• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ ভোর ০৫:১৭:২২ (19-May-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ ভোর ০৫:১৭:২২ (19-May-2024)
  • - ৩৩° সে:

জেলার খবর

পিতার মৃত্যুর পাঁচ মাস পর বিমাতাকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা করলেন ছেলে

১৫ মে ২০২৪ সকাল ১০:৪১:৩৫

পিতার মৃত্যুর পাঁচ মাস পর বিমাতাকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা করলেন ছেলে

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: মৃতদেহ উদ্ধারের ৫ মাস পর আদালতে বিমাতার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলেন ছেলে। বিমাতা মাধবী রানী সেনসহ ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিকেলে পুলিশ লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের কর্ণপুর সেনটারী গ্রাম থেকে পল্লী চিকিৎসক হরেন্দ্র নাথ সেনের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় গত ১৩ মে সোমবার লালমনিরহাট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেলাল হোসাইন মামলাটি রেকর্ড করে ৫ দিনের মধ্যে আইনী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশকে। ১৪ মে মঙ্গলবার রাতে আদালত থেকে মামলার কপি পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) রাশেদুল ইসলাম।

মামলার বাদী নিহতের সন্তান প্রশান্ত কুমার সেন বলেন, ”থানায় অভিযোগ দিয়েছিলাম।কিন্তু পুলিশ আমার অভিযোগ আমলে নেয়নি। থানায় আইনী সহযোগিতা না পাওয়ায় ৫ মাস পর আদালতে আশ্রয় নিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পিতাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সুকৌশলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের বিমাতা ষড়যন্ত্র করে বাবার কাছ থেকে বসতভিটাসহ প্রায় ৭ বিঘা জমি লিখে নিয়েছেন।’  

মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত পল্লী চিকিৎসক হরেন্দ্রের প্রথম স্ত্রী মারা যান ১৯৯৮ সালে। পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন মাধবী রানী সেনকে। ২০১২ সালে নিহতের প্রথম স্ত্রীর সন্তান প্রশান্ত ও প্রদীপকে বাড়ি থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়। এর পর বিমাতার কারণে দুই ভাই কোনদিনই বাড়িতে ফিরতে পারেননি। দ্বিতীয় স্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে ছিলেন হরেন্দ্র নাথ সেন। সতীনের ছেলেদের বঞ্চিত করে মাধবী রানী সেন তার স্বামীর কাছ থেকে সব জমি লিখে নেন। মাধবী রানীর পুত্র সন্তান নেই। দুই কন্যা সন্তানের বিয়ে দিয়েছেন। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে মাধবী রানী অন্য আসামিদের সহযোগিতা নিয়ে হরেন্দ্র নাথ সেনকে কৌশলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহটি ঘরের মেঝের উপর রেখেছিলেন। এসময় সকল আসামি বাড়ির ভেতর ছিলেন। বাড়ির প্রধান দরজা বন্ধ রাখায় গ্রামের লোকজন বাড়ির ভেতর প্রবেশ করতে পারেননি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাশেদুল ইসলাম ১৪ মে মঙ্গলবার রাতে বলেন, ‘গেল বছর ১৩ ডিসেম্বর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ভিসেরা রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি। এ কারণে এ ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়নি। আদালতের নির্দেশে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।’

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ