• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ৬ই ফাল্গুন ১৪৩২ সকাল ১১:১৬:৫৯ (18-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:

প্রকল্পে আওয়ামীপন্থী শিক্ষককে পিডি নিয়োগের অভিযোগ

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ০৯:৪৭:৪৫

প্রকল্পে আওয়ামীপন্থী শিক্ষককে পিডি নিয়োগের অভিযোগ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) তৃতীয় একাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় গবেষণাগার নির্মাণ প্রকল্পে আওয়ামীপন্থী শিক্ষককে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে পুনর্বাসন নয়, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে এই নিয়োগ হয়েছে বলে জানিয়েছে নোবিপ্রবি প্রশাসন।

Ad

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের উপসচিব নুসরাত জাহান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ঐ শিক্ষককে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেইজ ও গ্রুপে নিয়োগ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

Ad
Ad

আদেশে জানানো হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ও কেন্দ্রীয় গবেষণাগার ও অন্যান্য ভবন নির্মাণ কাজ সমাপ্তকরণ শীর্ষক বিনিয়োগ প্রকল্পে প্রেষণে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান, চেয়ারম্যান, ইএসডিএম বিভাগ, নোয়াখালী বিজ্ঞন ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-কে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

তবে নিয়োগের পর আওয়ামী সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তিনি আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের অনুষদ ভিত্তিক কমিটির সদস্য ও শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বলে জানা যায়। এছাড়া পালন করেছেন হল প্রভোস্ট দায়িত্ব, তবে ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর তিনি পদত্যাগ করেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কোন প্রকল্পে পরিচালক নিয়োগের এখতিয়ার সম্পূর্ণভাবে সরকারের উপর। চাহিদার আলোকে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নাম প্রস্তাব করে। সেখান থেকে মন্ত্রণালয়ের উপযুক্ত ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করেন।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, প্রকল্প পরিচালক হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করা। সর্বোপরি প্রকল্পটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা। আশা করছি, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সকলের সহযোগিতায় যে তিন বছর সময় দেওয়া হয়েছে এর মধ্যেই আমরা কাজ শেষ করতে পারবো।

অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, প্রথমত আমি নীল দলের কোন ধরনের সদস্য ফরম পূরণ করি নাই। তারা স্ব-উদ্যোগী হয়েই আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। আমি নিজেকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতেই সাচ্ছন্দ্যবোধ করি। গবেষণাকেই প্রাধান্য দিয়েছি। এসব পদ নিয়ে আমার কোন ইচ্ছে আগেও ছিলো না এখনও নাই। বরং ঐ সময় বর্তমান স্থানীয় সংসদ সদস্যের আত্মীয় পরিচয়ের কারণে আমাকে একঘরে করে রাখা হতো।

এ বিষয়ে নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য বলেন, ‘৩৩৪ কোটি টাকার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য পিডি নিয়োগ জরুরি ছিল। আমরা প্রকল্পের প্রজেক্ট ডিরেক্টর হিসেবে আমাদের ভারপ্রাপ্ত ডিপিডি পরিচালক, একজন কর্নেল পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তা ও ড. মহিনুজ্জামানের নাম সরকারি অধিদপ্তরে পাঠিয়েছি। কিন্তু ডিপিডি পরিচালকের মেয়াদ স্বল্প হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতার (পূর্বে সরকারি প্রজেক্ট পরিচালনা) ঘাটতি থাকায় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও ডিপিডি পরিচালকের নাম বাদ পড়ে যায়। নোবিপ্রবিতে আমি ও ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান ব্যতীত অন্য কারো সরকারি প্রকল্প পরিচালনার অভিজ্ঞতা ছিল না। আমি ইতোমধ্যে একটি প্রকল্পের পিডি হিসেবে দায়িত্বে আছি। ফলে মন্ত্রণালয় যোগ্য বিবেচনায় ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামানকে পিডি হিসেবে নিয়োগ দেয়। এ সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো চূড়ান্ত ভূমিকা ছিল না ‘

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ












Follow Us