• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ৮ই মাঘ ১৪৩২ বিকাল ০৫:৫০:৩৭ (21-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতেই দফাদারের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতেই দফাদারের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নে সরকারি দায়িত্বে নিয়োজিত এক গ্রাম পুলিশের (দফাদার) বিরুদ্ধে চা কারখানার জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ দফাদার সেকেন্দার আলী।পঞ্চবর্ণ টি কোম্পানির পরিচালক নবির উদ্দিন ও স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৭ জানুয়ারি বুধবার পঞ্চবর্ণ চা কোম্পানির জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে একটি শালিস বৈঠকের আয়োজন করেন। ওই বৈঠকে দফাদার সেকেন্দার আলী ছাড়াও তিনজন ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।শালিস বৈঠকে চেয়ারম্যান দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করেন এবং বৈঠক শেষে ঘোষণা দেন, আপাতত কয়েক দিনের জন্য ওই জমিতে পঞ্চবর্ণ চা কোম্পানির কর্তৃপক্ষ ও সেকেন্দার আলীর পরিবার কেউই প্রবেশ করতে পারবে না। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে বিষয়টির স্থায়ী সমাধান করা হবে বলেও তিনি জানান।তবে অভিযোগ রয়েছে, চেয়ারম্যানের ঘোষণার পরপরই দফাদার সেকেন্দার আলী সরকারি পোশাক পরিহিত অবস্থায় পরিবারের সদস্যসহ ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে চা কারখানায় হামলা চালান। এ সময় তাদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ছিল। তারা কারখানা কর্তৃপক্ষকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে সরিয়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন এবং কারখানার প্রায় ১০ শতক জমিতে টিনের বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখল নেন।এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দফাদার সেকেন্দার আলী সরকারি পোশাকে টিনের বেড়া দিয়ে জমিটি নিজের দাবি করে দখলে নেন। বর্তমানে ওই জমি তার ও তার পরিবারের দখলে রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত দফাদারের বক্তব্য জানতে সাংবাদিকরা ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে সাংবাদিকদের এড়িয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পরিষদ ত্যাগ করেন।এ বিষয়ে ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।সরকারি দায়িত্বে থেকে এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড জনস্বার্থ ও আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞা বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।