• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ দুপুর ০১:২৮:৪৫ (28-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স

১ জুলাই ২০২৬ সকাল ০৭:৩০:১২

এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স

স্পোর্টস ডেস্ক: নকআউট পর্বের শুরুতেই নিজেদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে আরও জোরালোভাবে জানান দিল ফ্রান্স। আক্রমণাত্মক ফুটবলের দাপটে সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অনায়াসেই বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল দিদিয়ের দেশমের দল।

ফরাসিদের জয়ের নায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। জোড়া গোল করে দলকে বড় জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড গড়েছেন ফরাসি অধিনায়ক। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায়ও তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে (মেটলাইফ স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল, আক্রমণের গতি ও সুযোগ সৃষ্টিতে সুইডেনের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে ফ্রান্স। প্রথমার্ধে সুইডেন যেখানে মাত্র তিনটি শট নিতে সক্ষম হয়, সেখানে ফরাসিরা নেয় ১৫টি শট।

আরও পড়ুন

পেনাল্টি শুটআউটে আর্সেনালকে বিদায় করে রূপকথা লিখল ফ্লিটউড!

ম্যাচটির শুরুতে ছিল আবেগঘন এক মুহূর্তও। মায়ের মৃত্যুর কারণে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ডাগআউটে থাকতে পারেননি কোচ দিদিয়ের দেশম। এই ম্যাচে তার প্রত্যাবর্তনের দিনেই প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫ মিনিট) উসমান দেম্বেলের সঙ্গে দারুণ এক ‘গিভ অ্যান্ড গো’ থেকে সুইডিশ রক্ষণভাগ ভেঙে গোল করেন এমবাপ্পে। গোল উদ্‌যাপনের বদলে তিনি ছুটে গিয়ে শোকাহত কোচ দেশমকে জড়িয়ে ধরেন।

বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ফ্রান্স। ৫৩তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে সহজ ফিনিশে ব্যবধান ২-০ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা।

এরপর ৭৪তম মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন এমবাপ্পে। ওলিসের রক্ষণচেরা পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। ম্যাচে তিনটি গোলেই অ্যাসিস্ট করেন ওলিসে।

আরও পড়ুন

গম্ভীরের ‘চকলেট’ পেয়ে কিউই বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালালেন সূর্যবংশী!

এই জোড়া গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে এমবাপ্পের মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৮। পাশাপাশি নকআউট পর্বে তার গোলসংখ্যা বেড়ে হয় ১০, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ। তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও ও লিওনিদাসকে, যাদের প্রত্যেকের নকআউটে গোল ছিল ৮টি। এছাড়া বিশ্বকাপে ২৯ ম্যাচে ১৯ গোল করা লিওনেল মেসির রেকর্ড স্পর্শ করতে এখন এমবাপ্পের প্রয়োজন মাত্র একটি গোল।

প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও উচ্চ আর্দ্রতার মধ্যেও আলেকজান্ডার ইসাক, ভিক্টর ইয়োকেরেস ও অ্যান্থনি এলাঙ্গাকে নিয়ে গড়া সুইডেনের আক্রমণভাগ ফরাসি রক্ষণকে তেমন কোনো চ্যালেঞ্জই জানাতে পারেনি। বরং গোলরক্ষক জ্যাকব উইডেল জেটারস্ট্রম কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ না করলে সুইডেনকে আরও বড় ব্যবধানে হারতে হতো।

গ্রুপ পর্বে শতভাগ সাফল্যের পর নকআউটেও দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল ফ্রান্স। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শেষ ষোলোর পরবর্তী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ