• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ২৫শে ভাদ্র ১৪৩৩ সকাল ১১:০২:৫৬ (09-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:

কুয়েত-বাহরাইনের সকল তেলবাহী জাহাজের কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ

৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:১২:৩৫

কুয়েত-বাহরাইনের সকল তেলবাহী জাহাজের কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ
ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরে থাকা সকল তেলবাহী জাহাজে পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে তেহরান। এসব জাহাজের কর্মীদের অবিলম্বে জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির নৌবাহিনী এ সতর্কবার্তা দেয় বলে জানিয়েছে আনাদোলু। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানি তেলবাহী জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার জবাবেই এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরে নোঙর করা সব তেলবাহী ট্যাংকারের কর্মীদের দ্রুত জাহাজ ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে। এসব জাহাজকে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েত ও বাহরাইনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের আশ্রয় দেওয়া এবং ইরানি জাহাজে হামলায় সহযোগিতার অভিযোগ করেছে তেহরান।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, গত দুই দিনে ইরানের আইআরজিসি একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুবার হামলার চেষ্টা করে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, উভয় হামলা এড়িয়ে যায় যুদ্ধজাহাজটি এবং এতে কোনো মার্কিন সেনা বা কর্মী হতাহত হননি।

এরপর ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোর কথা জানায় সেন্টকম। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ওমান উপসাগর ও খার্গ দ্বীপের আশপাশে থাকা এসব জাহাজে হামলা চালিয়ে সেগুলো অচল করে দেওয়া হয়েছে। হামলার আগে জাহাজগুলোর কর্মীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর মধ্যে এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন-১, এম/টি রিয়েস্কো ও এম/টি দেরিয়ার নাম রয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমও খার্গ দ্বীপের কাছে হামলার কথা নিশ্চিত করেছে। তাদের দাবি, হামলার পর জাহাজের কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

এদিকে ইরানের হুমকির পর উপসাগরীয় অঞ্চলের জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল ইতোমধ্যে কমে গেছে। সোমবার মাত্র সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ এই কৌশলগত নৌপথ অতিক্রম করে, যা আগের দিনের আটটির চেয়েও কম।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই সর্বশেষ হুমকির ঘটনা ঘটল। জুনে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও পরবর্তী সময়ে এর বাস্তবায়ন নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ওঠে। সমঝোতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়াসহ বৃহত্তর শান্তি চুক্তির পথে অগ্রসর হওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও চাপ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৯৮ দশমিক ৬৩ ডলারে উঠেছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছে। এর আগে দিনের লেনদেনে দাম আরও ওপরে উঠেছিল।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ






হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটক করল ইরান
হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটক করল ইরান
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:০১:৫১