• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ৮ই ফাল্গুন ১৪৩২ রাত ০৯:০৩:৫৭ (20-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:

হাতিয়ায় ওসিকে ধর্ষণ মামলা নেয়ার নির্দেশ ট্রাব্যুনালের

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনার পাঁচ দিন পর ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হাতিয়া থানার ওসিকে মামলা রুজুর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকেলে ৪০ বছর বয়সী ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে আদালতে আবেদন করেন।বাদীর আইনজীবী মো. নোমান সিদ্দিক জানান, অভিযোগ গ্রহণের পর বিকেলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-কে মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবেদনে অভিযুক্ত ছয়জন হলেন—হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আবদুর রহমান (৩২), আবদুল গফুরের ছেলে মো. মতিন (৩৫), হালিম ডুবাইর ছেলে হেলাল উদ্দিন কেরানী (৪০), আবুল কাশেমের ছেলে মো. রুবেল (৩০), ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তফা সর্দারের ছেলে এমরান হোসেন ওরফে কালা এমরান (৩৫) এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আজিমপুর গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে বেলাল মাঝি (৪৮)।মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শাপলা কলিতে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার পর অভিযুক্তরা অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে নিয়ে ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় হামলা চালায়। এ সময় বাদীর বসতঘরে ঢুকে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে মারধর করা হয়। পরে স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে গোসলখানায় নিয়ে প্রধান আসামি আবদুর রহমান তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে না জানানোর হুমকি দিয়ে তারা চলে যায় বলেও দাবি করা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ভোর ৫টার দিকে আবারও হামলা চালিয়ে বাদী ও তাঁর স্বামীকে মারধর করা হয় এবং বাদীর শ্লীলতাহানি করা হয়। এ সময় শাপলা কলির আরেক নারী কর্মীর ঘর দেখিয়ে দিতে চাপ দেওয়া হয় এবং সেখানে ভাঙচুর চালানো হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেলে ভুক্তভোগীকে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, বুধবার সন্ধ্যার পর ট্রাইব্যুনাল থেকে মামলা রুজুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখনো মামলার কপি হাতে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার কপি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলার ইতিহাস


দর্শনীয় স্থান