• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২৭শে চৈত্র ১৪৩২ সকাল ০৭:৪৮:৩৫ (10-Apr-2026)
  • - ৩৩° সে:
রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, হয়রানি বন্ধ এবং মুক্তির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।৮ এপ্রিল বুধবার নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া প্রেসক্লাব ভবনের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে মানববন্ধনে দাঁড়ান।কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের একজন সুপরিচিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সেলিম প্রধান দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও অবিচারের শিকার হচ্ছেন।বক্তারা বলেন, সেলিম প্রধান শৈশব থেকেই জাপানে বেড়ে ওঠা একজন প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশে ফিরে তিনি ব্যবসার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত করেন। অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ ছাড়াই তাকে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময় কারাভোগ করতে হয়েছে এবং একাধিকবার রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে এবং ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে। এমনকি বর্তমানে নতুন করে তাকে বিভিন্ন মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন ব্যক্তি যিনি সমাজের জন্য কাজ করেছেন এবং নির্যাতনের মুখেও মিথ্যা স্বীকারোক্তি দেননি, তাকে ঘিরে এ ধরনের আচরণ ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। এতে তার সামাজিক ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।কর্মসূচিতে বক্তারা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার, অভিযোগসমূহের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানি বন্ধ, তার সামাজিক ও ব্যবসায়িক মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়বিচারের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করা হলে একজন ভুক্তভোগী নাগরিক ন্যায়বিচার পাবেন এবং আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।