• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ১০ই কার্তিক ১৪৩৩ রাত ১১:১০:৪৪ (25-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

নেপালে ৪ হ্রদের পানি কমানোর উদ্যোগ, ঝুঁকিতে আরও ১৭টি

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:০২:০৬

নেপালে ৪ হ্রদের পানি কমানোর উদ্যোগ, ঝুঁকিতে আরও ১৭টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাহাড়ের খাঁজে তৈরি হওয়া চারটি হিমবাহ-হ্রদের পানি কমানোর কাজ শুরু করেছে নেপাল। তবে দেশটিতে আরও ১৭টি হিমবাহ-হ্রদ ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ অবস্থায় রয়েছে। এসব হ্রদের বাঁধ ভেঙে যেকোনো সময় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে নেপালে যে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছিল, ভবিষ্যতে এর চেয়েও বড় দুর্যোগ ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে ভারতের একটি হিমবাহ-হ্রদকেও সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে।

পাহাড়ের ওপর থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হ্রদগুলো নিয়ে ২০২০ সালে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি) ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) যৌথভাবে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে হিমালয় অঞ্চলের মোট ৪৭টি হ্রদকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নেপালের ২১টি, তিব্বতের ২৫টি এবং ভারতের একটি হ্রদ রয়েছে।

আরও পড়ুন

সৌদি আরবে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে হুথি বিদ্রোহীরা

ভারতের ঝুঁকিপূর্ণ হ্রদটি উত্তরাখণ্ডের কালী বা মহাকালী নদীর অববাহিকায় অবস্থিত। এটিকে ‘র‌্যাঙ্ক-১’ বা সর্বোচ্চ ঝুঁকির হ্রদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্রদটির আয়তন দ্রুত বাড়তে পারে এবং এর বাঁধের বাইরের দিকে খাড়া ঢাল রয়েছে। পানির স্তর বাড়তে বাড়তে হ্রদ উপচে পড়লে বড় ধরনের ভূমিধস হতে পারে। এতে নদী উপত্যকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। কালী নদী উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যায় দুই রাজ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

২০২০ সালের ওই আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর নেপালের কোশী ও গণ্ডকী অববাহিকার চারটি হ্রদের পানি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। হ্রদগুলো হলো—সোলুখুম্বুর লুমডিং শো ও হোঙ্গু-২, সংখুয়াসাবার লোয়ার বরুণ এবং মানাংয়ের থুলাগি হ্রদ।

এই প্রকল্পে প্রায় পাঁচ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। নেপালের পানিবিজ্ঞান ও আবহাওয়া বিভাগের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৩ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন।

আরও পড়ুন

ফিলিপাইনে দুই বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত

নেপালে দুই হাজারের বেশি হিমবাহ-হ্রদ রয়েছে। গত ২৬ আগস্ট ভোটেকোশি নদীতে যে বন্যা হয়েছিল, তার পেছনেও উঁচু পাহাড়ে বরফ গলে হিমবাহ ধসের ফলে তৈরি হওয়া একটি অস্থায়ী হ্রদকে দায়ী করা হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই নেপালের স্থায়ী হিমবাহ-হ্রদগুলোর ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে আসছেন। সে অনুযায়ী কিছু হ্রদের পানি কমানোর কাজ শুরু হলেও অর্থের অভাবে অনেক প্রকল্প এগোয়নি। যেসব হ্রদের পানির স্তর ১০ থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত কমানো প্রয়োজন, অনেক ক্ষেত্রে সেখানে মাত্র ৩ থেকে ৪ মিটার পানি কমানো সম্ভব হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ হিমবাহ-হ্রদগুলোর পানি যথেষ্ট পরিমাণে কমানো না গেলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন

দুই সপ্তাহ পর খুলছে রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ

জামায়াত নেতার ছেলে আপত্তিকর অবস্থায় আটক
জামায়াত নেতার ছেলে আপত্তিকর অবস্থায় আটক
২৫ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১০:০১:৩৫


এবার গোলাপি আভায় অভিনেত্রী জয়া
এবার গোলাপি আভায় অভিনেত্রী জয়া
২৫ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:০২:২০



পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩ কর্মকর্তাকে বদলি
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩ কর্মকর্তাকে বদলি
২৫ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৫:৪৬




পরীমণির ‘ফারজানা’ সিনেমার প্রথম লুক প্রকাশ
পরীমণির ‘ফারজানা’ সিনেমার প্রথম লুক প্রকাশ
২৫ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪৩:২০