• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ৫ই চৈত্র ১৪৩২ দুপুর ০১:৪৭:১৪ (19-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
শ্রীপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

শ্রীপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

গাজীপুর (শ্রীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় নিখোঁজের তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে মোছা. বৃষ্টি আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামী পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে নিখোঁজের নাটক সাজিয়েছেন।২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুপুরে গোসিংগা ইউনিয়নের পেলাইদ গোদারাঘাট সংলগ্ন এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বৃষ্টি উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরমা গ্রামের ওয়াজউদ্দিনের মেয়ে এবং শ্রীপুর পৌর এলাকার ভাংনাহাটি কাইচ্চাগড় গ্রামের সম্রাটের স্ত্রী।নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, স্বামী সম্রাট তাকে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করেন এবং পরে থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি করেন। ঘটনার দুইদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার হয়। নিহতের বাবার দাবি, মরদেহের মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল।নিহতের বাবা-মা জানান, প্রায় দুই বছর আগে সম্রাটের সঙ্গে বৃষ্টির বিয়ে হয়। সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বুধবার সকালে সম্রাট ফোন করে জানান, বৃষ্টিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে স্বজনরা তার বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন, মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে বৃষ্টি নিখোঁজ হন। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। পরে বুধবার বিকেলে সম্রাট শ্রীপুর থানায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি করেন।শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে স্বজনরা খবর পান, পেলাইদ গ্রামের পাশে শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি মরদেহ ভাসছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত করেন।নিহতের পরিবারের দাবি, সম্রাট বিভিন্ন সময় বৃষ্টিকে মারধর করতেন। মঙ্গলবার সকালেও তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। পরিবারের ভাষ্য, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে রেখে নিখোঁজের নাটক সাজানো হয়েছে।শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল করিম জানান, নদীতে মরদেহ ভাসার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এর একটি দল আলামত সংগ্রহ করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।