ক্রীড়া প্রতিবেদক: বিশ্বকাপে টানা দুই হার। অস্ট্রেলিয়া এখন একেবারে খাদের ধারে। সুপার এইটে ওঠা আর নিজেদের হাতে নেই। তারকা ক্রিকেটারদের ইঞ্জুরি থেকে মাঠের পারফরম্যান্স- সবমিলিয়েই খুব খারাপ সময় যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।

অধিনায়ক মিচেল মার্শ-এর দল প্রথমে জিম্বাবুয়ের কাছে হারে। এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৮২ রান করেও জিততে পারেনি। পাল্লেকেলেতে সেই ম্যাচে শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। ট্রাভিস হেড আর মার্শ মিলে ১০৪ রানের জুটি গড়েন। তারপর মিডল অর্ডার ব্যর্থ হয়।


জবাবে শ্রীলঙ্কা ম্যাচ বের করে নেয়। ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা খেলেন ৫২ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস। সঙ্গে কুশল মেন্ডিস করেন ৩৮ বলে ৫১ রান। তিন ম্যাচে তিন জয়ে শ্রীলঙ্কা ইতিমধ্যেই সুপার এইটে।
অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের দুই ম্যাচে দুই জয়। তাদের পয়েন্ট ৪। নেট রান গড় +১.৯৮৪। অস্ট্রেলিয়া শূন্য হাতে। এখন সমীকরণটা কঠিন। অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপ পর্বে আর একটি ম্যাচ বাকি। শেষ ম্যাচটি তারা খেলবে সবার পরে। ফলে মাঠে নামার আগে হিসাব পরিষ্কার থাকবে।
তাদের প্রথম শর্ত, নিজেদের শেষ ম্যাচ জিততেই হবে। শুধু জয় নয়, বড় ব্যবধানে জয় দরকার। কারণ নেট রান গড় এখন বড় ফ্যাক্টর।
দ্বিতীয় শর্ত, জিম্বাবুয়ে যেন বাকি দুই ম্যাচে হারে। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা তো এগিয়েই গেছে। তাই লড়াইটা মূলত জিম্বাবুয়ের সঙ্গে।
যদি জিম্বাবুয়ে তাদের পরের দুই ম্যাচ হারতে থাকে এবং অস্ট্রেলিয়া বড় জয় পায়, তাহলে পয়েন্ট সমান হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তখন হিসাব যাবে নেট রান গড়ে। কিন্তু যদি জিম্বাবুয়ে আরেকটি ম্যাচ জিতে ফেলে, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার পথ কার্যত বন্ধ। জিম্বাবুয়ের পরবর্তী দুইটি ম্যাচ আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
সংক্ষেপে বললে, অস্ট্রেলিয়ার এখন অলৌকিক কিছু দরকার। নিজেদের কাজ ঠিকভাবে করা। আর অন্য ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকা। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল এমন চাপে পড়বে, হয়তো কেউ ভাবেনি। কিন্তু টি-টোয়েন্টির সৌন্দর্য এখানেই। এক-দুটি খারাপ দিন, আর সব হিসাব বদলে যায়।
এখন দেখার, অস্ট্রেলিয়া শেষ লড়াইটা কতটা জোর দিয়ে লড়ে এবং টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে পারে কিনা।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available