• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৯ই কার্তিক ১৪৩৩ রাত ০১:৩০:১২ (25-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

হরমুজ নির্ভরতা কমাতে ইরাক-সিরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চুক্তি

১৯ জুলাই ২০২৬ দুপুর ১২:০৮:০৫

হরমুজ নির্ভরতা কমাতে ইরাক-সিরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভূমধ্যসাগর উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত ঐতিহাসিক কিরকুক-বানিয়াস তেল পাইপলাইন পুনর্নির্মাণে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইরাক ও সিরিয়া। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর বৃহত্তর জ্বালানি কৌশলের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরাক বিজনেস কাউন্সিলের বৈঠকে শুক্রবার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

ইরাকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাসরা অয়েল কোম্পানির প্রধান বাসেম আবদুল করিম নাসর। অন্যদিকে সিরিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ কাবলাওয়ি। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের জন্য ‘বড় চমক’ অপেক্ষা করছে: নেতানিয়াহু

চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে কিরকুক-বানিয়াস পাইপলাইনকে ‘দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন অগ্রাধিকারভিত্তিক অবকাঠামো প্রকল্প’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের কারিগরি ও আর্থিক বাস্তবায়নে মার্কিন নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইরাক ও সিরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রুটে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর কৌশলের অংশ হিসেবেও এ উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে।

পাইপলাইন পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়াম। এতে মার্কিন জ্বালানি প্রতিষ্ঠান শেভরন, লস অ্যাঞ্জেলসভিত্তিক টিআই ক্যাপিটাল এবং সিরীয় ব্যবসায়ী আল-খাইয়াত পরিবারের প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন

দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপাইনের ৪ পাইলট নিহত

গত সপ্তাহে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ঘোষিত একাধিক অর্থনৈতিক প্রকল্পের অন্যতম ছিল এই পাইপলাইন পুনর্নির্মাণ উদ্যোগ। সফরকালে তিনি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন।

১৯৫২ সালে নির্মিত কিরকুক-বানিয়াস পাইপলাইনটি প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম ছিল। তবে ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় এটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০০৩ সালে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর পাইপলাইনটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অচল হয়ে পড়ে।

বর্তমানে পাইপলাইনটি পুনরায় চালু করতে নতুন সংরক্ষণ ট্যাংক, পাম্পিং স্টেশন, বিদ্যুৎব্যবস্থা এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজন হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন

ক্যান্সার ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় বড় সাফল্য

সূত্র: ব্লুমবার্গ, রয়টার্স

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ