• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:২২:৪৪ (02-Nov-2026)
  • - ৩৩° সে:

গ্রামীণ উন্নয়ন মাল্টিপারপাস কো-অপারটিভ সোসাইটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

৩১ আগস্ট ২০২৪ সকাল ১১:০৪:৪১

গ্রামীণ উন্নয়ন মাল্টিপারপাস কো-অপারটিভ সোসাইটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের শিবালয়ে গ্রামীণ উন্নয়ন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের নামে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

৩০ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে চার শতাধিক গ্রাহক ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানববন্ধন থেকে এসব তথ্য জানান। দ্রুত টাকা ফেরত না দিলে সমিতির কর্মকর্তাদের বাড়িঘর ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের টেপড়া বাসস্ট্যান্ডে গ্রামীণ উন্নয়ন মাল্টিপারপাস কো-আপারটিভ থেকে প্রতারিত হওয়া সদস্যরা ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে আরও বলেন, এলাকার দরিদ্র দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষকে দ্বিগুণ লাভের আশা দিয়ে তিন বছর থেকে সাত বছর মেয়াদি সঞ্চয় নিয়েছে ওই সমিতি। ২০১১ সালে ১৪ মার্চ থেকে গ্রামীণ উন্নয়ন মাল্টিপারপাস কো-অপারটিভ সমবায় সমিতি প্রতিষ্ঠা করে প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ৬ শতাধিক সদস্যের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে তারা। বেশির ভাগ সদস্যের সঞ্চয়ের তিন বছর ও সাত বছরের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে ২০২১-২০২২ সালে। কিন্তু গ্রামীণ উন্নয়ন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের কর্মকর্তারা সদস্যদের টাকা ফেরত না দিয়ে ঘোরাচ্ছেন।

আরও পড়ুন

খুলনায় নদীর চর থেকে দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

উপজেলার গোবিন্দবাড়ি গ্রামের আসমা বেগম জানান, ৪ লাখ টাকা রেখেছিলেন ছয় বছর মেয়াদে। ২০২২ সালে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও টাকা পাননি।

ভাকলা গ্রামের ছকিনা বেগম ২০১৭ সালে ২ লাখ টাকা রাখেন তিন বছর মেয়াদে। ২০২০ সালে মেয়াদ শেষ হয়েছে। একই গ্রামের সাজেদা বেগম তিন বছর মেয়াদে ২০২০ সালে ৮ লাখ টাকা রাখেন। ২০২২ সালে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাদের মতো শত শত মানুষ টাকা রেখে মেয়াদ শেষে এখন ফেরত পাচ্ছেন না।

ভুক্তভোগী সদস্য নেপাল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, রঞ্জু শেখ, টুম্পা আক্তার, শকিনা বেগম, মিলন স্বর্ণকার, নিলুফা আক্তার, সাজেদা বেগম, ময়না বেগম প্রমুখ।

আরও পড়ুন

কুমিল্লায় অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালিয়ে ৬৭২ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আটক ২

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বলেন, ওই সমিতি এলাকার ৬ শতাধিক দরিদ্র মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে সঞ্চয় নিয়েছে। এখন ফেরত দিচ্ছে না। তারা প্রায় ৭-৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেন বলেন, প্রতারণার অভিযোগ শুনেছেন। আইনগত ব্যবস্থা নিতে সদস্যদের আদালতে মামলা করতে বলেছেন বলে জানান তিনি।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ