• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ১৬ই কার্তিক ১৪৩৩ ভোর ০৪:৩৫:২৫ (01-Nov-2026)
  • - ৩৩° সে:

শার্শার মাঠে মাঠে ঝুলছে সবুজ রঙের ঝিঙে-পটল

২০ মে ২০২৩ সকাল ০৯:৩৬:৫৪

শার্শার মাঠে মাঠে ঝুলছে সবুজ রঙের ঝিঙে-পটল

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ কাঠশেকরা গ্রামের মাঠে সবুজ পাতার ফাঁকে মাচায় ঝুলছে ঝিঙে-পটল। মালচিং পদ্ধতিতে হাইব্রিড শসা, ঝিঙে ও পটল চাষে কম খরচে ফলন বেশি পাওয়া যায়। তাই মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়েছেন মমিনুর রহমান (৬৫) মানে এক কৃষক। সে শার্শা উপজেলার নাভারণ কাঠশেকরা গ্রামের মৃত সামছের রহমানের ছেলে।

জানা যায়, মনিনুর রহমান (৬৫) একজন আদর্শ সবজি চাষী। কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রতি বছর সে বিভিন্ন রকমের সবজীর চাষ করে থাকে। বাজারে সবজির চাহিদা এবং দাম বেশি থাকে। সবজীর ফলন বেশি হওয়ার কারণে সে সবজী চাষ করে আসছে।

সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, তার বাড়ির পাশে মাঠে দু' বিঘা ৬৬ শতাংশ  জমিতে মালচিং পদ্ধিতে  উচ্ছে, শসা, বেগুন, পটল, ঝিঙে চাষ করেছে। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে বড় বড় লাম্বা ঝিঙে মৃদু বাতাসে মাচায় দুলছে।

আরও পড়ুন

পাহাড়ের শিক্ষায় এত কর্মসূচি, তবু এইচএসসির ফলাফল ৩২ শতাংশের নিচে

দু'বিঘা জমিতে মালচিং এ চাষে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে সে লাখ টাকার বেশি শসা-পটল বিক্রি করেছেন বলে এ পতিবেদককে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঝিঙে ও পটল এখনো একলাখ টাকা বিক্রি হবে। বর্তমান তার এখানে প্রায় ৫-৭ জন বেকার মানুষের কর্মস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

মমিনুর রহমান জানান, শার্শা কৃষি আফিস থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ইয়ার মালিক সিড কোম্পানির ময়না মতি জাতের শসার বীজ বগুড়া থেকে সংগ্রহ করে বপণ করেন।

মালচিং পদ্ধতিতে বেড তৈরি এবং রাসায়নিক ও জৈব সার একসাথে প্রয়োগ করে আবাদকৃত জমি পলিথিনের মালচিং সেড দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এতে অতি বৃষ্টিতেও মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয় না। এ পদ্ধতিতে কৃষকের উৎপাদন খরচ কম হয়।

আরও পড়ুন

জামালপুরে ৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য, মেলান্দহে টানা দুই বছর সবাই ফেল

শসা ও ঝিঙে রোপণের ২৫ দিনের মধ্যে ফুল আসে, ৪৫ দিনের মধ্যে বড় হয়ে যায় এবং ৭০ পর্যন্ত ভালো ফলন পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, বারো মাসেই  শসা,পটল,ঝিঙের ব্যাপক চাহিদা থাকে এবং দাম ও ভালো পাওয়া যায়। চলতি মৌসুমে পাইকারী হিসেবে প্রায় ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ থেকে সহযোগিতা পেলে কৃষিতে আরও সাফল্য ঘটানো সম্ভব বলে মনে করেন এই কৃষক।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ মন্ডল জানান, চলতি মৌসুমে শার্শা উপজেলায় ১৬৫০ হেক্টর জমিতে সবজি উৎপাদন হয়েছে। ৫০ হেক্টর জমিতে শসা উৎপাদন হয়েছে। মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ আধুনিক চাষ পদ্ধতি। এই পদ্ধতি ব্যবহারে জমিতে সার ও সেচ অন্যান্য পদ্ধতির থেকে কম লাগে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় রোগবালাই ও অনেক কম। আগাছা দমন হওয়ার জন্য এই পদ্ধতি সবচেয়ে ভালো কাজ হয়।
 

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ










ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন: গত ২ দিনে ডিএমপির ৩৬৯১ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন: গত ২ দিনে ডিএমপির ৩৬৯১ মামলা
৩১ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৮:২৩