লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে দেড় বছর বয়সী শিশু কানিজ ফাতেমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া তিন প্রতিবেশীকে নির্দোষ দাবি করেছে তাদের পরিবার।

৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের একটি পত্রিকা হাউসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতার তোফায়েল আহমেদ (৬০), তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও পুত্রবধূ নিশু আক্তারের মুক্তি এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তোফায়েলের মেয়ে লাকি বেগম।


পরিবারের অভিযোগ, জমিসংক্রান্ত পুরোনো বিরোধের জেরে শিশুকে হত্যা করে তাদের ফাঁসানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
লিখিত বক্তব্যে লাকি বেগম জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে চরমোহনা গ্রামের কাঞ্চন হোসেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিনের কন্যা কানিজ ফাতেমা নিখোঁজ হয়। ওই দিন বিকেলে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে তোফায়েল আহমেদকে আটক করে এবং পরে অপহরণ মামলায় গ্রেফতার দেখায়। পরদিন শুক্রবার তার মা ফিরোজা বেগম ও ভাবি নিশু আক্তারকেও একই মামলায় গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার তোফায়েলের ছেলের স্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘নিখোঁজের পর পুলিশসহ বেশ কয়েকবার ওই সেপটিক ট্যাংকে তল্লাশি চালানো হলেও তখন কিছুই পাওয়া যায়নি। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যায় শিশুর দাদি কোহিনুর বেগম একজন মেথর ডেকে এনে ওই একই ট্যাংক থেকেই মরদেহ উদ্ধার করেন।’ তিনি আরও দাবি করেন, জমি নিয়ে দীর্ঘ ১০-১২ বছরের বিরোধের জেরে কোহিনুর বেগম পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।
এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর শনিবার রাত ৯টার দিকে তোফায়েল আহমেদের বাড়ির বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং গ্রেফতার আসামিরা জেল হাজতে রয়েছে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available