• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ৯ই শ্রাবণ ১৪৩৩ সকাল ১১:১৯:৫৬ (24-Jul-2026)
  • - ৩৩° সে:

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র

২৪ জুলাই ২০২৬ সকাল ০৯:৫৬:২৬

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
“প্রতীকি ছবি”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের বিভিন্ন পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত আজ ২৪ জুলাই শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এক নোটিশে জানানো হয়, নতুন এ শুল্কহার ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া প্রায় ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

তবে তেল ও গ্যাস, সার, কিছু খাদ্যপণ্য, মোটরযান, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামাসহ কয়েকটি পণ্য নতুন শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

প্রশাসন জানিয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারা অনুযায়ী এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বাতিল করলে সরকার ১৫০ দিনের জন্য অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক চালু করেছিল। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন কাঠামো কার্যকর হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করে কঠোরভাবে তা বাস্তবায়ন করছে। এখন বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোরও একই মানদণ্ড অনুসরণ করা উচিত।

চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, কানাডা, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো ও শ্রীলঙ্কাসহ ১৭টি দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও সুইজারল্যান্ডের ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মোট শুল্কহার হবে ১০ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।

এ ছাড়া চীনসহ আরও ৩৮টি দেশের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য শুধু রাজস্ব বাড়ানো নয়; বরং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে জোরপূর্বক শ্রমের ব্যবহার কমানো এবং ন্যায্য বাণিজ্য নিশ্চিত করা। যেসব দেশ কার্যকর শ্রম অধিকার বাস্তবায়ন করেছে, তারা তুলনামূলক কম শুল্কের সুবিধা পেয়েছে।

এদিকে জনশুনানির পর যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন সম্ভব নয়—এমন কিছু পণ্যকে শুল্কমুক্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পিগ আয়রন, কিছু চিনিজাত পণ্য, প্রাণিজ ও বীজজাত পণ্য এবং নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিক দ্রব্য।

সূত্র: রয়টার্স 

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ











Follow Us