সমর্থকদের ভোটে ফিফার বিশ্বকাপ ‘সেরা একাদশে’ স্থান পেলেন যারা
স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার তিন দিন পর সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল ‘ফ্যানস’ টিম অব দ্য টুর্নামেন্ট’ বা সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।২২ জুলাই বুধবার প্রকাশিত ৪-৩-৩ ফরমেশনের এই একাদশে সর্বোচ্চ তিনজন করে ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও সেমিফাইনালিস্ট ফ্রান্স থেকে। রানার্সআপ আর্জেন্টিনা থেকে আছেন দুইজন। এছাড়া ইংল্যান্ড, নরওয়ে ও বিশ্বকাপে চমক দেখানো কেপ ভার্দে থেকে একজন করে ফুটবলার স্থান পেয়েছেন।তবে এই একাদশে সবচেয়ে বড় চমক হলো—পুরো টুর্নামেন্টে আলো ছড়ানো স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল জায়গা পাননি। একইভাবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল থেকেও কোনো ফুটবলার সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত হননি।গোলরক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া। বিশ্বকাপে অভিষেকেই দলকে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই গোলরক্ষক সর্বোচ্চ ৩৯ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।রক্ষণভাগে রয়েছেন স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পোরো, আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং ফ্রান্সের দায়ো উপামেকানো। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের রক্ষণকে নেতৃত্ব দিয়ে কুকুরেয়া দুটি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি সাতটি ক্লিন শিটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।মিডফিল্ডে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের অধিনায়ক ও টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় রদ্রি, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে এবং ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম। বিশ্বকাপে ওলিসে সাতটি অ্যাসিস্ট করেন, আর বেলিংহ্যাম করেন সাত গোল।আক্রমণভাগে রাখা হয়েছে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং আর্লিং হালান্ডকে। টুর্নামেন্টে ১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জেতার পাশাপাশি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার (২২ গোল) রেকর্ড গড়া এমবাপ্পে ভোটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সমর্থন পান। ৩৯ বছর বয়সেও ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন মেসি। আর নরওয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও ৭ গোল করে একাদশে জায়গা করে নেন হালান্ড।ফিফার সমর্থকদের ভোটে বিশ্বকাপের সেরা একাদশগোলরক্ষক: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)মাঝমাঠ: রদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড)আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)সূত্র: ফিফা, ইএসপিএন