আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানির ৩৪টি শহরে শিক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু সুরক্ষার দাবিতে কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী বিক্ষোভ করেছেন। একই সঙ্গে সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ ব্যবস্থা পুনরায় চালুর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন তারা। খবর রয়টার্সের।
৩১ অক্টোবর শনিবার দেশটির বিভিন্ন শহরে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ বাড়ানো, জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার দাবি জানান।
বিক্ষোভের আগে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছিল, চরমপন্থি গোষ্ঠীগুলো আন্দোলনে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অনেক শহরেই বিক্ষোভের শুরুটা ছিল শান্তিপূর্ণ।
কোলন শহরে বিক্ষোভকারীদের মুখ ঢাকা থাকা এবং আতশবাজি ব্যবহারের কারণে পুলিশ পূর্বনির্ধারিত পদযাত্রাটি বাতিল করে দেয়। তবে রাইন নদীর তীরে সমাবেশ অব্যাহত থাকে।
স্টুটগার্টে অংশগ্রহণকারীদের মুখ ঢাকা, আতশবাজি ব্যবহার এবং নির্ধারিত পথ থেকে সরে যাওয়ার কারণে পুলিশ একাধিকবার পদযাত্রাটি থামিয়ে দেয়।
বিক্ষোভের আয়োজকেরা গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে সহিংসতার আতঙ্ক ছড়িয়ে আন্দোলনের মূল দাবিগুলো থেকে মানুষের মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
আন্দোলনের মুখপাত্র ভেরোনিকা ডিনটার জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়েচলান্ডফুংককে বলেছেন, “আমাদের মূল দাবিগুলো থেকে মনোযোগ সরানোর জন্য একটি ‘সহিংসতার বয়ান’ ব্যবহার করা হচ্ছে।”
ভেরোনিকা ডিনটার আরও বলেন, ‘জেন-জি রেগেল্ট’ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছে। আন্দোলনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত নীতিমালার সঙ্গে একমত এমন সবাইকে স্বাগত জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে, আন্দোলনের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলে জার্মানির জাতীয় স্কুল শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সংস্থা এ আন্দোলন থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করেছে। এ সিদ্ধান্তের বিষয়েও দুঃখ প্রকাশ করেন ডিনটার।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে বাস্তবে কতজন অংশ নিয়েছেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এটিভি/এসআইআর
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available