বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত
বুটেক্স প্রতিনিধি: প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)-এর ঐতিহাসিক প্রথম সমাবর্তন।২৭ ডিসেম্বর শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত এ সমাবর্তনে অংশ নেন ৪ হাজার ১২৬ জন গ্র্যাজুয়েট। সমাবর্তনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অভিভাবকদের মাঝে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বুটেক্সের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, ‘আজকের এই সমাবর্তন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়। এটি শুধু ডিগ্রি প্রদান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি।’ তিনি দেশের অর্থনীতি ও বস্ত্রশিল্পে বুটেক্সের ক্রমবর্ধমান অবদান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যেই বুটেক্স প্রমাণ করেছে যে বিশেষায়িত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে। বুটেক্স আজ বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের জন্য দক্ষ, সৎ ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন মানবসম্পদ তৈরির একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র।’বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘১৫ বছরের যাত্রায় বুটেক্স আজ একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নিয়েছে। দেশের বৈদেশিক আয়ে গুরুত্বপূর্ণ বস্ত্রখাতের জন্য বিশ্বমানের নাগরিক তৈরিতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তিনি নবীন গ্র্যাজুয়েটদের আত্মপরিবর্তন, দায়িত্ববোধ ও চ্যালেঞ্জকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানান।’সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটির ফাইবার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চেয়ার প্রফেসর অধ্যাপক ড. জুঙ্গাই ওয়াং। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বুটেক্স সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ।