• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৭শে শ্রাবণ ১৪৩৩ সকাল ১০:৫২:০১ (11-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
খাগড়াছড়ির তিন বিদ্যালয়ের সবাই ফেল

খাগড়াছড়ির তিন বিদ্যালয়ের সবাই ফেল

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থীর হাতে যখন সাফল্যের সনদ, তখন খাগড়াছড়ির তিন বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর হাতে নেই পাসের সনদটুকুও। এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েও এই তিন প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে তিন বিদ্যালয়ের পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।বিদ্যালয় তিনটি হলো— ভাইবোনছড়া গার্লস হাই স্কুল, জারুলছড়ি হেডম্যানপাড়া হাই স্কুল ও তারাবানিয়া হাই স্কুল। শুধু তিন বিদ্যালয়ের এই ফল নয়, পুরো জেলার এসএসসি ফলাফলও এবার উদ্বেগ তৈরি করেছে।জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ির স্কুলগুলোতে এবার পাসের হার ৩৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৬৪ জনই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। স্কুল পর্যায়ে ৭ হাজার ৭৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৭৬৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯০ জন। মাদ্রাসায় ৭৬৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪০০ জন। সবমিলিয়ে স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮ হাজার ৫৪৬ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ হাজার ১৬৬ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৩৭ দশমিক ০৪ শতাংশ।ফলাফলের উপজেলাভিত্তিক চিত্রেও উঠে এসেছে বৈষম্য। স্কুলপর্যায়ে সবচেয়ে বেশি পাসের হার মানিকছড়িতে ৪০ দশমিক ২১ শতাংশ। বিপরীতে দীঘিনালায় তা নেমে এসেছে ২২ দশমিক ৮৪ শতাংশে। মহালছড়িতে ২৯ দশমিক ৬৩, পানছড়িতে ৩১ দশমিক ৫২ এবং গুইমারায় ৩১ দশমিক ১২ শতাংশ।শিক্ষাবিদদের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট, অভিভাবকদের আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষার প্রতি সচেতনতার ঘাটতি এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়মুখী করার চ্যালেঞ্জ—সব মিলিয়ে ফলাফলে এর প্রভাব পড়ছে।খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরণ চাকমা বলেন, “জেলার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে দুর্গম এলাকার বিদ্যালয়গুলো তুলনামূলকভাবে খারাপ করেছে। এসব এলাকায় সচেতনতার অভাবের পাশাপাশি অভিভাবকদের দারিদ্র্য ও শিক্ষক সংকট রয়েছে। শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও দায়িত্বশীলতার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।”খাগড়াছড়ি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সিকদার বলেন, “এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জেলায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ৯৬৫ জন। তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি।