মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের জেরে ৫ মেট্রোস্টেশন বন্ধ
অনলাইন ডেস্ক: ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর সড়ক অবরোধ করা পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মিরপুর ১০, ১১, ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের ৫টি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।১ নভেম্বর রোববার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের পর থেকে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী স্টেশন বন্ধ করা হয়েছে। পরে শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।এদিন সকাল থেকেই মিরপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে শ্রমিক এসে সড়কে অবস্থান নেন। এতে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ এবং পল্লবীসহ আশপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা।একপর্যায়ে শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরাতে অ্যাকশনে যায় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করা হয়। জবাবে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় একটি পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া হয়। এছাড়া মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের একটি পিকআপেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।আগুন নেভাতে গেলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় মিরপুর-১০ এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।তবে এরই মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য ৬ সদস্যের মজুরি বোর্ড ঘোষণা করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। বিচারপতি শেখ আশফাকুর রহমানের নেতৃত্বে এই মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।তিনি জানান, ঘোষিত বোর্ড দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন মজুরি ঘোষণা করবে। বোর্ড গঠনের দাবি পূরণ হওয়ায় শ্রমিকদের রাস্তা থেকে কারখানায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান শ্রমমন্ত্রী।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মিরপুর ১০ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সীমিতভাবে কিছু যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে রাস্তা এখন প্রায় ফাঁকা। পুলিশ রাস্তায় কাউকে দাঁড়াতে দিচ্ছে না।এটিভি/এসটিও