• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১০ই আষাঢ় ১৪৩১ বিকাল ০৫:২০:৫৭ (24-Jun-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১০ই আষাঢ় ১৪৩১ বিকাল ০৫:২০:৫৭ (24-Jun-2024)
  • - ৩৩° সে:

জেলার খবর

তিন সপ্তাহেও খোঁজ মিলেনি স্কুল ছাত্রীর, পরিবারের দাবি অপহরণ

৯ জুন ২০২৪ সকাল ১১:০২:২৮

তিন সপ্তাহেও খোঁজ মিলেনি স্কুল ছাত্রীর, পরিবারের দাবি অপহরণ

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়ায় তিন সপ্তাহেও নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর খোঁজ মিলেনি। পরিবারের দাবি, ওই স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণের অভিযোগে আদালতে মামলাও করেন ওই স্কুলছাত্রীর বাবা। অপহরণ নাকি অন্য কিছু তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দারাজার পাড়ার বাসিন্দা হোছনাবাদ লালানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এই ছাত্রীর খোঁজ না পেয়ে মা ফরিদা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

আদালতে দায়ের করা মামলার বিবরণ ও মামলার বাদী মো. নুরুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ মে ভোর রাতে নুরুল ইসলামের ঘর থেকে তার কন্যাকে অপহরণ করে একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বন্দারাজার পাড়ার মো. সফির পুত্র মো. সাইমন (২৩)। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পর সন্ধান না পেয়ে ২১ মে ওই মেয়ের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। মামলায় মো. সাইমনসহ ৭ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার বাদী নুরুল ইসলাম বলেন, “বখাটে সাইমন আমার মেয়েকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে প্রায় সময়ে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি সে আমাকে জানালে আমি তাকে এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলি। কিন্তু পরে একইভাবে উত্ত্যক্ত করতে থাকলে গত ২১ এপ্রিল এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও তার স্বজনদের জানানো হলে বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সাইমন তার অপরাধের কথা স্বীকার করে আমার কন্যাকে ‘উত্ত্যক্ত করবে না’ মর্মে স্ট্যাম্পে মুচলেকা দেয়।

তিনি আরও জানান, ‘এসব ঘটনার জের ধরে ১৫ মে সকালে মেয়েকে অপহরণ করা হয়। মেয়েকে ঘরে না পেয়ে আসামির মায়ের কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করি। কিন্তু তারা জানান আসামি সাইমন আগের দিন রাত ১টা থেকে বাড়িতে নেই বলে জানান। পরে বাদী রাঙ্গুনিয়া থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ দেন। কিন্তু থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো কাজ না হওয়ায় আদালতে মামলা করি। মামলটি পুলিশ ব্যুরো অব ইভেস্টিগেশন(পিবিআই)কে তদন্ত দেন আদালত।’

পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রেজাউল হাসান পাটোয়ারি বলেন, “অপহরণ নাকি অন্য কিছু তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত করছি। ক্লু পেলে তদন্তে এগোতে সহজ হবে। অপহরণ যদি হয়, চেষ্টা করছি যাতে ভিকটিম উদ্ধার হয়। জড়িতদেরও গ্রেফতার করা হবে।”

বক্তব্য নিতে মামলার অভিযুক্ত প্রধান আসামী মো. সাইমনের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।  

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ


আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান মারা গেছেন
২৪ জুন ২০২৪ বিকাল ০৪:৫২:০২




ফকিরহাটে চা দোকানদারের মরদেহ উদ্ধার
২৪ জুন ২০২৪ বিকাল ০৪:১২:১৭