• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ২১শে ভাদ্র ১৪৩৩ রাত ০১:৪৬:২৪ (06-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:
চায়ের বকেয়া বিল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৩

চায়ের বকেয়া বিল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৩

ডেস্ক রিপোর্ট: মাত্র ৪৫ টাকা চায়ের বিলকে কেন্দ্র করে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে শুরু হওয়া বাগ্‌বিতণ্ডা গড়িয়েছে সংঘর্ষে। এতে নারী-পুরুষসহ দুই পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের জয়ন্তীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহতদের মধ্যে দুই পক্ষের দুজনকে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জয়ন্তীপুর বাজারের একটি চায়ের দোকানে চা পান বাবদ ৪৫ টাকা বাকি ছিল মুদি দোকানি মোস্তফার। ওই পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চা বিক্রেতা শামীম হোসেনের সঙ্গে মোস্তফার বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়।একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হন।হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহত দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলাকালে হাসপাতালের বারান্দায় দুই পক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইফফাত মেহেজাবীন অনন্যা বলেন, মারামারির ঘটনায় দুই পক্ষের দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের অবস্থা গুরুতর নয়। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।চা বিক্রেতা শামীম হোসেনের দাবি, মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে বাকিতে চা পান করলেও টাকা পরিশোধ করেননি। বকেয়া টাকা চাইলে তিনি গালমন্দ করেন। এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মোস্তফা বলেন, শামীম তার সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেন। এর প্রতিবাদ করায় শামীম লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা করেন। এতে তাদের পক্ষেরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র দাস বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন