অনেক আগেই অফিস সূত্রে তথ্য পেয়ে যায়। যে কারণে নোনোভাবেই এই জাটকা শিকার বন্ধ হচ্ছে না।জানা যায়, সম্প্রতি সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মোরাদ আলীর নেতৃত্বে একটি অভিযানে কিছু মাছ, জাল জব্দ করে জেল জরিমানা করা হলেও তেমন নোনোফল পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৮ মাস নদীতে ১০ ইঞ্চির নিচে জাটকা ইলিশ ধরা, মজুদ ও বাজারজাতে নিষেধাজ্ঞা করেছে সরকার।এ সময়ে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবেও ঘোষণা দিয়েছে।

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান