• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১২ই শ্রাবণ ১৪৩৩ রাত ১০:১৮:৩৭ (27-Jul-2026)
  • - ৩৩° সে:
রাতে দুর্গতদের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী, সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস

রাতে দুর্গতদের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী, সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস

রাঙামাটি প্রতিনিধি: টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমন্বিতভাবে উদ্ধার, ত্রাণ ও আশ্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার ১০ উপজেলায় ২১২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।এদিকে, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ধসের ঝুঁকির কারণে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আগে সেখানে যাওয়া পাঁচ শতাধিক পর্যটক এখনো অবস্থান করছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে রাঙামাটির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবারও শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এ অবস্থায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটিতে পৌঁছান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। তিনি শহরের ভেদভেদী এলাকায় স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং সেখানে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী ও খাবার বিতরণ করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সরকারের সব সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করছে এবং দুর্গত মানুষের পাশে সরকার সবসময় রয়েছে।তিনি জানান, সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁর নির্দেশনায় রাঙামাটির জন্য ৫০০ মেট্রিক টন, খাগড়াছড়ির জন্য ৪০০ মেট্রিক টন এবং বান্দরবানের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিন পার্বত্য জেলার জন্য মোট ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও ত্রাণ ও খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।