• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ১৯শে ভাদ্র ১৪৩৩ সকাল ১০:৩১:৫৪ (03-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:

পাহাড়ে অস্ত্র ও সহিংসতা কমাতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত উদ্যোগ: মীর হেলাল

৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৯:৪৮:৫০

পাহাড়ে অস্ত্র ও সহিংসতা কমাতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত উদ্যোগ: মীর হেলাল

রাঙামাটি প্রতিনিধি: পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র তৎপরতা ও সহিংসতা বন্ধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান নয়, শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেছেন, ‘অপারেশন চালিয়ে কিংবা সেনাবাহিনী-পুলিশ পাঠিয়ে কোনো সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না। যেখানে অন্ধকার আছে, সেখানে শিক্ষার আলো, সামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আলো দিতে হবে। যত আলো বাড়বে, অন্ধকার তত কমে আসবে।’

২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে এ মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পার্বত্য রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী।  

মতবিনিময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে সরকার ‘হলিস্টিক অ্যাপ্রোচ’ বা সামগ্রিক পদ্ধতিতে এগোতে চায় বলে জানান মীর হেলাল। তাঁর মতে, শুধু আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে পাহাড়ের সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; এর পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, পর্যটন, কর্মসংস্থান ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়গুলোকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কোনো পরিবর্তনই ওয়ান নাইটে হবে না। আমরা পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নিচ্ছি। অস্ত্র ও সহিংসতা ধীরে ধীরে কমে আসবে। এটি একটি প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে আইনি ব্যবস্থা যেমন থাকবে, তেমনি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, পর্যটন ও কর্মসংস্থানের বিষয়ও থাকবে।’

বৈঠকে রাঙামাটির স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যাও চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান মীর হেলাল। এর মধ্যে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স, ট্রাফিক পুলিশ ও ওয়াটার ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে আসে। জেলার ভৌগোলিক বাস্তবতা ও মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে রাঙামাটির সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দ্বীপন তালুকদার দীপুসহ জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ