• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১০ই আশ্বিন ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:১৫:২৭ (25-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:
স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ, ১২ ঘণ্টা পর দুর্গম পাহাড় থেকে উদ্ধার কিশোর

স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ, ১২ ঘণ্টা পর দুর্গম পাহাড় থেকে উদ্ধার কিশোর

ডেস্ক রিপোর্ট: স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের কিশোর রাতুল দেবনাথকে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ‘১২ মাইল’ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে চাঁদপুর জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।উদ্ধার হওয়া রাতুল দেবনাথ মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ছেংগারচর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেবনাথের ছেলে।পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় রাতুল। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন। তবে কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ সময় তার ব্যবহৃত মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।এর মধ্যে ওই দিন সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে রাতুলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় ‘মিস ইউ মা’ লেখা একটি বার্তা দেখতে পান স্বজনরা। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। পরে রাতুলের বাবা বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেবনাথ মতলব উত্তর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।জিডির পর রাতুলকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব ও মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসানের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। অভিযানে এসআই জীবন চৌধুরী, এএসআই রবিউল হোসেনসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।তদন্তকারী দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাতুলের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে বান্দরবানে তার অবস্থান শনাক্ত করে। পরে বান্দরবান সদর থানার আওতাধীন দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ‘১২ মাইল’-এ অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে রাতুলকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।চাঁদপুর থেকে কয়েক শ কিলোমিটার দূরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় রাতুল কীভাবে পৌঁছাল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার সেখানে যাওয়ার পেছনে কোনো ব্যক্তি বা চক্রের প্ররোচনা ছিল কি না, নাকি সে নিজেই সেখানে গিয়েছিল—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের যেকোনো বিপদে দ্রুত সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।সূত্র: চ্যানেল২৪