• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২রা আষাঢ় ১৪৩৩ সকাল ০৯:১২:৫৮ (16-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

ডেস্ক রিপোর্ট: বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ৯ বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে ভোলার পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।২ জুন মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তার স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির সামনে তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।জানাজা শেষে তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে বাবা আজাহার আলী, মা ফাতেমা খানম এবং স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।তোফায়েল আহমেদের জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভোলা সদর উপজেলায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।জানাজায় তোফায়েল আহমেদের স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চান স্বজনরা।এর আগে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার ঢাকা থেকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে অবতরণ করে। সেখান থেকে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং জানাজার আগে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। পরে মরদেহ কোড়ালিয়া গ্রামে নেওয়া হয়।এর আগে সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তোফায়েল আহমেদ মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পক্ষাঘাতসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তিনি সিসিইউ ও পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।জানাজায় অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজনীতির বাইরে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন একজন জনবান্ধব মানুষ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। ভোলার উন্নয়নে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।