স্পোর্টস ডেস্ক: ৬৫ রানের ব্যবধানে না জিতলে লাভ ছিল না পাকিস্তানের। তাই দুই ওপেনার শুরু থেকেই তাণ্ডব চালান। তবে শেষ ৩৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের সুযোগ হাতছাড়া হয়। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে তোলে ২১২ রান।
শ্রীলঙ্কাকে থামাতে হতো ১৪৮ রানে, তা পারেনি পাকিস্তান। তবে ম্যাচ জেতে ৫ রানে। শেষ ১২ বলে লঙ্কানদের দরকার ছিল ৪৬ রান। দাসুন শানাকা ৮ ছক্কা ও ২ চারে ৩১ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে পারেননি। শ্রীলঙ্কা থামে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে।


জিতেও বিদায় নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের; সেমিফাইনালে ওঠে নিউজিল্যান্ড। সুপার এইটে ঘরের মাঠে কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি শ্রীলঙ্কা।

২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার পাল্লেকেল্লেতে শ্রীলঙ্কার আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিক বোলারদের তুলোধুনো করেছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। সেমিফাইনালে যেতে ৬৫ রানের বেশি ব্যবধানে জয় পেতে হতো। ব্যাটিংও করলেন সেই মেজাজেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে তারা ২১২ রান তুলতে সক্ষম হন।
২১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় লঙ্কানরা। পাথুম নিশাঙ্কা (৩), কামিল মিশারা (২৬) ও চারিত আসালাঙ্কা (২৫) আউট হন দ্রুত। আবরার আহমেদ ৩ উইকেট নেন, একটি করে পান শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও মোহাম্মদ নওয়াজ। পাভান রত্নায়েক ৩৭ বলে ৫৮ রান করে লড়াই জমালেও শেষ রক্ষা হয়নি।
এর আগে বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান গড়েন ১৭৭ রানের বিশ্বকাপ রেকর্ড ওপেনিং জুটি। ফখর ৪২ বলে ৮৪ রান করে আউট হন। ফারহান ৫৯ বলে করেন ১০০ রান—আসরে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এক বিশ্বকাপে দুটি সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটার তিনি।
মাদুশাঙ্কা নেন ৩ উইকেট, দাসুন শানাকা ২ ও দুশমন্থ চামিরা ১টি।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available