• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১৬ই ভাদ্র ১৪৩৩ সকাল ০৮:৫৩:১০ (31-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:

শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ

৩১ আগস্ট ২০২৬ সকাল ০৮:১৭:৩৩

শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ
“ফাইল ছবি”

ডেস্ক রিপোর্ট: মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় আজ ৩১ আগস্ট সোমবার ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট এ মামলায় হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে ৩১ আগস্ট ধার্য করা হয়। তার আগে ২৪ আগস্ট এ বিষয়ে শুনানি শেষ হয়।

আদালতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক শুনানি করেন।

মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় গত বছরের ৫ মার্চ রাতে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। অভিযোগ অনুযায়ী, তার বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পাশাপাশি হত্যার চেষ্টা করেন।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ৭ মে তা শেষ হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

মাত্র ১৩ কার্যদিবসে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ১৩ মে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণের দায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন—শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীবের ছোট ভাই (১৭) ও সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।
বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে আইন অনুযায়ী তা অনুমোদনের জন্য মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সেই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ মে এ মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

পরে নথি যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর মামলাটি শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় ওঠে।

এখন হাইকোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে মামলার বাদী ও আসামিপক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ









তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার
তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার
৩০ আগস্ট ২০২৬ রাত ০৯:৩৩:০৪