আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সংগঠনটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা এবং একাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও উপজাতি সুরক্ষা আইনে মামলা করেছে পুলিশ। ১৪ অক্টোবর বুধবার রাতে মামলাটি করা হয়।
মামলায় অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, সিজেপির রত্না সিং এবং স্বাধীন সাংবাদিক রোজি ও গজেন্দ্র সিংয়ের নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশের এ পদক্ষেপের পর সিজেপির শীর্ষ নেতাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে বুধবার দুপুরে সিজেপির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায় দিল্লির একটি নিম্ন আদালত। ব্যারিকেড ভেঙে জন্তর মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করেছিল।
এ ঘটনায় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমালোচনা করেন। তার অভিযোগ, সরকার দেশে অলিখিত জরুরি অবস্থা জারি করেছে। তিনি বলেন, সরকারের উচিত লিখিত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা। এরপর দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার বুঝে নেবেন।
১৯৮৯ সালের তফসিলি জাতি ও উপজাতি সুরক্ষা আইনে নির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এ আইনের কিছু ধারায় জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে অভিযুক্তদের জামিন পেতে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হতে পারে।
সূত্র: দ্য ওয়াল
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available