• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ২৫শে মাঘ ১৪৩২ সকাল ১১:৪০:৪৪ (07-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
ওয়াশিংটন-তেহরানের আলোচনা শেষ, ‘ভালো শুরু’ বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ওয়াশিংটন-তেহরানের আলোচনা শেষ, ‘ভালো শুরু’ বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা শেষ হওয়ার পর একে “ভালো সূচনা” হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, এই আলোচনা চালিয়ে নেয়া যেতে পারে এবং এতে একটি ঐকমত্যের ইঙ্গিতও রয়েছে।৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। আরাগচি বলেন, ‘আলোচনা কীভাবে এগোবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সংশ্লিষ্ট রাজধানীগুলোর সঙ্গে পরামর্শের পর। আলোচনার ধারাবাহিকতা নিয়ে মনে হচ্ছে একটি ঐকমত্য রয়েছে।’তিনি আরও জানান, কয়েক ঘণ্টার নিবিড় পরামর্শের পর একটি ইতিবাচক পরিবেশে এই পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়। প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে একাধিক পরোক্ষ বৈঠক ও দফায় দফায় পরামর্শ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ বদর আল বুসাইদি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং দুই পক্ষের বার্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি আদান–প্রদানে সহায়তা করেন।আরাগচি বলেন, ‘দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ইরানের অবস্থান ও উদ্বেগ স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ইরানি জনগণের স্বার্থ, তাদের অধিকার এবং যে সব বিষয় বলা প্রয়োজন ছিল, সবই অত্যন্ত ইতিবাচক পরিবেশে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে শোনা হয়েছে অপর পক্ষের বক্তব্যও।’পরবর্তী দফা আলোচনার সময় ও পদ্ধতি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে পরবর্তী পরামর্শের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের পর আট মাস ধরে যে গভীর অনাস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠাই এখন প্রথম চ্যালেঞ্জ বলে জানান তিনি। ইরানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই অনাস্থা দূর করতে পারলেই কেবল এমন একটি নতুন সংলাপের কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে।’আলোচনাগুলো কেবল পারমাণবিক ইস্যু ঘিরেই সীমাবদ্ধ বলে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আলোচনা শুধু পারমাণবিক বিষয়েই কেন্দ্রীভূত, অন্য কোনো বিষয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলছি না।’ পারমাণবিক আলোচনা অবশ্যই “শান্ত পরিবেশে, উত্তেজনা ও হুমকিমুক্ত অবস্থায়” হতে হবে বলেও পরিষ্কার করেন আরাগচি।প্রেস টিভির খবরে বলা হয়, ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন আব্বাস আরাগচি। তার সঙ্গে ছিলেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি, কাজেম ঘরিবাদি, হামিদ কানবারি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেয়ি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। তার সঙ্গে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার।