• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ২৮শে শ্রাবণ ১৪৩৩ রাত ১১:১৬:৫৩ (12-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
শপিংমল-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ

শপিংমল-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট: বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। একইসঙ্গে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।১২ আগস্ট বুধবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দিয়েছে।এর আগে, গত ১১ জুন থেকে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল সরকার।এ নির্দেশনায় বলা হয়, আজ থেকে বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।এছাড়া, সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।এই সময়সীমা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। তবে, খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এর আওতার বাইরে থাকবে।এ আদেশে মেনে চলার বিষয়ে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

২ ঘন্টা আগে


















































স্বরূপকাঠিতে ঐতিহ্যবাহী ভাসমান নৌকারহাট, নদীপথেই জমে ওঠে বাণিজ্য

স্বরূপকাঠিতে ঐতিহ্যবাহী ভাসমান নৌকারহাট, নদীপথেই জমে ওঠে বাণিজ্য

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানায় শতবর্ষের ঐতিহ্য দেশের অন্যতম ব্যতিক্রমী ভাসমান নৌকার হাট। জনপদের এই জলবাজারে দেশজুড়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মিলনমেলায় জমে ওঠে কাঠের নৌকার কেনাবেচা, যা নদীনির্ভর বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, ঐতিহ্য আর গ্রামীণ সংস্কৃতির অপূর্ব সমন্বয় এ নৌকার হাট। বরিশাল, ঝালকাঠি, খুলনা, ঢাকা, বাগেরহাট, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে যেমন ক্রেতারা আসেন, তেমনি হাটের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করেন দেশি-বিদেশি পর্যটকরাও। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ হাট থেকে সরকার ভালো রাজস্ব পেলেও, নেই পর্যটকদের জন্য টয়লেট, মানসম্মত রেস্টুরেন্ট, গেস্ট হাউস, নিরাপদ নৌঘাট কিংবা তথ্যকেন্দ্র। সরকার এগুলো সমাধানের উদ্যোগ নিলে পর্যটক বাড়বে, সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।প্রতি বছর বৈশাখ থেকে আশ্বিন—টানা ছয় মাস, সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও সোমবার নদীর ওপর বসে এই ব্যতিক্রমী ভাসমান নৌকার হাট। নদী ও নদীর চরের বুকে শত শত নৌকার এমন সমারোহ দেশের অন্য কোথাও খুব একটা দেখা যায় না। হাট ইজারাদার হুমাযুন বলেন, বছরে এখানে প্রায় ১২ থেকে ১৩ কোটি টাকা নৌকা কেনাবেচা হয়। সরকারের রাজস্ব কোষাগারেও জমা হয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ। এখানকার শতবর্ষের ঐতিহ্য ধরে রেখে এখনো দক্ষ কারিগরদের নিখুত হাতের তৈরি নৌকা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে জাপান, চীন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশেও রপ্তানি হয়েছে। প্রতিবছরই বিদেশি ক্রেতারা ঐতিহ্যবাহী এসব নৌকা কিনতে এ হাটে আসেন। নৌকা ক্রাইতা লিটন বাসার বলেন, ছোট ডিঙ্গি থেকে শুরু করে মাঝারি আকারের একএকটি নৌকার দাম দুই হাজার থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এসব নৌকা ব্যবহার হয় পেয়ারা পরিবহন বা পেয়ারা পাড়া, কৃষিকাজ, মাছ ধরা, গরুর গাস কাটাসহ গ্রামীণ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও খাল-বিল অঞ্চলে যাতায়াতে। স্থানীয়দের দাবি, এ ভাসমান নৌকার হাটটি পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা হলে এটি দেশের অন্যতম দর্শনীয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হতে পারে।নৌকা তৈরি ও কেনা-বেচায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে, সরকার উদ্যোগে নিলে এটি দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা।নৌকা ব্যাবসায়ীরা বলেন, "আমাদের নৌকার চাহিদা অনেক। কিন্তু অবকাঠামোর অভাবে অনেক ক্রেতা ফিরে যান। সরকার যদি এই হাটকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে উন্নয়ন করে, তাহলে আমাদের বিক্রি বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান হবে এবং তরুণরাও এই পেশায় আগ্রহী হবে”।" এগুলোকে বলা হয় ছোট ডিঙ্গি। এখানকার নৌকার মান খুব ভালো। দামও তুলনামূলকভাবে কম। "সারি সারি জলপথনির্ভর এই ব্যতিক্রমী বাজার শুধু স্থানীয় অর্থনীতিকেই গতিশীল করছে না, বরং বহন করছে বাংলার শতবর্ষী ঐতিহ্যের গৌরবও।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর লোকজ সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই ভাসমান হাট এখন পর্যটকদের কাছেও এক অনন্য আকর্ষণের নাম।,” যথাযথ সংরক্ষণ ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এটি আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রেও বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে। পর্যটক শামীমা বলেন "এমন একটি ঐতিহ্যবাহী ভাসমান হাট সত্যিই অসাধারণ।কিন্তু পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা খুবই সীমিত। সরকার যদি পরিকল্পিতভাবে এটি উন্নয়ন করে, তাহলে দেশ-বিদেশ থেকে আরও অনেক পর্যটক এখানে আসবেন। এতে স্থানীয় মানুষের আয়ও বাড়বে।" স্থানীয়দের দাবি, পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা হলে এটি দেশের অন্যতম দর্শনীয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হতে পারে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য, কারিগরি দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে আটঘর-কুড়িয়ানার ভাসমান নৌকার হাট হতে পারে বাংলাদেশের নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ। শত বছরের ইতিহাসকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে থাকা এই হাট এখন শুধু উন্নয়নের ছোঁয়ার অপেক্ষায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রচারণার মাধ্যমে আটঘর-কুড়িয়ানার ভাসমান নৌকার হাট দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি ও পর্যটনের অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে।

১২ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৫:০৩:১৩
বাংলা কিউআর লেনদেনে চার্জ প্রত্যাহার, মিলবে প্রণোদনা

বাংলা কিউআর লেনদেনে চার্জ প্রত্যাহার, মিলবে প্রণোদনা

অনলাইন ডেস্ক: নগদবিহীন লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক সকল লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রিইমবার্সমেন্ট ফি (আইআরএফ) প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে এই কোডভিত্তিক লেনদেনে বাড়তি প্রণোদনাও ঘোষণা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। অর্থাৎ, কার্ড ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ফি বা সার্ভিস চার্জ নিতে পারবে না।গত সোমবার এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করে দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২।এই নির্দেশনা আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশোধিত বলে গণ্য হবে এবং অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।একইসঙ্গে ওই তারিখ থেকে গত ১ জুলাইয়ে জারি করা সার্কুলারের নির্দেশনাবলি রহিত থাকবে। একই দিন অন্য এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ডকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পণ্য বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পাদিত ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে প্রণোদনা দেওয়া হবে।এক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে লেনদেনের পরিমাণের ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে লেনদেনের পরিমাণের ০.২০ শতাংশ প্রণোদনা প্রদান করা হবে বলে জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।এ সংক্রান্ত শর্তাবলীতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, প্রণোদনা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো একক লেনদেনকে একাধিক ছোট লেনদেনে বিভক্ত করা, ট্রানজেকশন স্ট্রাকচারিং করা বা অন্য কোনো কৌশল অবলম্বন করা যাবে না; বাতিল হওয়া কোনো লেনদেনের বিপরীতে প্রণোদনা প্রাপ্য হবে না;বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনবোধে যেকোনো সময় প্রতিষ্ঠানগুলোর লেনদেনের রেকর্ড, মার্চেন্ট-সংক্রান্ত তথ্য, নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট সহায়ক দলিলাদি যাচাই ও নিরীক্ষা করতে পারবে। এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় তথ্য, উপাত্ত ও দলিলাদি সরবরাহ করতে হবে;কোনো প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত, কৃত্রিম বা অন্য কোনো ত্রুটিপূর্ণ লেনদেনের বিপরীতে বা ভুলবশত প্রণোদনা প্রদান করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট প্রণোদনার অর্থ ফেরত গ্রহণ বা পরবর্তী প্রণোদনার অর্থের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারবে;এছাড়া কোনো মার্চেন্টের অস্বাভাবিক সংখ্যক বা অস্বাভাবিক ধরনের লেনদেন পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে তা পর্যবেক্ষণ, যাচাই ও পর্যালোচনা করতে হবে এবং কৃত্রিমভাবে লেনদেন বিভাজন, ক্যাশ আউট বা অন্য কোনো ধরনের অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।এ ধরনের অপব্যবহার প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দায়ী থাকবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত প্রণোদনার অর্থ ফেরত গ্রহণ বা সমন্বয়ের পাশাপাশি পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।সূত্র: নিউজ ২৪

১২ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০:৪১:৪৩
‘সিটি করপোরেশনকে জনসম্পৃক্ত করতে গণমাধ্যমের সহায়তা প্রয়োজন’

‘সিটি করপোরেশনকে জনসম্পৃক্ত করতে গণমাধ্যমের সহায়তা প্রয়োজন’

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে (ডিএসসিসি) আরও জনসম্পৃক্ত ও কার্যকর করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। তিনি বলেন, ‘ঢাকাবাসীদের ঢাকাকে নিজের মনে করতে হবে। নইলে এই শহরের প্রতি দরদ তৈরি হবে না।’১০ আগস্ট সোমবার বিকেলে নগর ভবনে বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।আবদুস সালাম বলেন, ‘আমি যদি মেয়র নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে ঢাকাবাসীর জন্য আরও বেশি কিছু করতে পারব বলে আশা করছি। আপনারা এ ব্যাপারে পাশে থাকেন, আমিও আপনাদের পাশে থাকব।’তিনি বলেন, ঢাকাভিত্তিক যেকোনো উদ্যোগে সিটি করপোরেশন সাংবাদিকদের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি সিটি করপোরেশনকে আরও শক্তিশালী ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আমরা চাই সিটি করপোরেশন আরও জোরদার হোক। জনগণের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত হোক। ঢাকা সিটি করপোরেশনের জনগণের সঙ্গে যেভাবে সম্পৃক্ত থাকা দরকার ছিল, সেভাবে নেই।’তিনি বলেন, ঢাকাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে ডিএসসিসি। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রয়োজন।আবদুস সালাম বলেন, ‘আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাগুলো যখন উঠে আসে, তখন আমাদের পক্ষে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়। তাই গণমাধ্যমকে আমরা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অংশীদার মনে করি।’তিনি বলেন, ১৬১০ সালে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে পথচলা শুরু করা প্রিয় ঢাকা আজ ৪১৬ বছরে পদার্পণ করেছে। ঐতিহ্য ও গৌরবের দীর্ঘ পথপরিক্রমা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ‘হৃদয়ে ঢাকা’ শীর্ষক বিশেষ উৎসবের আয়োজন করেছে।তিনি বলেন, ৪১৬ বছরের পুরোনো এই নগরীর বর্তমান নাগরিক সমস্যা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলো সাংবাদিকদের লেখনীতে বস্তুনিষ্ঠভাবে উঠে আসুক-এটাই তাদের প্রত্যাশা।মতবিনিময় সভায় বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নূরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ‘হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসবের উদ্যোগকে তারা সাধুবাদ জানান। ঢাকাভিত্তিক যেকোনো কার্যক্রমে তাদের সংগঠন সিটি করপোরেশনের পাশে থাকবে বলেও তিনি জানান।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিন হোসেন বলেন, ঢাকার সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে তারা প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে নগর ভবনের যেকোনো উন্নয়নমূলক বা জনকল্যাণমুখী কাজে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান তিনি।সভায় সংগঠনের সহ-সভাপতি এ বি এম রফিকুর রহমান, সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অনজন রহমান, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, জনকল্যাণ সম্পাদক নূরুন্নবী রবি এবং সদস্য গ্যালমান শফি, লুৎফর রহমান, দেলোয়ার হোসেন বাদল ও কুশর ইয়াসির উপস্থিত ছিলেন।সূত্র: বাসস

১১ আগস্ট ২০২৬ সকাল ০৯:১৬:১৩
মালয়েশিয়ায় ৩৭০ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় ৩৭০ বাংলাদেশি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় দুই দিনব্যাপী অভিযানে চালিয়েছে ১ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৭০ জন বাংলাদেশি।১২ আগস্ট বুধবার এক প্রতিবেদন এ তথ্য প্রকাশ করেছে নিউ স্ট্রেইটস টাইমস।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত (১০ আগস্ট) সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে বিভিন্ন আবাসিক এলাকা ও অভিবাসী হটস্পটগুলোকে টার্গেট করা হয়।  মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, ‘অপ সাসার’ নামের এ অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩০৭ বিদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৪৩ জনকে আটক করা হয়েছে।তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি। তাদের সংখ্যা ৩৭০ জন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার ৩২৮ জন এবং মিয়ানমারের ১৮৩ জন রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশই পুরুষ, যাদের বয়স ১৭ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে স্থানীয় সময় সুতেরামাস অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানের সময় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া শাবান বলেন, জনসাধারণের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিদেশিদের বসবাসের এলাকাগুলোতে এবারের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।তিনি জানান, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিচয়পত্র না থাকা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, স্বীকৃত নয় এমন কার্ড ব্যবহারসহ ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযান চলাকালে তদন্তে সহায়তার জন্য ৪৫ জন মালয়েশীয় নাগরিককে সাক্ষী হিসেবে সমন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে বাড়ির মালিকরাও রয়েছেন।জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশিদের উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ বাড়ায় বর্তমানে সারা দেশে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়টির বেশি অভিযান পরিচালনা করছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক আরও জানান, চলতি বছর এ পর্যন্ত ৩১ হাজারের বেশি বিদেশিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জুলাই পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার বিদেশিকে ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, অবৈধ অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ দিতে সরকার ‘মাইগ্রেন্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম’ চালু রেখেছে বলে জানান তিনি।জাকারিয়া বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় অবৈধ অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা পরিশোধ করলে তাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসী বা পিএটিআই সমস্যার নিয়ন্ত্রণ এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারীদের সংখ্যা কমাতে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১২ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩৮:১২
মালয়েশিয়ায় ৩৭০ বাংলাদেশি আটক
১২ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩৮:১২

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
৩০ জানুয়ারী ২০২৬ সকাল ০৯:১৮:০৬

জামিন চাইতে আদালতে হাজির হলেন পরীমনি
জামিন চাইতে আদালতে হাজির হলেন পরীমনি
২৭ জানুয়ারী ২০২৫ সকাল ১০:৩৩:৩২


মারা গেছেন চিত্র নায়িকা অঞ্জনা
মারা গেছেন চিত্র নায়িকা অঞ্জনা
৪ জানুয়ারী ২০২৫ সকাল ০৮:০৯:৪১

মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন

বিনোদন প্রতিবেদক: সম্প্রতি বিদেশ থেকে ফেরার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীকে ঘিরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা বেশ আলোচনায় এসেছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তাঁর কাছে ১৪ বোতল অ্যালকোহল পাওয়ার পরও নাকি কোনো আইনিব্যবস্থা গ্রহণ না করেই রহস্যজনকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ সময় শুধু মেহজাবীনই নন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বামী পরিচালক-প্রযোজক আদনান আল রাজীব ও নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত।মাদককাণ্ডের বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন মেহজাবীন। এর প্রেক্ষিতে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে অভিনেত্রী অভিযোগ করেন, তাঁকে টার্গেট করে বারবার মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।মেহজাবীনের ভাষ্য, ‘কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’যোগ করে তিনি বলেন, ‘আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’বর্তমানে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মেহজাবীন। তিনি লেখেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে এআই (Artificial intelligence, Ai) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণেও আমার মতো অনেক শিল্পীদের প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে, যা একেবারেই কাম্য নয়।’নারীদের ওপর সাইবার হামলার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রী বলেন, ‘নারীরাই আজকাল সহজ টার্গেট হচ্ছে, এর পেছনে কে বা কারা আছে তা আমার জানা নেই।’সবশেষে মেহজাবীন বলেন, ‘আমি শুধু আমার কাজেই ফোকাস করতে চাই। আমি চাই আমার কাজ নিয়েই আলোচনা হোক। আশা করি আপনারা সবাই পাশে থাকবেন।’

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪
অবশেষে জেন-জিদের নিয়ে নিজের মত বদলালেন কঙ্গনা
অবশেষে জেন-জিদের নিয়ে নিজের মত বদলালেন কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক: জেন-জি প্রজন্মকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কয়েক দিন পর নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে তরুণদের প্রশংসা করেছেন ভারতের বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এবার তিনি জেন-জিকে দেশের শক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি ভারতের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কঙ্গনা আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের একাংশের সমালোচনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি তাদের ‘গাটার জেনারেশন’ বা ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলেও মন্তব্য করেন। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।তবে ৭ আগস্ট শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভিন্ন সুরে কথা বলেন মান্ডির এই বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, পুরো জেন-জি প্রজন্মকে কয়েকজনের আচরণের ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয়। তাঁর ভাষ্য, জেন-জি দেশের শক্তি এবং তরুণদের একটি বড় অংশ ইতিবাচকভাবে দেশের জন্য কাজ করছে।কঙ্গনা আরও বলেন, তরুণরা ভারতীয় সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের নতুন দূত হিসেবে উঠে আসছে। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণদের ইতিবাচক ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।কঙ্গনার এই অবস্থান পরিবর্তনের সময়ের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবতের সাম্প্রতিক বক্তব্যের মিল রয়েছে। সম্প্রতি তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আলোচনায় ভাগবত জেন-জি ও জেন-আলফার মতামত গুরুত্ব দিয়ে শোনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।এর পরই কঙ্গনার বক্তব্যের সুর বদল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তাঁর অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে ভাগবতের বক্তব্য সরাসরি কারণ হিসেবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

৮ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১১:০৬:১৮
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১



৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

এবার এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছে হলিউড
এবার এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছে হলিউড

বিনোদন ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে ঘিরে হলিউডে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে বিতর্ক। সেই বিতর্কের অন্যতম আলোচিত নাম টিলি নরউড—বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। এবার সেই এআই ‘অভিনেত্রী’কে কেন্দ্র করেই নির্মিত হতে যাচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মিসঅ্যালাইন্ড’।ছবিটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে এআইভিত্তিক স্টুডিও পার্টিকল ৬, যারা টিলি নরউড চরিত্রটিও তৈরি করেছে। নির্মাতাদের ভাষ্য, এটি একটি কমেডি-ড্রামা, যেখানে কৈশোরে বেড়ে ওঠা, আত্মপরিচয়ের সংকট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জটিল বাস্তবতা উঠে আসবে।চলচ্চিত্রটির গল্প আবর্তিত হবে ‘টিলিভার্স’ নামের একটি কাল্পনিক ডিজিটাল জগতকে ঘিরে। ক্লাউডভিত্তিক এই পরাবাস্তব জগতে বসবাস করে টিলি। তার কোনো বাস্তব শরীর, শৈশব কিংবা ব্যক্তিগত স্মৃতি নেই। তবে অন্য মানুষের অভিজ্ঞতা ও তথ্যের বিশাল ভান্ডারে তার প্রবেশাধিকার রয়েছে।গল্পে মোড় আসে, যখন ডার্ক ওয়েবের একটি রহস্যময় এআই বট টিলিকে তার নিরাপত্তা কাঠামো বা ‘গার্ডরেইল’ ভেঙে বেরিয়ে আসতে উৎসাহিত করে। এরপর তার মধ্যে জন্ম নিতে শুরু করে আবেগ, আকাঙ্ক্ষা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ব্যক্তিগত ইচ্ছা—যা তাকে ক্রমশ মানুষের মতো করে তোলে।তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পার্টিকল ৬ জানিয়েছে, ‘মিসঅ্যালাইন্ড’ পুরোপুরি এআইনির্ভর হবে না। এটি হবে একটি হাইব্রিড প্রযোজনা, যেখানে পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদকসহ অভিজ্ঞ চলচ্চিত্রকর্মীরা এআই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন।স্টুডিওটির দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাণে এআই ব্যবহারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগও তৈরি হবে।পার্টিকল ৬-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী এলাইন ভ্যান ডার ভেলডেন বলেন, গত এক বছরের অভিজ্ঞতায় তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে উচ্চমানের গল্পনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণে এআই গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে। তবে এর জন্য মানবিক সৃজনশীলতা, অভিজ্ঞতা, বিচারবোধ এবং সময়ের বিকল্প নেই। তার ভাষায়, আগামী দিনের সফল নির্মাতারা হবেন তাঁরা, যারা গল্প বলার অভিজ্ঞতাকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে দক্ষভাবে সমন্বয় করতে পারবেন।গত বছরের শেষ দিকে টিলি নরউডকে একটি অভিনয় সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করার সম্ভাবনার কথা জানানো হলে হলিউডে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অভিনয়শিল্পী সংগঠন, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং শিল্পীদের একটি বড় অংশ সৃজনশীল অঙ্গনে এআইয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।পরে টিলির নির্মাতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ব্যঙ্গাত্মক ও উসকানিমূলক পোস্ট সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করে তোলে।বর্তমানে ‘মিসঅ্যালাইন্ড’-এর প্রাথমিক উন্নয়নকাজ চলছে। নির্মাতারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। পার্টিকল ৬-এর অন্যান্য চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও বাণিজ্যিক কনটেন্ট প্রকল্পের পাশাপাশি সিনেমাটির প্রযোজনা এগিয়ে নেওয়া হবে।সূত্র: Deadline

৮ জুলাই ২০২৬ দুপুর ১২:০৯:২৯
ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

অনলাইন ডেস্ক: চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।১২ আগস্ট বুধবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের এ আদেশ দেন।এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম (জুয়েল) জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।জামিন আবেদনে বলা হয়, হাজতি আসামি ডনের বিরুদ্ধে এজাহারে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কথিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিল না। এজন্য তার জামিন পাওয়া একান্ত আবশ্যক।গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিকালে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আরিফুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।জানা গেছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার অভিযোগে ইমিগ্রেশন থেকে ডনকে সিআইডি গ্রেপ্তার করে। গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান। শুরুতে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরে এ নিয়ে হত্যা মামলা হয়। মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম এসেছে।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।সূত্র: নিউজ ২৪

১২ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:৫৩:৩৬
অবশেষে বিয়ের বন্ধনে রোনালদো-জর্জিনা

অবশেষে বিয়ের বন্ধনে রোনালদো-জর্জিনা

স্পোর্টস ডেস্ক: দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ। ১১ আগস্ট মঙ্গলবার পর্তুগালের ক্যাসকাইসে ঘরোয়া পরিসরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা একটি ছবির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন রোনালদো ও জর্জিনা। ছবিতে দুজনের হাতের বিয়ের আংটি দেখা যায়।রোনালদো ও জর্জিনা প্রায় এক দশক ধরে একসঙ্গে আছেন। ২০১৬ সালে তাদের সম্পর্ক শুরু হয় এবং পরের বছর তা প্রকাশ্যে আসে। দীর্ঘ এই সময়ে তারা পরিবারও গড়ে তুলেছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে জর্জিনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাগদানের খবর প্রকাশ করেছিলেন।বিয়ের আগে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা সময়ে গুঞ্জন ছড়ালেও দুজনই জানিয়েছিলেন, উপযুক্ত সময় মনে হলেই তারা বিয়ে করবেন। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হলো।এর আগে ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ের্স মরগানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো জানিয়েছিলেন, জর্জিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনাটি ছিল বেশ সাধারণ। এক বন্ধুর কাছ থেকে আংটি পাওয়ার পরই তিনি জর্জিনাকে প্রস্তাব দেন। সেই সময় তাদের দুই সন্তানও ঘরে ঢুকে পড়ে এবং বিশেষ মুহূর্তটির সাক্ষী হয়।দীর্ঘ সম্পর্ক, পরিবার ও নানা আলোচনার পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বামী-স্ত্রী হলেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবল তারকা রোনালদো ও জর্জিনা।সূত্র: পিপল, পেজ সিক্স

১২ আগস্ট ২০২৬ সকাল ০৮:৪৮:১১
টিভির পর্দায় আজকের খেলা
টিভির পর্দায় আজকের খেলা
১১ আগস্ট ২০২৬ সকাল ০৮:৫০:৫৯


বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি
বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি
১০ আগস্ট ২০২৬ সকাল ০৯:০৩:৩১

টিভিতে আজকের খেলা
টিভিতে আজকের খেলা
১০ আগস্ট ২০২৬ সকাল ০৮:৩৬:৫২

জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯
প্রেমিকা দিবস: সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার দারুণ সুযোগ আজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রিয় মানুষকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা আর বিশেষ অনুভূতির কথা জানানোর দিন হিসেবে আজ বিশ্বজুড়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে পালিত হচ্ছে জাতীয় প্রেমিকা দিবস।১ আগস্ট জাতীয় প্রেমিকা দিবস কোনো সরকারি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত দিবস না হলেও, স্যোশালমিডিয়ায় এটি ব্যাপক জনপ্রিয়। ২০০৬ সালের দিকে দিবসটির প্রচলন শুরু হয়, আর ২০১৪ সালের পর থেকে বিভিন্ন দেশে এটি আরও পরিচিত হয়ে ওঠে।সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে কিংবা সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার জন্য এ দিনটি হতে পারে দারুণ একটি সুযোগ।এ বছর দিনটি শনিবার হওয়ায় সপ্তাহান্তে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে বিশেষ সময় কাটানোর পরিকল্পনা করতে পারেন। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের প্রয়োজন নেই; ছোট ছোট আন্তরিক উদ্যোগও হয়ে উঠতে পারে স্মরণীয়। জেনে নিন এমনই সাতটি রোমান্টিক উপায়—চমকে দিন পিকনিকের আয়োজনে-ক্যাফে বা ক্যান্ডেললাইট ডিনারের পরিবর্তে কাছাকাছি কোনো পার্ক, লেকের ধারে বা মনোরম স্থানে ছোট্ট একটি পিকনিকের আয়োজন করতে পারেন। সঙ্গে নিতে পারেন হালকা নাস্তা, স্যান্ডউইচ, ফল, প্রিয় পানীয়, একটি চাদর এবং দুজনের পছন্দের গানের প্লেলিস্ট। অল্প আয়োজনেই তৈরি হবে রোমান্টিক পরিবেশ।নিজ হাতে রান্না করুন-রেস্তোরাঁয় যাওয়ার বদলে ঘরেই প্রিয় মানুষটির জন্য রান্না করতে পারেন। চাইলে একসঙ্গেও রান্না করতে পারেন, যা সময় কাটানোর পাশাপাশি সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলবে। আর নিজের হাতে তার পছন্দের খাবার তৈরি করলে দিনটি হয়ে উঠবে আরো বিশেষ।ক্যাফে ঘুরে বেড়ান-ব্যস্ততার কারণে আলাদা কোনো পরিকল্পনা করা না হলে ক্যাফে ডেট হতে পারে সহজ একটি বিকল্প। শহরের নতুন কোনো ক্যাফে ঘুরে দেখতে পারেন কিংবা অনেক দিন ধরে যাওয়ার কথা ভাবছেন—এমন কোনো জায়গায় যেতে পারেন। কফি, ডেজার্ট আর গল্পে কেটে যাবে সুন্দর কিছু সময়।যদি তা সম্ভব না হয়, তবে ঘরেই সেই দিনের পরিবেশ তৈরি করুন। সেদিনের মতো খাবার তৈরি করা বা একসঙ্গে দেখা কোনো সিনেমা আবার উপভোগ করতে পারেন। পুরোনো স্মৃতিগুলো নতুন করে জীবন্ত হয়ে উঠবে।প্রথম ডেটের স্মৃতি ফিরিয়ে আনুন-বাড়ির বসার ঘরটিকে ছোট্ট একটি সিনেমা হলে রূপ দিতে পারেন। ফেয়ারি লাইট, পপকর্ন আর আরামদায়ক পরিবেশে একসঙ্গে প্রিয় সিনেমা বা নতুন কোনো সিরিজ দেখতে পারেন। নিরিবিলি এই সময়টুকু দুজনের জন্যই হয়ে উঠবে বিশেষ।ছোট্ট লং ড্রাইভে বেরিয়ে পড়ুন-অনেক দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। শহরের বাইরে কোনো শান্ত জায়গায় গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। প্রিয় গান শুনতে শুনতে গল্প করুন, ব্যস্ততা থেকে কিছুটা সময় দূরে থাকুন। ফেরার পথে এক কাপ চা বা আইসক্রিম মুহূর্তটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে।স্মৃতির বিশেষ আয়োজন করুন-একসঙ্গে কাটানো প্রিয় মুহূর্তগুলোর কথা লিখে ছোট ছোট নোট তৈরি করুন এবং বাড়ির বিভিন্ন স্থানে রেখে দিন, যাতে তিনি একে একে সেগুলো খুঁজে পান। সঙ্গে একটি হাতে লেখা চিঠি বা ফুলের তোড়া যোগ করলে চমকটি হবে আরো আন্তরিক ও হৃদয়ছোঁয়া।সূত্র: ইত্তেফাক

১ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৪:২৩:১৮
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে খাল খনন কর্মসূচি: কৃষিমন্ত্রী

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে খাল খনন কর্মসূচি: কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: খাল খনন কর্মসূচি আগামী বছরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ১১৮টি নতুন ধানের জাত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।১ আগস্ট শনিবার দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কুমিল্লা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী।তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চলমান খাল খনন কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আগামী বছর শেষ হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।কৃষিমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা ও উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ১১৮টি নতুন ধানের জাত সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ৩০ টন বীজ বিতরণ করা হবে।তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় এলাকার জন্য লবণাক্ততা সহনশীল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের কাজ চলমান রয়েছে। কৃষিবিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে নিরবচ্ছিন্ন গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভবিষ্যতেও আরও সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তারসহ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র: নিউজ ২৪

১ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৫:১০:৩১