• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ২১শে আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ০৩:৩৪:০০ (07-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান’

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান’

অনলাইন ডেস্ক: তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহালের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হলেও জনগণের অনুমোদন নেওয়ার বিধান ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি বলেছেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের যে বিধান ছিল, তা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছিল। আদালতের রায়ে ওই বাতিলের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক ঘোষিত হওয়ায় সংশোধিত সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।৬ অক্টোবর মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধি ও ‘জুলাই যোদ্ধা’দের সঙ্গে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যে সংশোধনীটা আমরা সামনে গ্রহণ করব—সে জায়গায় এমন কিছু আর্টিকেলের পরিবর্তন, সংশোধন সংযোজন আসবে; যেগুলো পরিবর্তনে সংশোধনের পূর্ববর্তী রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। সেটা হচ্ছে সাংবিধানিক গণভোট। আগে যে গণভোট হয়েছে সেটা আইনি গণভোট। এই সাংবিধানিক গণভোটটা আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।’মন্ত্রী বলেন, ‘যে সংশোধনটা আমরা সামনে আনব—সেখানে প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসহ মৌলিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আসবে। আর্টিকেল ৪৮ ও ৫৬-এ আসবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আমরা কেন ধারণ করব, সেই বিষয়গুলো আসবে।’তিনি বলেন, ‘আর্টিকেল ১৪২-এ যেখানে গণভোট ছিল না, শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার সেটা উড়িয়ে দিয়েছিল। সেখানে আবার সেটা আমাদের ধারণ করতে হবে।’তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে ভবিষ্যতে যাতে সহজে কেউ তা পরিবর্তন করতে না পারে, সে বিষয়েও সাংবিধানিক সুরক্ষা রাখার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরায় আমরা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করলে সেটা যাতে ভবিষ্যতে কেউ সহজে পরিবর্তন করতে না পারে, সেজন্য আমরা ওইটা পরিবর্তন করলেও ভবিষ্যতে জনগণের কাছে যাতে যেতে হয়, সেটায় গণভোটের বিধান রাখতে হবে। সেজন্য এই পরিবর্তনগুলো এবং এই সাংবিধানিক সংশোধনীগুলো আমরা সংবিধানে নিয়ে আসলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে আমাদের গণভোট দিতে হবে।’সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের বিধান নেই—এমন বক্তব্যের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি দুই-এক জায়গায় শুনছি, কেউ কেউ বলছেন—সংবিধানে তো গণভোট নাই। আমরা কেন গণভোটের কথা বলছি? সংবিধান সংশোধনের পরে। তারা সঠিক কথা বলছেন না।’এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনের মাধ্যমে আর্টিকেল ১৪২ থেকে যে গণভোটের বিধানটা তুলে দেওয়া হয়েছিল, সেটার বৈধতা ছিল না। এবং সেটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে রায় দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আগে যা ছিল, তাই সঠিক।’এ প্রসঙ্গে ‘ডকট্রিন অব ইক্লিপস’-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন, সেটা তো অটোমেটিক বহাল হয় না। এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে, সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় একটা ডকট্রিন আছে। এটা হচ্ছে ডকট্রিন অব ইক্লিপস।’বিষয়টি ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা যারা আইনে প্রফেসরি করেন, আইনের ছাত্র তারা জানেন। চন্দ্রগ্রহণ যখন হয়, গ্রহণটা সরে গেলে চাঁদটা আবার আলো দেখা যায়। এটাকে বলা হয় ডকট্রিন অব ইক্লিপস। ওই সংবিধানের যে বিধানটা পরিবর্তন করে গণভোট বাতিল করে দিয়েছিল, সেটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। সুতরাং আগেরটা বহাল হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ‘এখানে একটা আইনের জটিল প্রশ্ন আছে। সেটা যতদিন পার্লামেন্টে আবার সংবিধানে ধারণ না করবে, ততদিন পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিস্থাপিত হয়েছে বলা যাবে না। তবে বিচার বিভাগ তাদের যে রায় দিয়েছে, সেই রায় অনুসারে সংবিধানে আমরা এই সংশোধনীতে সেটা ধারণ করব।’গণভোটের বিধান সংবিধানে পুনরায় যুক্ত করার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সুতরাং ইট ইজ দেয়ার। এটা অসাংবিধানিক যদি কেউ বলে, যদি বলে—এখন তো সংবিধানে গণভোটের বিধান নাই, গণভোটের বিধান বহাল হয়েছে—আমরা এটা যখন সংবিধানে নিয়ে আসব, তখন সেটা আমাদের মানতে হবে। সেই হিসাবে সাংবিধানিক ভোটটা।’তিনি আরও বলেন, ‘তাছাড়া প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসহ অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলো যেগুলোতে পরিবর্তন হলে সাংবিধানিক গণভোট দেওয়ার কথা, সেই ১৪২ অনুসারে সেটা তো আছেই এবং আমরা যুক্ত করব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা যে আমরা সংবিধানে আনছি, সেটা যাতে ভবিষ্যতে পরিবর্তন যদি কেউ করতে চায়, তখনও যাতে গণভোটের বিধান বহাল থাকে, জনগণের কাছে যেতে হয়—এইভাবে আমরা একটা সমৃদ্ধ সাংবিধানিক সংশোধনী আনব।’উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আনা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এ বিধান সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়। একই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাও সংবিধান থেকে বাতিল করা হয়েছিল।২০২৬ সালের ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চদশ সংশোধনীর মূল অংশগুলো অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন। ফলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান বাতিলের বিষয়টি নতুন করে সাংবিধানিক আলোচনায় আসে।আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয় সংবিধানের সংশোধিত রূপ বা একটি টেক্সট প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে। সেখানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাদ পড়া ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত বিধানগুলো পুনঃস্থাপনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

৭ ঘন্টা আগে


















































সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যতের সামাজিক সুরক্ষার ভিত্তি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যতের সামাজিক সুরক্ষার ভিত্তি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা শুধু অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নয়, এটি মানুষের ভবিষ্যতকে নিরাপদ করার একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা।তিনি জানান, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় একজন নাগরিক কর্মক্ষম থাকা অবস্থায় নিয়মিত অবদান রাখবেন এবং জীবনের পরবর্তী সময়ে সেই সঞ্চয়ের ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা পাবেন। এটি একটি সুদূরপ্রসারী ও পরিকল্পিত সামাজিক বিনিয়োগ।৬ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় আয়োজিত ময়মনসিংহ বিভাগীয় সর্বজনীন পেনশন মেলা-২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় চারটি স্কিম হলো- প্রবাস স্কিম, প্রগতি স্কিম, সুরক্ষা স্কিম ও সমতা স্কিম। যে যেটার জন্য প্রযোজ্য, সে অনুযায়ী স্কিম বাছাই করা সম্ভব। এসব স্কিমের মাধ্যমে শুধু নিজেদের নয়, সন্তানের ভবিষ্যতও নিরাপদ করার সুযোগ রয়েছে।এ সময় প্রধান অতিথি সবার উদ্দেশে তাদের পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদেরও সরকারের পেনশন স্কিমে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিবারের নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে অধিকাংশ চাকরিজীবী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের কর্মজীবন শেষে পেনশনসহ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কিছু ক্ষেত্রে কর্মী ও প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে অংশগ্রহণ করলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বজনীন পেনশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থা।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আজাদ জাহান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন- অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব শরীফ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার নির্বাহী পরিচালক আরিফুজ্জামান।মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান।এ সময় ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস), বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ব্যাংক ও জাতীয় পেনশন স্কিমের কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভার আগে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সর্বজনীন পেনশন মেলা-২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউস মাঠে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।সূত্র: বাসস

৬ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩১:১১
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৭ অর্থবছরে ৩.৪ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, যা ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাসের সমান। তবে ২০২৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৩.৯ শতাংশ হতে পারে।৬ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে ২০২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের তুলনায় ১.২ শতাংশীয় পয়েন্ট এবং ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাস ০.৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমানো হয়েছে।বিশ্বব্যাংক বলেছে, ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। জ্বালানি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণে ঘাটতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিনিয়োগ কমেছে, রপ্তানি গতি হারিয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে থাকায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। একই সঙ্গে ব্যবসার খরচ বেড়েছে। আর্থিক খাতের দুর্বলতা ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় প্রভাব ফেলেছে। সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার কারণে সরকারি বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।তবে শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতির কারণে দেশের বহিঃখাত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে এবং বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং আরও বেশি ও ভালো কর্মসংস্থান তৈরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। একই সময়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি থমকে গেছে এবং নারীরা চাকরি হারিয়েছেন।ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও আরও বেড়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণের হার ৩০.৬ শতাংশ থাকলেও ২০২৬ সালের জুনে তা বেড়ে ৩৩.২ শতাংশ হয়েছে। রাজস্ব আদায় জিডিপির মাত্র ৮.৩ শতাংশ, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন হারগুলোর একটি। এর ফলে প্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৩.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩.৫ শতাংশ।বিশ্বব্যাংক বলেছে, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও কৃষি ভর্তুকি দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিচ্ছে। তবে সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেকই এখনো কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নেই।সংস্থাটি বলেছে, উপকারভোগী নির্বাচনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া গেলে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানোর প্রভাব বাড়ানো সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারের ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একাধিক খাদ্য ভর্তুকি কর্মসূচি একীভূত করা এবং বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির আরও কার্যকর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড যুক্ত করা গেলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব।

৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:২৭:৫৩




ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ভাঙাচোরা সড়ক, ড্রেনেজ সংকট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থা ও যানজটসহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ছয় মাস পর প্রথমবারের মতো জনতার মুখোমুখি হয়ে নাগরিকদের বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার নগরীর টাউন হল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে নাগরিকরা নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এ আয়োজনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীসহ অর্ধশতাধিক নাগরিক অংশ নেন।নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে সিটি প্রশাসক স্বীকার করেন, নগরের যানজট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনো প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়নি। যানজট নিয়ন্ত্রণে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি পরিবার ও নাগরিককে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরেন সিটি প্রশাসক। তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যানবাহনের রুট পারমিট ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনাকেও অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।আয়োজনে নাগরিকরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি সেগুলো সমাধানে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন করেন। জবাবে প্রশাসক চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি নগর উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি এমন প্রশ্নোত্তর আয়োজনকে সিটি প্রশাসনের সঙ্গে নগরবাসীর যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ০৯:২৪:১১
দুই নৌকার ভয়াবহ সংঘর্ষে কঙ্গোতে নিহত ৩০

দুই নৌকার ভয়াবহ সংঘর্ষে কঙ্গোতে নিহত ৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইকুয়েটর প্রদেশের এনগোম্বে-লুকোলেলা এলাকার কাছে নৌকা দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, এতে বেশ কয়েকজন পানিতে ডুবে মারা যান। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।ইকুয়েটর প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন এমপুতু জানান, ‘দিয়ু সে কাশে’ নামের একটি ধাতব নৌকা রাজধানী কিনশাসা থেকে আসার সময় ‘এইচবি সুপার ভিক্টোর’ নামের কাঠের নৌকার সঙ্গে ধাক্কা খায়। দ্বিতীয় নৌকাটি বাসিঙ্গা থেকে আসছিল।সংঘর্ষের পর প্রায় সব যাত্রী পানির নিচে আটকা পড়েন এবং নৌকা দুটির একটি ডুবে যায়। নিহতদের ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাতে নৌযান চলাচলের সময় দেশটিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, কিনশাসা থেকে আসা নৌকাটিতে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ছিল।ডিআর কঙ্গোতে নৌদুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, রাতে নৌযাত্রা, দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং প্রত্যন্ত এলাকায় পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।এর আগে জুলাইয়ে কাসাই প্রদেশে সরকারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়।সূত্র: আল জাজিরা

৬ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:১৬:০৫

সৌদিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪২:০৫
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২

কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:২৮


মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ

বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। বাংলা চলচ্চিত্রের ‘স্বপ্নের নায়ক’ হিসেবে যিনি আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই নায়কের ৫৫তম জন্মদিন আজ।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে তিনি।টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার অভিনয়জীবনের শুরু। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন।চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে শাবনূর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন। তাদের জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে দর্শকদের কাছে আজও স্মরণীয়।সালমান শাহর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। তবে মৃত্যুর এত বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। জন্মদিনে ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই অকালপ্রয়াত নায়ককে।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৭:৫৪

বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৯:২৭

দীপিকার সঙ্গে করা যে সিনেমাকে ‘ভুল’ বললেন সাইফ
দীপিকার সঙ্গে করা যে সিনেমাকে ‘ভুল’ বললেন সাইফ
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:৪০:০২

এবার তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে সিদ্ধার্থ!
এবার তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে সিদ্ধার্থ!
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:০৫:১২

রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩

বিনোদন ডেস্ক: বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে অজয় দেবগন অভিনীত ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’। গান্ধীজয়ন্তীর ছুটির দিনে, ২ অক্টোবর মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনেই ৯৫ কোটি ১০ লাখ রুপি আয় করেছে ছবিটি।ভারতে ছবিটির নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ১০ লাখ রুপি। বিদেশের বাজার থেকে এসেছে আরও ১৫ কোটি রুপি।এর মধ্য দিয়ে অজয় দেবগনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী আয় করা সিনেমা হয়ে গেল ‘দৃশ্যম ৩’। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় হিন্দি সিনেমার উদ্বোধনী ব্যবসাও এটি।প্রথম দিনেই ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নিট আয় করে অজয়ের আগের সব বড় ওপেনিংকে পেছনে ফেলেছে ‘দৃশ্যম ৩’। এত দিন অভিনেতার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড ছিল ২০২৪ সালের ‘সিংহাম এগেইন’-এর দখলে। রোহিত শেঠি পরিচালিত সিনেমাটি প্রথম দিনে ভারতে আয় করেছিল প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি।অজয়ের অন্য বড় ওপেনিংগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘সিংহাম রিটার্নস’ ৩২ কোটি ১০ লাখ, ‘গোলমাল এগেইন’ ৩০ কোটি ১৫ লাখ এবং ‘রেইড ২’ ১৯ কোটি ২৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ আগের রেকর্ড শুধু ভাঙেনি ‘দৃশ্যম ৩’, তৈরি করেছে বড় ব্যবধানও।অজয়ের ব্যক্তিগত রেকর্ড ছাড়িয়ে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে হিন্দি সিনেমার বড় উদ্বোধনের তালিকাতেও। প্রথম দিনের ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি আয় দিয়ে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ ও রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিমেল’-এর উদ্বোধনী আয়কে পেছনে ফেলেছে ছবিটি। ‘পাঠান’ প্রথম দিনে আয় করেছিল ৫৭ কোটি রুপি। অন্যদিকে ‘অ্যানিমেল’-এর আয় ছিল প্রায় ৬৩ কোটি রুপি।তবে হিন্দি সিনেমার সর্বকালের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড এখনো ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমাগুলোর দখলে। তাই ‘দৃশ্যম ৩’কে বলিউডের সর্বকালের সবচেয়ে বড় ওপেনার বলা যাচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক হিন্দি সিনেমাগুলোর মধ্যে এর উদ্বোধন যে বড়, তা স্পষ্ট।‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের ব্যবসার আভাস অবশ্য পাওয়া গিয়েছিল মুক্তির আগেই। ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয় সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি। মুক্তির আগেই শুধু অগ্রিম বুকিং থেকে আয় ৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ লাখের বেশি টিকিট আগাম বিক্রি হয়েছিল।ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছিল, অগ্রিম বুকিংয়ের গতি দেখে প্রথম দিনেই ৫০ কোটি রুপি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপস্থিতি সেই প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যায়।প্রথম দিনে ভারতে সিনেমাটির ১৫ হাজার ৭৫৯টির বেশি শো হয়েছে। সকালে আসন পূর্ণতার হার ছিল ৪৬.৩৮ শতাংশ। দুপুরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭০.১৫ শতাংশে। সন্ধ্যায় ৭৫.৩১ এবং রাতে ৭৬.৪৬ শতাংশে পৌঁছায়। পুরো দিনের গড় আসন পূর্ণতার হার ছিল ৬৭.০৮ শতাংশ।মুক্তির আগে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের অনেকেই ধারণা করেছিলেন, প্রথম দিনে ‘দৃশ্যম ৩’ ২৫ থেকে ৩০ কোটি রুপি আয় করতে পারে। কিন্তু অগ্রিম বুকিংয়ের গতি সেই হিসাব বদলে দেয়।২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘দৃশ্যম’ প্রথম দিনে আয় করেছিল মাত্র ৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। পরে দর্শকের মুখে মুখে সিনেমাটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় দাঁড়ায় প্রায় ১১০ কোটি রুপি। এরপর ২০২২ সালে মুক্তি পায় ‘দৃশ্যম ২’। প্রথম দিনে ছবিটির আয় ছিল ১৫ কোটি ৩৮ লাখ রুপি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি প্রায় ৩৪২ কোটি রুপি আয় করে।আর এবার তৃতীয় কিস্তির প্রথম দিনের নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ ২০১৫ সালের প্রথম কিস্তির উদ্বোধনী আয়ের তুলনায় ‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের আয় ১১ গুণেরও বেশি। দ্বিতীয় কিস্তির তুলনায় তা চার গুণেরও বেশি। এক দশকে একটি সিনেমা সিরিজ কীভাবে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজিতে পরিণত হতে পারে, এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ।‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয় দেবগনের সঙ্গে সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন শ্রিয়া শরণ, ইশিতা দত্ত, মৃণাল যাদব, জয়দীপ আহলাওয়াত, তাবু ও প্রকাশ রাজ প্রমুখ।সূত্র: নিউজ নাইন

৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:১৮
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হয়েছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাকাউন্ট খোলার পর ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’খ্যাত এই তারকা। আর প্রথম পোস্টেই ভক্তদের উদ্দেশে দিয়েছেন মজার এক সতর্কবার্তা।প্রথম ভিডিওতে জেনিফার জানান, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে দেবেন। এমনকি কেউ খারাপ কিছু ভাবলেও তিনি তা বুঝতে পারবেন—এমন রসিকতাও করেন অভিনেত্রী।ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও একই ধরনের মজার বার্তা দেন জেনিফার। সেখানে তিনি নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এসব মন্তব্য ‘বাচ্চার’ ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এরপর মজা করে নিজেকেই সেই ‘বাচ্চা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনিফারের অভিষেক ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। এক দিনের মধ্যেই তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাঁর ব্যবহার করা নামও রয়েছে ‘জেলঅ’, কারণ ‘জেনিফার লরেন্স’ নামের অ্যাকাউন্টটি আগেই নেওয়া ছিল।প্রোফাইল ছবিতেও নিজের পরিচিত তারকাসুলভ গ্ল্যামারের বদলে মজার ছাপ রেখেছেন জেনিফার। চুলে হেয়ার ফয়েল লাগানো অবস্থায় তোলা একটি স্বাভাবিক ছবিই তিনি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় না থাকলেও জেনিফার আগে জানিয়েছিলেন, তিনি গোপনে এসব মাধ্যম দেখতেন, তবে প্রকাশ্যে অংশ নিতেন না। এবার ইনস্টাগ্রামে পা রেখেই তাঁর এমন রসিক সতর্কবার্তা ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।সূত্র: এনডিটিভি

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:২০:১২
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১

৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিকাল ০৫:৪৭:৩২

চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ দুপুর ০১:২৬:১৬

বায়োলজিক্যাল ক্লক মেনে বিয়ে করতে চাই না: কৌশানি

বিনোদন ডেস্ক: কয়েক বছর ধরে বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। একে অপরের জন্মদিন পালন করা হোক অথবা বিশেষ দিন উদযাপন, দুজনের মধ্যে যে সম্পর্ক ভীষণ ভালো তা বোঝা যায় ভিডিও বা ছবি দেখে।কিন্তু এখনই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে নারাজ অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, ‘আমাদের মধ্যে এমন কিছু নেই যে এক্ষুনি আমাদের বিয়ে করতে হবে।’খুব শিগগির বড় পর্দায় আসছে কৌশানির ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’। এই ছবির সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে উঠে আসে বিয়ের প্রসঙ্গ। অনেকে বলছেন এই বছরের শেষেই নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন কৌশানি। এটা কি সত্যি জিজ্ঞাসা করায় নিজের বিয়ে নিয়ে তিনি কী প্ল্যানিং করছেন জানিয়ে দিলেন।কৌশানি বলেন, ‘প্রত্যেকটা সম্পর্কের পরিণতি হলো বিয়ে। কিন্তু আমি এখন যেমন আছি খুব ভালো আছি। আমরা দুজনেই ভীষণ ভালো আছি। শুধু বায়োলজিক্যাল ক্লক ওয়াইজ আমি বিয়ে করতে চাই না। যখন আমার মনে হবে আমি ঠিক তখনই বিয়ে করবো।’অভিনেত্রী আরও জানান, বিয়ে নিয়ে মাঝেমধ্যেই তার বাবা মেয়ের সঙ্গে আলোচনা করতে চান। কিন্তু মেয়ের থেকে বকা শোনার ভয়ে আবার চুপ করে যান। খুব স্বাভাবিকভাবেই অন্য আর পাঁচটা মেয়ের বাবার মতো মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেন কৌশানির বাবাও। তবে মেয়ের ইচ্ছের বিপরীতে কিছু করতে রাজি নন তিনিও।

৫ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:৩১:৪০

ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ মৃত্যু
৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:০৪:১৪

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু
৪ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:০৫:৪৮

হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু
৪ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:৫৮:১৪

স্বর্ণ জয়ের পর ভারতের নেতৃত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত কৌর

স্বর্ণ জয়ের পর ভারতের নেতৃত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত কৌর

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের তিন ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন হারমানপ্রীত কৌর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।গত বছর ঘরের মাঠে হারমানপ্রীতের ক্যাপ্টেন্সিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতে ভারত। গত মাসে নিশিনে এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে টানা দ্বিতীয়বার স্বর্ণ জেতানোই ছিল অধিনায়ক হিসেবে তার শেষ দায়িত্ব। বিসিসিআইয়ের পর্যালোচনা সভার একদিন পরই এলো তার এই সিদ্ধান্ত।ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ৩৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার লিখেছেন, আজ আমি প্রবল আবেগ নিয়ে অধিনায়কত্ব ছাড়ছি, তবে অন্তরে শান্তিও আছে। কারণ আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, আমার দল এখন ভালো জায়গায় আছে। এই দলে প্রতিভা আছে, ক্যারেক্টার আছে, বিশ্বাস আছে এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। সেই ভবিষ্যৎ দেখতে ও তার অংশ হয়ে থাকতে আমি ভীষণ আগ্রহী।২০১২ সাল থেকে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন হারমানপ্রীত। তবে তিন ফরম্যাটে পূর্ণাঙ্গ অধিনায়কত্ব পান ২০২৩ সালে।ভারতের হয়ে ৫টি টেস্ট, ৫১টি ওয়ানডে ও ১৫৫টি টি-টুয়েন্টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেন হারমানপ্রীত। নেতৃত্ব ছাড়লেও ভারতের হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

৬ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:৪৯:৪৬
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯



আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:০৪:৪৭

বিশ্বের সবচেয়ে নান্দনিক ৭ রেলস্টেশন

লাইফস্টাইল ডেস্ক: স্থাপত্য, নকশা ও আধুনিক নির্মাণশৈলীতে অনন্য বিশ্বের সাতটি রেলস্টেশনকে ২০২৬ সালের ‘প্রিক্স ভার্সাই’ আয়োজনে তুলে ধরা হয়েছে। প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে আয়োজিত এ স্বীকৃতিতে ইতালি, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রেলস্টেশন স্থান পেয়েছে।১. মন্টে সান্ত’আঞ্জেলো স্টেশন, নেপলস, ইতালিইতালির নেপলসে অবস্থিত মন্টে সান্ত’আঞ্জেলো স্টেশনটি নকশা করেছেন বিখ্যাত শিল্পী অনিশ কাপুর ও ফিউচার সিস্টেমস। এটি মাটির প্রায় ৪৮ মিটার নিচে নির্মিত। কর্টেন স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের নকশা এবং আগ্নেয়গিরির গুহার মতো কাঠামো স্টেশনটিকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।২. কলোসেও–ফোরি ইম্পেরিয়ালি স্টেশন, রোমরোমের এই মেট্রো স্টেশনটি মাটির প্রায় ৩০ মিটার নিচে তৈরি। স্টেশন নির্মাণের সময় পাওয়া প্রাচীন রোমান নিদর্শনও এর নকশায় যুক্ত করা হয়েছে। স্টেশনের একটি বিশেষ অংশ থেকে ওপরের কলোসিয়ামের দৃশ্য দেখা যায়।৩. ন্যাশনাল মিউজিয়াম স্টেশন, রিয়াদসৌদি আরবের রিয়াদের ন্যাশনাল মিউজিয়াম স্টেশনটির নকশায় দেশটির ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের প্রভাব রয়েছে। তুওয়াইক পর্বতের আকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত কাঠামোর পাশাপাশি ত্রিভুজাকৃতির নকশা ও আলো-ছায়ার ব্যবহার স্টেশনটির অন্যতম আকর্ষণ।৪. ওয়েস্টার্ন স্টেশন, রিয়াদসৌদি আরবের রিয়াদের ওয়েস্টার্ন স্টেশনের নকশায় মরুভূমির বালিয়াড়ির প্রভাব স্পষ্ট। বাঁকানো ছাদ ও বালুরঙা দেয়ালের পাশাপাশি স্টেশনের চারপাশে বাগান, দোকান, হাঁটার জায়গা ও একটি মসজিদ রয়েছে। ফলে এটি শুধু যাতায়াতের স্থান নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জনপরিসর হিসেবেও তৈরি করা হয়েছে।৫. টাউন হল স্টেশন, মেলবোর্নঅস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের টাউন হল স্টেশনটি অনেকটা বিশাল ক্যাথেড্রালের মতো। এখানে গাছের আকৃতির স্তম্ভ, প্রায় ১০ মিটার উঁচু তামার ছাদ এবং প্রশস্ত প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। ভূগর্ভে থেকেও স্টেশনটিতে খোলামেলা ও আলো-বাতাসপূর্ণ পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।৬. লিওঁ পার-দিয়ু স্টেশন, ফ্রান্সফ্রান্সের লিওঁ শহরের এই স্টেশনটি আশপাশের এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ করার বিষয়টি মাথায় রেখে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে রয়েছে বড় সাইকেল পার্কিং, একাধিক স্তরের গ্যালারি এবং পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত জায়গা। ঐতিহাসিক লিওঁ শহরের স্থাপত্য থেকেও নকশায় অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে।৭. এলএএক্স/মেট্রো ট্রানজিট সেন্টার, লস অ্যাঞ্জেলেসযুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের এই ট্রানজিট সেন্টারটি প্রায় ১১ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত। এর নকশায় আলো-বাতাসের ব্যবহার বিশেষভাবে চোখে পড়ে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির লাইট রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকার যোগাযোগ সহজ করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে স্টেশনটি।স্থাপত্য ও নকশার বৈচিত্র্যের কারণে এসব স্টেশন শুধু যাতায়াতের জায়গা নয়, বরং আধুনিক নগর পরিকল্পনা ও স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবেও নজর কেড়েছে।সূত্র: রাশ ট্যুরিজম নিউজ

৪ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৪:০৮
নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:৩৪:০৯

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:০৪

আজ সিঙ্গেল দিবস
আজ সিঙ্গেল দিবস
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:২১:৫১


পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭