• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ২৬শে আশ্বিন ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:৫৭:১৮ (11-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

দিল্লিতে বিক্ষোভ

ইন্টারনেট-মেট্রোরেল চালু, অপ্রয়োজনীয় ব্যারিকেড সরাতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

১১ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:৩৬:১৩

ইন্টারনেট-মেট্রোরেল চালু, অপ্রয়োজনীয় ব্যারিকেড সরাতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পুলিশের অতি কড়াকড়ি, ব্যাপক ধরপাকড় এবং মেট্রো ও রেল চলাচল বন্ধ রাখা নিয়ে শুনানি করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ। ১১ অক্টোবর রোববার দুপুরে বিশেষ বেঞ্চে শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ পুলিশকে বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেন।

আদালত স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, মেট্রো ও রেল চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে, অপ্রয়োজনীয় ব্যারিকেড ও নিষেধাজ্ঞা সরাতে হবে এবং সাংবাদিকদের ও আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না। এ সময় দিল্লি পুলিশ, দিল্লি মেট্রোসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের আগামী ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবারের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানাতে বলেছেন শীর্ষ আদালত।

বিশেষ শুনানিতে আদালত জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রয়োজনে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। তবে অকারণে সাধারণ মানুষের চলাফেরায় বাধা দেওয়া উচিত নয়। আদালতের আশপাশে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি থাকার বিষয়টি সামনে আসতেই সেই বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন বেঞ্চ।

প্রধান বিচারপতি বলেন, শীর্ষ আদালতের বাইরে থাকা বিএনএস ১৬৩ নম্বর ধারার বোর্ডটি সরিয়ে ফেলতে হবে, যাতে ন্যায়বিচারের পথে কোনও রকম বাধাসৃষ্টি না হয়। বেঞ্চের আরেক বিচারপতি মোহনা বলেছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা যেতে পারে। তবে আইনভঙ্গ করা যাবে না। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিক করা ও ইন্টারনেট পরিষেবা অবিলম্বে চালু করার উপর জোর দেন বিচারপতিরা।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন ঠেকাতে দিল্লিতে সম্পূর্ণ ‘লকডাউন’ জারি না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবারের সেই নির্দেশ মানেনি প্রশাসন। বন্ধ রাখা হয় ৪৫টি মেট্রো স্টেশন। বাতিল হয়েছিল শতাধিক ট্রেন।

এর প্রেক্ষিতে আইনজীবী ত্রিপাঠী এবং মেনকা গুরুস্বামী আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং ডিএমআরসি চেয়ারম্যান ডি থারার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কেন শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আটকাতে সাধারণ মানুষের স্বাধীনভাবে চলাফেরায় বাধাসৃষ্টি করেছে। এ প্রসঙ্গেই এদিন আদালত সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে হলফনামা দাখিল করে জানাতে বলেছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা রুজু হবে না।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ