দোয়ারাবাজারে বন্দোবস্ত জমি নিয়ে সংঘর্ষ, মাছ লুট
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাওঁ ইউনিয়নের মান্নারগাওঁ গ্রামের আলতাব আলীর পুত্র সামছু উদ্দিনের বন্দোবস্তকৃত জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের আলতাব আলী পুত্র জিকির আলী গংদের বিরুদে দু’দফা হামলা, মারধর, মাছ লুট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সামছু উদ্দিন বাদী হয়ে জিকির আলীসহ নয়জনের বিরুদ্ধে ১৪ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে দোয়ারাবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে জানা যায়, সামছু উদ্দিন আমবাড়ী বাজারের একজন ব্যবসায়ী তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন কর্তৃক ৯৯ বছরের বন্দোবস্তপ্রাপ্ত বোরো জমিতে ধান চাষ ও বর্ষাকালে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।গত ১৪ অক্টোবর প্রথম দফা হামলা চালায়। এরই জের ধরে ১৪ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টার সময় দ্বিতীয় দফা হামলা চালায় মান্নারগাওঁ গ্রামের কালা মিয়া পুত্র মো. জিকির আলী ও একই গ্রামের মরম আলী পুত্র মো. শমসের আলী, মো. আমির আলী, মোগা মিয়া পুত্র মো. ইলিয়াছ আলী, আশকর আলী পুত্র মো. ফরিদ মিয়া, সুলতান মিয়া পুত্র মো. আব্দুল জব্বার, রজাক আলী পুত্র মো. কদই মিয়া এবং একই ইউনিয়নের ঢুলপশী গ্রামের গেদামনের পুত্র মো. জামাল উদ্দিন, মো. বোরাই মিয়া, ধারালো রামদা, লোহার রড, কাঠের বর্গা, লাঠিসোঁটা ও মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে সামছু উদ্দিনের বন্দোবস্তকৃত জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে মাছ মারতে থাকে।সামছু উদ্দিন তার ভাই ফারুক মিয়া ও প্রতিবেশী জয়নাল মিয়া বাধা দিলে বিবাদীরা উত্তেজিত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজসহ হামলা চালায়। এক পর্যায়ে বিবাদী জিকির আলীর নির্দেশে শমসের আলী লোহার রড দিয়ে জয়নাল মিয়াকে মাথায় আঘাত করেন এবং জিকির আলী রামদা দিয়ে তার মাথার বাম পাশে কুপ দেন। এছাড়া অন্য বিবাদীরা বাদীসহ ফারুক মিয়া, শফিক মিয়া, ফায়েদ আহমদ ও মাছেদ মিয়াকে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করে। এ সময় বিবাদীরা বেরজাল ফেলে মাছ লুট করে নিয়ে যায়।এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহিদুল হক অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’