আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন হয়েছে। ইরান যুদ্ধের অবসান এবং তেল সরবরাহ পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনায় তৈরি হওয়ায় এ দামের পরিবর্তন দেখা গিয়েছে।
আজ ১৭ এপ্রিল শুক্রবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের ইঙ্গিত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। এতে করে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৮ দশমিক ০৫ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৩ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ইরান যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বাধা হিসেবে থাকা হরমুজ প্রণালী প্রায় সাত সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, তেহরান ২০ বছরের বেশি সময় ধরে পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কি হয় দেখা যাক। তবে আমার মনে হয় আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।
রয়টার্স জানিয়েছে, গত মার্চ মাসে তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছিল। সম্প্রতি তা ১০০ ডলারের নিচে নেমে এলেও পুরো সপ্তাহজুড়ে ৯০ ডলারের ঘরেই রয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরান যুদ্ধের অবসানে ট্রাম্পের উদ্যোগের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে এই যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা এখন একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির পরিবর্তে সাময়িক সমঝোতা স্মারক তৈরির দিকে ঝুঁকছেন। এতে করে আবার সংঘাতে ফিরে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available