• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৭শে শ্রাবণ ১৪৩৩ রাত ০৯:৪৭:১৬ (11-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
কৃষি ও মৎস্য খাত আধুনিকায়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাইলেন কৃষিমন্ত্রী

কৃষি ও মৎস্য খাত আধুনিকায়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাইলেন কৃষিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিকায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।১১ আগস্ট মঙ্গলবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নির্বাহী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া ও ভৌগোলিক অবস্থান কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল।আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর সুযোগ রয়েছে।সয়াবিনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের চর ও দ্বীপাঞ্চলে সয়াবিন চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য উন্নত প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ খাতেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের ঘাস উৎপাদন, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও রোগ প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষক ও ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহারেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে একটি সার্টিফায়েড অর্গানিক ফার্ম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ইউএসডিএ সার্টিফায়েড অর্গানিক খাদ্য রপ্তানির লক্ষ্যেও কাজ করা হচ্ছে।মতবিনিময়কালে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করতে আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে এবং সেসব লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত।যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এবং মার্কিন রপ্তানিকারকদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে আরও সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অতুল কেশপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক কেভিন রোপকে, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম লিড খবিবুর রহমানসহ কাউন্সিলের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।