আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী করার হুমকির পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সামান্য বেড়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
১৪ আগস্ট শুক্রবার ব্রেন্ট ফিউচারের দাম ৯ সেন্ট বা ০.১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ সেন্ট বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ২৯ ডলারে উঠেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বৈশ্বিক জ্বালানির চাহিদা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—উভয় ধরনের তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি কমে যায়। এর মধ্য দিয়ে কয়েক দিনের টানা মূল্যবৃদ্ধির ধারায় ছেদ পড়ে। তবে চলতি সপ্তাহে উভয় বেঞ্চমার্কের দাম এখনো প্রায় ৪ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আরও ঘোষণা আসতে পারে।
বেসেন্টের দাবি, ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যা আগে কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, অবরোধের ফলে ইরানের বন্দরগুলোতে কোনো পণ্য বা জাহাজ প্রবেশ কিংবা সেখান থেকে বের হতে পারবে না।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে এই পথে দীর্ঘস্থায়ী অবরোধের আশঙ্কা দেখা দিলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের পরিধি এবং হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক তেল বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available