• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ১৬ই অগ্রহায়ণ ১৪৩২ সকাল ১০:২৬:৪৩ (30-Nov-2025)
  • - ৩৩° সে:

টঙ্গীতে হামীম গ্রুপের কারখানায় হঠাৎ অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক

৩০ নভেম্বর ২০২৫ সকাল ০৯:৪২:৫৭

সংবাদ ছবি

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার: গাজীপুরের টঙ্গীর মিল গেট এলাকায় হামীম গ্রুপের কারখানায় ২৯ নভেম্বর শনিবার দুপুরে লাঞ্চ বিরতির পর হঠাৎ করেই একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে অর্ধশতাধিক শ্রমিক অচেতন, মাথা ঘোরা, বমি ভাব ও মুখ দিয়ে লালা বের হওয়ার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

Ad

পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠে যে কয়েক মিনিটের মধ্যে কারখানার ভেতর বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এবং শ্রমিকরা একে অপরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য ছুটোছুটি শুরু করেন। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে দেখা দেয় তীব্র চাপ। পর্যাপ্ত সিট না থাকায় অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শহরের অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতালেও পাঠানো হয়।

Ad
Ad

হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. রোমানা আক্তার বলেন, দুপুরের পর হঠাৎ করেই অনেক শ্রমিককে অচেতন অথবা অর্ধচেতন অবস্থায় আনা হয়। কারো মুখ দিয়ে লালা বেরোচ্ছে, কেউ মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছে। আমরা পর্যাপ্ত চিকিৎসা দিচ্ছি। তবে এত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক একসঙ্গে অসুস্থ হওয়ার কারণ এখনও নির্ণয় করতে পারিনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শ্রমিকদের অনেকেই জানান, লাঞ্চ শেষে কয়েকজন প্রথমে মাথা ঘোরা অনুভব করেন। পরে তারা একে একে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। খুব দ্রুত সংখ্যাটি বাড়তে থাকলে পুরো কারখানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ ভয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে যান, কেউ দৌড়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, শিল্প পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং স্থানীয় কাউন্সিল প্রতিনিধিরা হাসপাতালে এবং কারখানা এলাকায় উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা ঘটনার তদন্ত করছি। শ্রমিকরা কীভাবে অসুস্থ হলো, এর পেছনে কোনো দুর্ঘটনা, খাদ্যদূষণ বা অন্য কোনো কারণ আছে কি না সবকিছুই আমরা খতিয়ে দেখছি। তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করার চেষ্টা করছি, পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনি আরও জানান, প্রশাসনের একাধিক সংস্থা ইতোমধ্যে পানি পরীক্ষা, কারখানার পরিবেশ পরীক্ষা এবং অসুস্থ শ্রমিকদের শারীরিক মূল্যায়ন শুরু করেছে। অসুস্থ শ্রমিকদের কেউ কেউ এখনো হাসপাতালে ভর্তি, আবার অনেককে চিকিৎসা শেষে বাসায় পাঠানো হয়েছে।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ












Follow Us