• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ১৯শে কার্তিক ১৪৩৩ রাত ১০:৪২:৩৮ (03-Nov-2026)
  • - ৩৩° সে:
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল দুই কোটি, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি

বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল দুই কোটি, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি

ডেস্ক রিপোর্ট: খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদ্‌যাপনে দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। তবে আবেদনের চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি, অর্থাৎ তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।২ নভেম্বর সোমবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এ-সংক্রান্ত সারসংক্ষেপে তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার বিষয়ে অনুমোদন দেন তিনি।আগামী ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বড়দিন ২০২৬’ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এ অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়।ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক সারসংক্ষেপে জানানো হয়, শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়, চলতি ২০২৬ সালেও বড়দিন উপলক্ষে দুই কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ অর্থ খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুমোদন চাওয়া হয়।তবে প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত দুই কোটি টাকার পরিবর্তে তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দেন।এটিভি/ এইচকে

৪৭ মিনিট আগে


















































দুর্গম পাহাড়ে উন্নয়নের ছোঁয়া, বদলাচ্ছে মানুষের জীবন

দুর্গম পাহাড়ে উন্নয়নের ছোঁয়া, বদলাচ্ছে মানুষের জীবন

রাঙামাটি প্রতিনিধি: রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি জনপদে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, চিকিৎসাসেবা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা, খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি ও পরিবেশ সংরক্ষণে বহুমুখী জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (২৬ ইসিবি)। দুর্গম পাহাড়ি পথ, প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সেনাবাহিনীর এই প্রকৌশল ইউনিট।বিশেষ করে রাঙামাটির রাজস্থলী, বিলাইছড়ি ও আশপাশের দুর্গম এলাকায় সীমান্ত সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীন ২৬ ইসিবি ২০১৬ সালে রাজস্থলী প্রকল্প ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করে। পরে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই সীমান্ত সড়ক (রাজস্থলী-দুমদুমিয়া-ফারুয়া-বিলাইছড়ি-সাইচল-বড়খলি-থেগামুখ) নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৭৬ কিলোমিটার ফ্লেক্সিবল পেভমেন্টের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বগাখালী থেকে করল্লাছড়ি পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি তৃতীয় পর্যায়ে করল্লাছড়ি থেকে যেসামুখ পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার এবং অদয়াবাব থেকে থালিপাড়া পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব সড়কের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সেতু, কালভার্ট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্টদের মতে, সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারিত হলে দুর্গম এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও ভূমিকা রাখছে ২৬ ইসিবি। প্রাপ্ত তথ্যমতে, দুর্গম এলাকায় তিনটি যাত্রী ছাউনি, চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন্ন স্থানে নয়টি পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে রোপণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৬৮০টি ফলজ ও বনজ গাছের চারা।শিক্ষার প্রসারে থুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ইউনিফর্ম ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখতে দুইজন শিক্ষকের বেতন-ভাতার দায়িত্ব নিয়েছে ২৬ ইসিবি। অন্যদিকে, বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন ও চারটি বৈদ্যুতিক ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠ তৈরি, শিক্ষার্থীদের জার্সি ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে খেলাধুলার পরিবেশ তৈরিতেও সহযোগিতা করা হয়েছে।থুমপাড়া এলাকায় শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ তৈরিতে নির্মাণ করা হয়েছে একটি খেলার মাঠ। আগে মাঠ না থাকায় স্থানীয় শিশুরা নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল।মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে থুমপাড়ার এক ক্যানসার আক্রান্ত রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার ব্যবস্থা করে ২৬ ইসিবি। একই সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভারও বহন করা হয়। বর্তমানে ওই রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।এ ছাড়া গত ২ নভেম্বর বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্পসংলগ্ন গাছবাগান পাড়ার একটি বৌদ্ধ বিহার সংস্কার ও উন্নয়নকাজের জন্য আট বান ঢেউটিন অনুদান দিয়েছে ২৬ ইসিবি। দুর্গম এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে এ সহযোগিতাকে স্থানীয়রা সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।সীমান্ত সড়ক নির্মাণের ফলে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে পাহাড়ে উৎপাদিত কলা, হলুদ, আদা ও অন্যান্য কৃষিপণ্য স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হতো। বর্তমানে রাঙামাটি, রাঙ্গুনিয়া ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে এসব পণ্য সরবরাহের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।থুমপাড়া এলাকার একজন কার্বারি বলেন, ‘আগে আমাদের এলাকার মানুষের রাজস্থলী, চন্দ্রঘোনা কিংবা চট্টগ্রামে যাতায়াত করা অনেক কঠিন ছিল। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না থাকায় নানা সমস্যায় পড়তে হতো। এখন সেনাবাহিনীর সীমান্ত সড়ক নির্মাণের ফলে যাতায়াতের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাহাড়ে উৎপাদিত কলা, হলুদ, আদাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য রাঙামাটি ও রাঙ্গুনিয়ার বাজারে সরবরাহ করতে পারছি।’তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা, চিকিৎসা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও খেলাধুলার ক্ষেত্রেও ২৬ ইসিবি সহযোগিতা করছে। ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা এবং বৌদ্ধ বিহার সংস্কারে সহায়তা স্থানীয় মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, আগে বিদ্যুতের অভাবে গরমের সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে কষ্ট হতো। খেলার মাঠ ও ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবেও তারা নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ পেত না। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সৌরবিদ্যুৎ, ফ্যান, খেলার মাঠ, জার্সি ও ক্রীড়া সামগ্রী পাওয়ায় তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার পরিবেশ উন্নত হয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম জনপদে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। এমন বাস্তবতায় সীমান্ত সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, খেলাধুলা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ২৬ ইসিবির উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এসব উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে দুর্গম পাহাড়ি জনপদে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।এটিভি/ এইচকে

৩ নভেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৭:৫৫
বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের ওপর নজর রাখছে ভারত

বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের ওপর নজর রাখছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত বলে জানিয়েছেন মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।৩ নভেম্বর মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস বিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।জয়সওয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। সেখানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে এবং আমরা সেই ঘটনাপ্রবাহ অনুসরণ করে চলেছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে, আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী এবং গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে কাজ করতে চাই।দ্বিপাক্ষিক পানি ব্যবস্থাপনা, বিশেষ করে গঙ্গা পানি চুক্তি প্রসঙ্গে মুখপাত্র জানান, যৌথ পানি সম্পদ সংক্রান্ত যেকোনো আলোচনা প্রতিষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।তিনি বলেন, আমি আগেও যেমন বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমাদের একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে, এবং সেটিই গঙ্গাসহ সকল আন্তঃসীমান্ত নদী নিয়ে আলোচনার জন্য একটি কাঠামোগত ব্যবস্থা।মুখপাত্র নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে আসন্ন উচ্চ-পর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকের অবস্থা নিয়েও কথা বলেন এবং বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি একটি স্থায়ী আমন্ত্রণের কথা তুলে ধরেন।জয়সওয়াল বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি, এবং এ বিষয়ে কোনো নতুন তথ্য পেলে আমি আপনাদের জানাব।তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন মঙ্গলবার বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ টানা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। সকালে বিশেষ করে ঢাকার মিরপুর এলাকার বেশ কয়েকটি কারখানা আংশিকভাবে চালু হওয়ার পর উত্তেজনা আবারও বেড়ে যায়। যদিও ধীরে ধীরে কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় শ্রমিকরা কারখানায় ফিরতে শুরু করেছিল, কিন্তু পোশাক শ্রমিকরা কারখানা থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আরো অবনতি রোধ করতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এটিভি/ এইচকে

৩ নভেম্বর ২০২৬ রাত ১০:৩৭:৪৫
শুল্কমুক্ত কাপড় খোলাবাজারে বিক্রি, দুই কারখানায় ১০২ কোটি টাকার কর ফাঁকি

শুল্কমুক্ত কাপড় খোলাবাজারে বিক্রি, দুই কারখানায় ১০২ কোটি টাকার কর ফাঁকি

ডেস্ক রিপোর্ট: বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কাপড় অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি, কম মূল্যে রপ্তানি দেখানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে দুই পোশাক কারখানা ১০২ কোটি ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) পৃথক তদন্তে এ রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উঠে এসেছে।আজ ২ নভেম্বর সোমবার এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠান দুটি হলো রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ও লিশা টেক্স (প্রা.) লিমিটেড। এর মধ্যে রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকা এবং লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিআইসির তদন্ত দল প্রতিষ্ঠান দুটির কারখানা ও গুদাম সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাঁচামালের মজুদ যাচাই করে। পাশাপাশি আমদানি ও রপ্তানির তথ্য সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ৪১টি ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের (ইউডি) আওতায় বন্ড সুবিধায় ২ হাজার ৮৬২ টন ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় আমদানি করে। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২৩৭ টন বা ৭৮ শতাংশ কাপড় কারখানার গুদামে পাওয়া যায়নি। রপ্তানির হিসাবেও এসব কাপড়ের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তে দেখা গেছে, বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে কাপড় সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানির নথিতে সুতা ও নিট কাপড়ের হিসাব পাওয়া গেলেও ওভেন পলিয়েস্টার কাপড়ের বড় ধরনের ঘাটতি শনাক্ত হয়েছে। যেসব ৩১টি ইউডিতে কোনো রপ্তানি হয়নি, সেগুলোর ৩০টিতেই আমদানি করা কাপড়ের পুরোটা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আংশিক রপ্তানি হওয়া ১০টি ইউডিতেও আমদানি করা কাপড়ের প্রায় ৫৩ শতাংশের হিসাব পাওয়া যায়নি।পরিদর্শনে পুরো কারখানায় ৬৯ হাজার ৩৮২ কেজি সুতা, ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৭ পিস তৈরি পোশাক এবং মাত্র ২৫ হাজার ৫৩৩ দশমিক ৫০ কেজি ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় পাওয়া যায়। এই কাপড়ের পরিমাণ মোট আমদানির মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়া কাপড়ের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ১৩৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে।অন্যদিকে, লিশা টেক্সের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার কেজি পলিয়েস্টার কাপড় কারখানায় পাওয়া যায়নি। তদন্তে উঠে এসেছে, এসব কাপড় বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। শুধু এ খাতেই প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি শনাক্ত হয়েছে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনুমোদনের চেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করলেও চুক্তিমূল্যের তুলনায় কম রপ্তানিমূল্য দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। ইউডির বাইরে স্থানীয় উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং বাধ্যতামূলক ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত পূরণ না করার বিষয়টিও তদন্তে পাওয়া গেছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চার লাখের বেশি পিস পোশাকের আনুষঙ্গিক কাঁচামাল অনুমোদন ছাড়াই মূসক পরিশোধ না করে স্থানীয় বাজার থেকে কেনা হয়েছে। পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার কিট ব্যাগ সরবরাহের মাধ্যমে মূসক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মোট ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে।এনবিআর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে সিআইসির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এটিভি/এসআইআর

২ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪০
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে: চসিক প্রশাসক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে: চসিক প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।তিনি বলেন, বৃষ্টি কমে গেলেও ডেঙ্গুর ঝুঁকি শেষ হয়ে যায় না। বিগত বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত থাকতে পারে। তাই এ সময়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।২৬ অক্টোবর সোমবার নগরের টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রশাসক এসব কথা বলেন।সভায় সিভিল সার্জন অফিসের হালনাগাদ পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হয় এবং নগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলমান কার্যক্রম ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ৩ হাজার ২১০ জন, জেলার উপজেলাগুলোতে ২ হাজার ৭৬২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য জেলা থেকে আগত ৭০৮ জন রোগী রয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে মোট ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মহানগর এলাকায় ১২ জন, উপজেলা পর্যায়ে ১৪ জন এবং অন্যান্য জেলার সাতজন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ১৮ জন নারী, ৯ জন শিশু ও ছয়জন পুরুষ। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ৯১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।মহানগর এলাকার মধ্যে হালিশহরে সর্বোচ্চ ৪৩৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া কোতোয়ালীতে ৩৩৪ জন, বন্দরে ৩২৪ জন, পাহাড়তলীতে ৩০৪ জন এবং বাকলিয়াতে ২৫৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে সীতাকুণ্ডে সর্বোচ্চ ৮৪৮ জন, কর্ণফুলীতে ৩২৩ জন এবং বাঁশখালীতে ২৩১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৪৩০ জন এবং অক্টোবরে ২ হাজার ১২৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এসব পরিসংখ্যান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, মশক নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ চিকিৎসাসেবা এই চারটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।সভায় জানানো হয়, চসিকের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বর্তমানে প্রতিটি ছোট ওয়ার্ডে তিনজন করে এবং বড় ওয়ার্ডগুলোতে পাঁচজন করে কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শ কর্মী এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। মশক নিয়ন্ত্রণে বিটিআইসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ এবং অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে।চসিক প্রশাসক এসব কার্যক্রম নিয়মিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২৭ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০:২৫:৫১

নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২


কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:২৮

মুক্তির আগেই থমকে গেল শাকিবের ‘সোলজার’
মুক্তির আগেই থমকে গেল শাকিবের ‘সোলজার’

বিনোদন ডেস্ক: গুঞ্জন উঠেছে, বন্ধ হতে চলেছে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সিনেমা ‘সোলজার’-এর শুটিং। একাধিকবার শুটিংয়ের শিডিউল দিয়েও কাজ শেষ করতে পারেননি নির্মাতারা। ফলে সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে দিন দিন বাড়েছে ধোঁয়াশা।শুরুতে গত বছরের ডিসেম্বরে মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও পরে চলতি বছরের অক্টোবর এবং সর্বশেষ ডিসেম্বরে মুক্তির কথা জানানো হয়েছিল। তবে মুক্তির সময় ঘনিয়ে এলেও বেশিরভাগ শুটিং বাকি ছিল।শাকিব খানের ম্যানেজার মনির জামান এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে শাকিব খানের কোনও ছবির শুটিং নিয়ে এতটা গড়িমসি হয়নি।অন্যদিকে, শিল্পী-কলাকুশলীদের সম্মানী বকেয়া থাকার অভিযোগও উঠেছে। যদিও তা অস্বীকার করেছেন নির্বাহী প্রযোজক মৌমিতা হোসাইন।এদিকে নতুন সিনেমা ‘মহব্বত’ এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন শাকিব খান। ফলে ‘সোলজার’-এর বাকি শুটিং কবে শেষ হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। তবে নির্মাতা পক্ষের দাবি, শুটিং শেষ হলেই টিজারের মাধ্যমে মুক্তির তারিখ জানানো হবে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত কবে মুক্তি পায় শাকিব খানের ‘সোলজার’ সিনেমাটি।এটিভি/এসটিও

৩ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:০১:২০
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪


মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
৩০ জানুয়ারী ২০২৬ সকাল ০৯:১৮:০৬

বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতা সঞ্জয় গুপ্তর মৃত্যু
বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতা সঞ্জয় গুপ্তর মৃত্যু

বিনোদন ডেস্ক: মারা গেছেন ‘কাঁটে’, ‘জিন্দা’ ও ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’র মতো বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমার পরিচালক সঞ্জয় গুপ্ত।৩১ অক্টোবর শনিবার সকালে ৫৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজের (এফডব্লিউআইসিই) প্রধান উপদেষ্টা অশোক পণ্ডিত।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অশোক পণ্ডিত জানান, নিজ বাড়িতে মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে সঞ্জয় গুপ্তের।বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘খবরটি সত্যিই মর্মান্তিক ও মেনে নেওয়া কঠিন। আমাদের প্রিয় বন্ধু, প্রতিভাবান পরিচালক সঞ্জয় গুপ্ত আর নেই। তিনি ছিলেন প্রাণবন্ত একজন মানুষ, অসাধারণ গল্পকার এবং চলচ্চিত্রের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ নির্মাতা। এত দ্রুত তাকে হারানো চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য বড় ক্ষতি।’ তিনি আরও জানান, সঞ্জয় গুপ্তের শেষকৃত্যের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।এদিকে সঞ্জয় গুপ্তের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোক প্রকাশ করেছেন বলিউডের অনেকে।চলচ্চিত্র বাণিজ্য বিশ্লেষক ও সমালোচক তরণ আদর্শ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। বিশ্বাসই করতে পারছি না, সঞ্জয় গুপ্ত আর নেই। কয়েক দিন আগেই তার বাড়িতে আয়োজিত মাতা কি চৌকির অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল। খবরটি সত্যিই হৃদয়বিদারক।’সঞ্জয় গুপ্তের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত চলচ্চিত্র অঙ্গনের সহকর্মীরা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমসএটিভি/এসটিও

৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:৫২:২১
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ জেনিফার লরেন্স
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ জেনিফার লরেন্স

বিনোদন ডেস্ক: হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স ক্যারিয়ারে এর আগেও বিভিন্ন দৃশ্যে কাজ করলেও একবার নগ্ন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে বেশ অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন।তবে সম্প্রতি ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, শুটিং সেটে এমন কিছু কর্মী উপস্থিত ছিলেন, যাদের সেখানে থাকার কোনো অনুমতিই ছিল না। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কঠোর প্রতিবাদ জানান।লরেন্স মনে করেন, একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিতে আসা নতুন ও তরুণ শিল্পীদের সুরক্ষার স্বার্থেও এমন অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, একজন ১৮ বছর বয়সী নতুন অভিনেত্রী হয়তো ভয়ে বা প্রতিবাদ করলে তাকে ‘কঠিন স্বভাবের’ মনে করা হবে—এই আশঙ্কায় নিজের অস্বস্তি মুখ বুজে সহ্য করে নেন। তাই এই ধরনের মানসিকতা বদলানোর জন্য সবার সামনে প্রতিবাদ করাটা দরকার ছিল বলে তিনি মনে করেন।সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডাই মাই লাভ’ সিনেমায় সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, ছবিটিতে কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর না থাকলেও প্যাটিনসনের পেশাদার ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণের কারণে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ বোধ করেছিলেন। নগ্নতা নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কোনো অস্বস্তি না থাকায় এবং পরিচালকের শৈল্পিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই তিনি দৃশ্যগুলোতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এমনকি শুটিং চলাকালীন অন্তঃসত্ত্বা থাকায় শারীরিক গঠন নিয়ে তার বাড়তি কোনো দুশ্চিন্তা ছিল না। একটি দৃশ্যের ক্লোজআপ শটে ত্বকের স্বাভাবিক ভাঁজ বা সেলুলাইট ডিজিটাল উপায়ে সরিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা সরাসরি নাকচ করে দেন এবং তাঁর শরীর যেমন, সেভাবেই পর্দায় রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।এটিভি/ এইচকে

৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০২:৫৯
বাংলাদেশে আর কোনো বিনিয়োগ করবে না সালমান, যা জানা গেল

বিনোদন ডেস্ক: ‘বাংলাদেশে আর কোনো বিনিয়োগ করব না’ এমনটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির। স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর বাংলাদেশে আর স্টুডিও পরিচালনা কিংবা নতুন করে বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেই তার।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’-এর বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সালমান। এ সময় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা এবং নিজের ব্যক্তিগত সংকট নিয়ে কথা বলেন তিনি।সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাননি বলে জানান এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় প্রসঙ্গে তিনি জানান, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বড় ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রতিকূলতা নিয়ে বসে না থেকে তা মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যেতে চান তিনি।এদিকে বাংলাদেশে থাকার পরিকল্পনা কখনোই ছিল না জানিয়ে সালমান বলেন, স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর দেশে আর বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত অবস্থান। একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন তিনি।সালমানের দাবি, তাকে দোষারোপ করা হলেও বিষয়গুলো নিয়ে সরাসরি আলোচনার সুযোগ পাননি। এ ধরনের ঘটনায় অভিযোগ তোলার পাশাপাশি প্রমাণ ও দায়িত্বশীলতার বিষয়টিও গুরুত্ব পাওয়া উচিত। সব প্রতিকূলতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।এটিভি/এসটিও

৩ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৬:১৪
লণ্ঠন হাতে আলোর ছটা ছড়াচ্ছেন অপু বিশ্বাস
লণ্ঠন হাতে আলোর ছটা ছড়াচ্ছেন অপু বিশ্বাস
১ নভেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৫৯:৫৪



কফির নিমন্ত্রণ, বিল দিলেই সঙ্গ দেবেন জয়া
কফির নিমন্ত্রণ, বিল দিলেই সঙ্গ দেবেন জয়া
৩০ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪০:০৬

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দল ঘোষণা

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দল ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক: কাতারের রাজধানী দোহায় এ মাসেই মাঠে গড়াবে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপ। টুর্নামেন্টের এবারের আসর হবে ওয়ানডে ফরম্যাটে। ৮ দলের টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আছে ‘এ’ গ্রুপে। সেই টুর্নামেন্টের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।৩ নভেম্বর মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৯ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। তবে চমকটা হলো টুর্নামেন্টের দল ঘোষণা করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়কের নাম জানায়নি বোর্ড।নিয়ম অনুযায়ী, বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলোতে ১৫ সদস্যের স্কোয়াড জমা দিতে হয়। তাই স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশকে বাংলাদেশ ১৯ সদস্যের দল থেকে চারজনকে বাদ দিতে হবে। সে কারণেই হয়ত অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেনি বিসিবি।সাম্প্রতিক সময়গুলোতে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলছেন এক সময়ে মারকুটে ব্যাটার হিসেবে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া সাব্বির রহমান।মূলত এই টুর্নামেন্টে দলগুলো ‘এ’ দল পাঠায়। তাই জাতীয় দলের আশেপাশে থাকা ক্রিকেটাররাই থাকেন স্কোয়াডে। বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এক সময় জাতীয় দলে খেলা বেশকিছু ক্রিকেটার আছেন স্কোয়াডে।এছাড়াও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে আলো ছড়ানো কয়েকজন ক্রিকেটারও জায়গা করে নিয়েছেন রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপের স্কোয়াডে। সবমিলিয়ে বেশ ভালো একটি দলই গঠন করেছে বাংলাদেশ। তবে কোন চারজন শেষ পর্যন্ত বাদ পড়েন সেটিই দেখার অপেক্ষা।টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিন অর্থাৎ ১৯ নভেম্বর আসরের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। প্রতিপক্ষ হংকং। একদিন পর ২১ নভেম্বর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর ২৩ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষা দিতে নামবে বাংলাদেশ।২২ নভেম্বর টুর্নামেন্টের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। ২৪ নভেম্বর শেষ হবে গ্রুপ পর্বের লড়াই। গ্রুপ পর্ব শেষে ২৬ ও ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল। এরপর ২৯ নভেম্বর ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এশিয়া কাপের এই মেগা আসরের।টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কাতারের ওয়েস্ট এন্ড ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং ইউনিভার্সিটি অব দোহা ফর সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে।বাংলাদেশের স্কোয়াডনাঈম শেখ, মাহমুদুল হাসান জয়, ইফতেখার হোসেন ইফতি, শাহাদাত হোসেন দিপু, পারভেজ হোসেন ইমন, ইয়াসির আলী রাব্বি, সাব্বির রহমান, ইরফান শুক্কুর, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, জাকির হাসান, সামিউল বশির রাতুল, রাকিবুল হাসান, মোহাম্মদ রুবেল, এসএম মেহরব, রিপন মন্ডল, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, ইকবাল হোসেন ইমন।এটিভি/ এইচকে

৩ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:১৮:২৩
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর ধানমণ্ডির মাইডাস সেন্টারে ষষ্ঠবারের মতো শুরু হয়েছে মুদ্রা প্রদর্শনী। বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির (বিএনসিএস) আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার শুরু হয়। প্রদর্শনী চলবে আগামীকাল ৩১ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত।এতে দেশের ৪৩ জন মুদ্রাসংগ্রাহক তাদের সংগ্রহের ৬১টি বিষয়ের নির্বাচিত নিদর্শন উপস্থাপন করছেন ৪২টি ডিসপ্লে বক্সে। প্রতিটি সংগ্রহ যেন মুদ্রার মধ্য দিয়ে ইতিহাসের একেকটি অধ্যায়কে নতুন করে জানার সুযোগ করে দেয়।প্রদর্শনীর বিশেষত্ব হলো, এখানে মুদ্রাকে শুধু লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থব্যবস্থার বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।একটি মুদ্রা হাতে নিলে চোখে পড়ে তার নকশা, লেখা কিংবা ধাতব গড়ন। কিন্তু সেই মুদ্রার গায়েই থাকতে পারে কোনো শাসকের পরিচয়, হারিয়ে যাওয়া জনপদের ইতিহাস কিংবা কয়েক হাজার বছর আগের মানুষের জীবনযাত্রার গল্প।কোনোটি এসেছে প্রাচীন রাজ্য থেকে, কোনোটি সুলতানি বা মোগল আমলের স্মৃতি বহন করছে। আবার কোনোটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর চালু হওয়া টাকার বিরল নমুনা।প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ৩২০ থেকে ৫৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত গুপ্ত সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ থেকে শুরু করে মোগল আমল এবং বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির বিরল সব মোহর। এছাড়া প্রাচীন গান্ধার ও শাক্য জনপদের রৌপ্যমুদ্রার পাশাপাশি ১৬ থেকে ১৯ শতকে থাইল্যান্ড ও লাওসে প্রচলিত ব্রোঞ্জ বা বিলিয়নের তৈরি বাঘের জিহ্বা আকৃতির মুদ্রাও নজর কাড়ছে। প্রদর্শনীতে ব্রিটিশ ভারতের বিভিন্ন নোট এবং বুরুন্ডির বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের ব্যাংক নোটসহ অসংখ্য দুর্লভ সংগ্রহশালা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।মুদ্রা সংগ্রহের শখকে জনপ্রিয় করা এবং নতুন সংগ্রাহক তৈরি করার লক্ষ্যে ২০০৮ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিএনসিএস। প্রদর্শনীতে মুদ্রা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যালবাম, প্রটেক্টরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার সুবিধার্থে রাখা হয়েছে দুটি বিক্রয় বুথও।এটিভি/এসটিও

৩০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:২৫

প্রতিদিন মিষ্টি আলু খেলে মিলবে ১০ উপকার
প্রতিদিন মিষ্টি আলু খেলে মিলবে ১০ উপকার
৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:২৪:০৬

ওজন কমানোর ৫ পানীয়
ওজন কমানোর ৫ পানীয়
৩০ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:১৪:১৭

মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
৩০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:২৫

পুরুষদের জন্য আসছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, বজায় থাকবে পুরুষত্ব

লাইফস্টাইল ডেস্ক: জন্মনিয়ন্ত্রণ বা পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সিংহভাগ দায়িত্ব নারীরাই পালন করে আসছেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের নতুন এক উদ্ভাবন সেই চিরচেনা চিত্র বদলে দিতে চলেছে। কনডম বা স্থায়ী বন্ধ্যাকরণের মতো পদ্ধতিগুলোর বাইরে গিয়ে পুরুষদের জন্যও খুব শিগগিরই বাজারে আসছে মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি বা ‘মেল কনট্রাসেপটিভ পিল’।সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েল কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বিশেষ এই ওষুধটি উদ্ভাবন করেছেন। তাঁদের দাবি, মিলনের মাত্র ৩০ মিনিট আগে এই ট্যাবলেটটি গ্রহণ করলে সাময়িকভাবে স্থবির হয়ে পড়বে পুরুষের শুক্রাণুর গতি। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।কীভাবে কাজ করবে এই বড়ি?নারীদের গর্ভনিরোধক বড়ির মতো এটি প্রতিদিন বা নিয়মিত খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কেবল যৌনমিলনের ঠিক ৩০ মিনিট আগে পুরুষদের এই বড়িটি খেতে হবে। গ্রহণের পর টানা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত এর পূর্ণ কার্যকারিতা বজায় থাকবে।গবেষকরা জানান, ওষুধটি সেবনের পর মানবদেহে ‘এসএসি’ (sAC) নামক একটি বিশেষ এনজাইম বা উৎসেচকের ক্ষরণ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত এই উৎসেচকটির সাহায্যেই শুক্রাণু গতিশীল হয়ে ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু এনজাইমের ক্ষরণ বন্ধ থাকায় শুক্রাণুগুলো সাঁতার কাটার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, ফলে সেগুলো ডিম্বাণুর সংস্পর্শে পৌঁছাতে পারে না।পুরুষত্ব বা হরমোনে কোনো প্রভাব পড়বে কি?পুরুষদের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ির নাম শুনলেই অনেকের মনে নানা শঙ্কা ও প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। তবে গবেষকরা স্পষ্টভাবে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, এই ওষুধে পুরুষের প্রজননক্ষমতা বা পুরুষত্বের কোনো ক্ষতি হবে না। এটি শুক্রাণুর স্বাভাবিক উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে না এবং পুরুষ হরমোন ‘টেস্টোস্টেরন’-এর ক্ষরণেও কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না।এর ফলে স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কের অনুভূতিতে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হলে ওষুধের প্রভাব পুরোপুরি কেটে যাবে এবং পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননক্ষমতা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।কার্যকারিতা ও বর্তমান পরিস্থিতিযুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গবেষণামূলক সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ’-এর প্রয়োজনীয় অনুমোদন মেলার পর বর্তমানে ওষুধটির হিউম্যান ট্রায়াল বা মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। প্রাথমিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, এটি প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল হয়েছে।যেহেতু বড়িটি হরমোনের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম, তাই চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে ওষুধটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য বাজারে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।(সূত্র: আনন্দবাজার ডটকম)

২ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৩৯:৫৮
পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭