অনলাইন ডেস্ক: জামালপুরের সারিষাবাড়ীতে যমুনা সার কারখানা দীর্ঘদিন পর চালু হওয়ার দুই দিনের মাথায় আবারও বন্ধ হয়েছে সার উৎপাদন।
৭ অক্টোবর বুধবার বিকালে কারখানার বয়লারে ত্রুটি দেখা দিলে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন যমুনা সার কারখানার উৎপাদনের বিভাগীর প্রধান মো. ফজলুল হক।
উৎপাদনের বিভাগীর প্রধান মোঃ ফজলুল হক জানান, দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটের কারণে কারখানা বন্ধ থাকার পর পুনরায় গ্যায় পেয়ে গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। গতকাল বুধাবার বিকেলে বয়লারের ত্রটি দেখা দিয়ে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার জন্য বয়লারে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। কারখানার অন্যান্য যন্ত্রাংশ সচল রয়েছে। তবে আগামীকালের মধ্যে বয়লারের সমস্যার সমধান হলে কারখানা আবারো উৎপাদনে ফিরতে পারবে। পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে না পারলেও গত দুইদিন মোট এক হাজার ৬শ মেট্রিক টন সার উৎপাদন করা হয়েছে।
গ্যাস না থাকা ও বিভিন্ন যান্ত্রিক জটিলাতার কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ মাস বন্ধ থাকে যমুনা সার কারখানা। চলতি বছরের ১২ ই ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংকটের ফলে কারখানাটির আবারো উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পুনরায় গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে গ্যাস সংযোগ পায় যমুনা সার কারখানা।
যমুনা সার কারখানা দৈনিক ১৭শ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বেশ কয়েক বছর ধরে গ্যাসের চাপস্বল্পতা এবং বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমানে দৈনিক ১২শ থেকে ১৪শ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
যমুনা সার কারখানা বিসিআইসির তালিকাভুক্ত এক হাজার ৯শ ডিলারের মাধ্যমে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে আসছে। স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ ও কারখানাটি সচল থাকলে প্রতিমাসে প্রায় দুইশ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়।
এতে কারখানাটির লাভ থাকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে কারখানা বন্ধ থাকালে অন্যান্য খরচ ছাড়া শুধু প্লান্ট সচল রাখতে গ্যাস বিল দিতে হয় প্রায় ৬কোটি টাকা।
সূত্র: নিউজ ২৪
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available