• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৯ই আষাঢ় ১৪৩১ রাত ০২:৩৫:০০ (24-Jun-2024)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৯ই আষাঢ় ১৪৩১ রাত ০২:৩৫:০০ (24-Jun-2024)
  • - ৩৩° সে:

জেলার খবর

কসবায় স্বামীকে অপহরণের প্রতিবাদে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

১৭ মে ২০২৩ দুপুর ১২:৫৮:৩০

কসবায় স্বামীকে অপহরণের প্রতিবাদে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

কসবা ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ইউপি নির্বাচনের বিরোধের জেরে প্রকাশ্য দিবালোকে ডিবি পরিচয়ে শরিফুল ইসলাম (৩০) নামক এক যুবককে অপহরণ করে তিন দিন পর বাড়ির পাশে মুর্মূষ অবস্থায় ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা। অপহরণের শিকার শরিফুল ইসলাম উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নেরন শ্যামবাড়ি গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে। অপহরণের নেতৃত্ব দানকারী অভিযুক্ত শওকত খান একই গ্র্রামের মৃত শারফুদ্দিন খানের ছেলে।

এ বিষয়ে শরিফুলের পরিবার ও গ্রামবাসী ১৬ মে মঙ্গলবার দুপুরে কসবা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত শওকত খান ও তার সহযোগিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এই ঘটনায় শরিফুলের পিতা জসিম উদ্দিন বাদি হয়ে কসবা থানায় শওকত গংদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শরিফুলের স্ত্রী রোজিনা বলেন, ২০২২ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শওকত খানের ভাই কামাল খানের প্রতিপক্ষের নির্বাচন করায় তাদের মধ্য বিরোধ চলে আসছিল। ৮ মে বিকেলে শরীফুল তার চাচার বাড়ি কসবায় আসার পথে শওকতের স্ত্রী লিজা আক্তার শরিফুলকে ফোন দিয়ে কসবা টি.আলী কলেজের গেইটের সামনে আসতে বলে। শরিফুল সেখানে আসলে কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই ওৎ পেতে থাকা অপরহরণকারীরা তাকে বেদড়ক মারধর করে। ওই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন তাকে মারার বিষয়টি জানতে চাইলে অপহরণকারীদের সাথে থাকা স্থানীয় সৈয়দ আলী নামক একজন জানান তারা ডিবির লোক। ডিবির পরিচয় শুনে উপস্থিত লোকজন সরে যায়।

রোজিনা আরও বলেন, শরিফুলকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে উঠিয়ে কুমিল্লায় শওকত খানের বাসায় নিয়ে যায় । সেখানে তাকে তিন দিন রেখে অমানষিক নির্যাতন করা হয়। বিষয়টি জানা জানি হলে তিনদিন পর শরিফুলকে তার নিজ গ্রাম উপজেলার শ্যামবাড়ির ভাংতি এলাকায় রাতের বেলায় হাত-পা বাধা অবস্থায় ফেলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে শরিফুল সেখানেই চিকিৎসাধীন ।

রোজিনা বলেন, শওকত খানের গংদের নির্যাতনে আতংকে রয়েছে গ্রামের মানুষ। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অভিযুক্ত শওকত খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি সরকারি চাকরি করি। আমি এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নেই।

কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, মূলগ্র্রাম ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মুন্সি হাবিবুর রহমান মাহফুজ, সাবেক ইউপি সদস্য শিশু মিয়া, শরিফুল ইসলামের দাদী রাবেয়া আক্তার ও মা নিলুফা আক্তার, গ্রামবাসী আব্দুল মন্নান, মোহাম্মদ ওবায়েদ উল্লাহ, জামাল ভূইয়া, রনি ভূইয়া প্রমুখ।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ