রাড্ডাকাণ্ডে কঠোর বিএনপি, তিনটি শাখার কমিটি বিলুপ্ত
অনলাইন ডেস্ক: রাড্ডাকাণ্ডের পর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটিও। এছাড়া বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন জানান, তিনি শুরু থেকেই বলেছেন, কোনো অন্যায়কে তিনি ছাড় দেবেন না।তিনি বলেন, ‘জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের দলকে নির্বাচিত করেছে দেশের উন্নয়ন করার জন্য, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিরো টলারেন্স নীতি ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছেন।’মাত্র দেড় বছর আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল এসব কমিটি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, ঢাকা মহানগর উত্তরে বিএনপি ও যুবদলের কমিটির মেয়াদ ছিল না।এদিকে, বিএনপির সহ-অর্থ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন জানান, দল তার সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই ও তদন্ত করেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এটা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, এই দল এবং সরকারের কোনো রকম বিতর্ক সৃষ্টি ও বদনাম করার কোনো সুযোগ নেই।বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আগামী দিনের বাস্তবতায় তৃণমূলকে সুসংগঠিত করার কাজ শুরু হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ‘দলকে ঢেলে সাজানো, এটা তো আমাদের চলমান প্রক্রিয়া। আমরা সব সময়ই একদম তৃণমূল পর্যায় থেকে সম্মেলন, তারপরে কাউন্সিল, নতুন কমিটি, এগুলো করে আসছি। বিএনপির মধ্যে এটা একটা কন্টিনিউয়াস প্রসেস। যেহেতু ১৭ বছর আমাদের নেতা-কর্মীদের আন্দোলন-সংগ্রামে খুব ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। এর মধ্যে তো অনেক অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুন, সবকিছু মোকাবিলা করেই আমরা একদিকে সাংগঠনিক তৎপরতা যতটুকু ওই সময় পেরেছি, করেছি।’বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের আমলে দলকে ঢেলে সাজাতে তেমন সময় পাওয়া যায়নি। ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে তাই নতুন নেতৃত্ব তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।’