আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোকোতো রাজ্যে নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাটিতে ৭০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। তাদের অধিকাংশই শিশু।
২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, গোরোনির গোরাউ এলাকার কাছে নৌকাডুবির পর ৪৬টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্ঘটনাস্থলে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।
পুলিশের মুখপাত্র আহমদ রুফাই বলেন, দুর্গম হওয়ায় ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন। নিরাপত্তা বাহিনী ও জরুরি সেবার কর্মীরা সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে জানিয়েছে, নৌকায় থাকা শিশুরা কৃষক ও শ্রমিকদের সঙ্গে ভ্রমণ করছিল। তারা ধান কাটার কাজে যাচ্ছিলেন।
অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, একটি স্থানীয় মসজিদের সামনে দাফনের জন্য প্রায় ৫০টি মরদেহ রাখা হয়েছিল। সেগুলোর অনেকগুলো মাদুর ও কাপড়ে মোড়ানো ছিল।
নাইজেরিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র ইজেকিয়েল মানজো বলেন, গোরাউ অত্যন্ত দুর্গম এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকারী দলকে সেখানে পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে।
নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবি ও নৌযান দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, নৌযানের দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে প্রয়োগ না করাকে এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত মাসে জিগাওয়া রাজ্যে নৌকা উল্টে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে জিগাওয়া থেকে ইয়োবে রাজ্যে কৃষক ও জেলেদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ২৬ জন মারা যান।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ২০০ জনের বেশি যাত্রী বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেলে নাইজার নদী থেকে ৫৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তথ্যসূত্র: বিবিসি ও রয়টার্স
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available