• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ৮ই কার্তিক ১৪৩৩ রাত ০৯:২০:১১ (23-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নাহিদ ইসলামের

২৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩১:৫৭

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নাহিদ ইসলামের

অনলাইন ডেস্ক: গত সাত মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। একইভাবে জ্বালানি খাতেও সরকার কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রীকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

২৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এনসিপির আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে আগামী ৩০ অক্টোবর গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে এনসিপি। এ কর্মসূচি সামনে রেখে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ শুরু করেছে দলটি।

আরও পড়ুন

এনসিপির নতুন কমিটি জামায়াতের অনুমোদনে হয়েছে: মো. রাশেদ খাঁন

তিনি বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের সঙ্গে আছে এবং থাকবে। এই গণবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ ছাড়া জনগণের অধিকার আদায় হবে না। সরকারের এই সার্বিক ব্যর্থতার দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে নিতে হবে। তাদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। গত সাত মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে পারেননি। তিনি সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত, সংবিধান কাটাছেঁড়া করছেন, যাতে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী কায়দায় জনগণের অধিকার স্থায়ীভাবে হরণ করা যায়। ফলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উদ্দিন আহমেদের এই দায়িত্বে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

তিনি বলেন, জ্বালানি মন্ত্রীকে কথা বলতেও দেওয়া হয় না। তিনি এখন কথাও বলেন না। জ্বালানি খাতে সাত মাস ধরে সরকার কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি। ফলে জ্বালানিমন্ত্রীরও দায়িত্বে থাকার কোনো অধিকার নেই।

তিনি বলেন, ‌‌‌বলতে গেলে মন্ত্রিপরিষদের একজনের পর একজনের নাম বলতে হবে। তবে আপাতত আমরা এই দুজনকে সরিয়ে মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠনের দাবি জানাচ্ছি। এর আগে তথ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগে একজন সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। যারা সবচেয়ে বেশি অবহেলা করছেন, তাদের সরানো হচ্ছে না বা জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে না। আমরা তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে চাই।

আরও পড়ুন

ভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আহ্বান জানাচ্ছি, আজ আমরা গণসংযোগ কর্মসূচিতে এসেছি। কারওয়ান বাজার দিয়ে আমাদের গণসংযোগ কর্মসূচি শুরু করছি। এর একটি বিশেষ কারণ আছে। কারওয়ান বাজার পুরো ঢাকা শহরের কাঁচাবাজার ও সবজির একটি কেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের কথা শোনা যায়। কয়েক মাস আগে এই কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে চাঁদাবাজদের প্রতিহত করে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, এ কারণে আমরা কারওয়ান বাজার থেকে কর্মসূচি শুরু করছি। সারা বাংলাদেশে যেসব জায়গায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দখলদারত্ব ও সিন্ডিকেটবাজির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করে জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এসব সন্ত্রাসী ও দখলদার বাহিনীকে প্রতিহত করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবর আমরা একটি গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করব। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। চারটি বিষয় আমাদের সামনে এসেছে। এগুলো হলো আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে নির্লজ্জ দলীয়করণ। এসবের প্রতিবাদেই আমাদের গণবিক্ষোভ কর্মসূচি।

আরও পড়ুন

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ৬ নারী

তিনি বলেন, একদিকে মাদক কারবারিদের ঠেকানো যাচ্ছে না, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন চলছে। সাংবাদিকদের ওপর সবচেয়ে বেশি দমন-পীড়ন চলছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে, সাংবাদিকদের মেরে ফেলতে হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। দেশে গণমাধ্যমের কোনো স্বাধীনতা নেই। গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন করতে চাইলে তাদের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ১৫ অক্টোবর নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে গুলি করে এক সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। পরদিন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আরেকজনকে গুলি করা হয়েছে। ১৯ অক্টোবর কক্সবাজারের বিভিন্ন সড়কে ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সেই কক্সবাজার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা। ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুরের রাড্ডায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিসিবি চত্বরে সালমান ইত্যাদি স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, গত নয় মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ১১৩ জন নিহত হয়েছেন। গণপ্রতিনিধিদের মধ্যে নিহত হয়েছেন ৮৭ জন এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬৩৭ জন নারী। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২২ জন।

আরও পড়ুন

কোরআনের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে: জামায়াত আমির

তিনি বলেন, দেশের এই পরিস্থিতি চলবে, আর গণমাধ্যম কোনো সমালোচনা বা তথ্য প্রকাশ করতে পারবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে যে কালো আইন ছিল, সেটিকে সংশোধন করে আরও দমনমূলক আইন হিসেবে সাইবার নিরাপত্তা আইন আনার পাঁয়তারা করছে সরকার।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নিত্যপণ্যের বাজারদর আজ আমরা কারওয়ান বাজার এলাকায় নিজেরাই দেখতে পারছি। সয়াবিন তেল ২০০ থেকে ২১০ টাকা, টমেটো ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শুকনা মরিচ ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং ডিম ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একজন মানুষ বাজারে গিয়ে এক বা দুই ধরনের সবজিও বেশি করে কিনতে পারছেন না। একটি মধ্যবিত্ত পরিবার মাসে যে পরিমাণ ডিম খেত, তার অর্ধেকেরও বেশি কমিয়ে দিতে হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা বারবার বলেছেন, কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি এবং বাড়বে না। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও প্রতারণামূলক কথা বলেছেন। নির্বাচনের পরও এলপিজি গ্যাসের দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা ছিল। এখন সরকারি হিসাবেই তা ১৮০০ টাকা। বেসরকারিভাবে ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার তিন দফায় অকটেনের দাম বাড়িয়েছে। সরকারকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে। যুদ্ধ যত দিন থাকবে, তেলের দামও তত দিন বেশি থাকবে। কিন্তু এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই।

আরও পড়ুন

এনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: আহ্বায়ক নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার

তিনি বলেন, একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করে জনগণের সঙ্গে প্রহসন করা হচ্ছে। এই কমিটি অবিলম্বে ভেঙে দিয়ে গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। সেখান থেকেই নতুন সংস্কারকৃত সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে। জুলাই সনদ ও গণভোটের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছ জবাবদিহির কথা বলা হয়েছিল, তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দ্বিতীয় দাবি হচ্ছে, সাইবার আইনের সংশোধনী আনা যাবে না। এটি বাদ দিতে হবে। কোনোভাবেই সংসদে এই আইন পাস হতে দেওয়া হবে না। এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশন আইনের মতো যেসব কর্তৃত্ববাদী আইন পাস করা হয়েছে, সেগুলো বাতিল করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট থেকেই আমরা দাবি জানিয়ে আসছি, জুলাই গণহত্যা ও হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু এখনো সেই বিচার বাস্তবায়িত হতে দেখছি না। বিভিন্ন জায়গায় ফ্যাসিবাদের দোসররা, এমনকি তৃণমূল পর্যায়েও, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের ওপর হামলা করছে। অবিলম্বে এসব ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, এই চার দফা দাবিতে আগামী ৩০ অক্টোবর দুপুর ৩টায় ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিন। এটি আপনাদের অধিকার আদায়ের কর্মসূচি। ঢাকা মহানগর থেকে শুরু করে সারা দেশে ধারাবাহিকভাবে এই গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম বিস্তারের জন্য আমরা পুনর্গঠিত কমিটি করেছি। নির্বাচনের পর আমাদের সংগঠনে অনেক নতুন মানুষ যুক্ত হয়েছেন। তাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের জন্যই এই কমিটি করা হয়েছে। সামনে আমাদের গণতান্ত্রিকভাবে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিলের মাধ্যমে এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রূপান্তরিত হবে।

তিনি বলেন, এটি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। বিএনপি নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক নিজেদের দিকে টানতে তারা কাজ করেছে। তারা বিভিন্ন নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। সেই মামলা দিয়ে মামলা-বাণিজ্য করেছে, মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করেছে এবং ভোটব্যাংক সংগ্রহ করেছে। এখনো তারা আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে একধরনের সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে। গঙ্গা চুক্তি নবায়নের বিষয়ে কী হবে, সরকার এখনো তা বলতে পারছে না। সরকারকে বলব, আপনারা নিজেদের দিকে তাকান, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করুন।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু বন্দোবস্তের পরিবর্তন হয়নি। আমরা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি, সরকার বা ব্যক্তি পরিবর্তন হলেই হবে না, বন্দোবস্তের পরিবর্তন হতে হবে। বাংলাদেশে এবার খুব শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা শেষ হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশের আপামর শান্তিপ্রিয় জনগণকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ এবং এ দেশের মানুষই সম্প্রীতি রক্ষা করবে, তা আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে সরকারের বিন্দুমাত্র কৃতিত্ব নেই। সরকার দেশের মানুষকে কোনো ধরনের নিরাপত্তা দিতে পারেনি, এখনো পারছে না। বরং সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন বিরোধী দল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে দুর্গাপূজায় সহযোগিতা করেছেন। হিন্দু ভাই-বোনেরাও সাদরে সেই সহযোগিতা গ্রহণ করেছেন। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে বহাল থাকে, সে জন্য আমরা মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে সংখ্যালঘু ও দলিত মুসলমানদের ক্রমাগত নিপীড়ন-নির্যাতন করা হচ্ছে। আসাম, পশ্চিমবঙ্গসহ দিল্লিতে মসজিদ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, মুসলমানদের ঘরবাড়ি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এই দুই দেশের চিত্র দেখলেই বোঝা যায়, কোন দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এবং কোন দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগসহ দিল্লির হিন্দুত্ববাদী গণমাধ্যম বাংলাদেশকে নিয়ে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করে। এবারও দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হওয়া তার একটি বড় উদাহরণ।

এটিভি/ এইচকে

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ








জর্দানে গির্জায় বন্দুকধারীদের গুলি, নিহত ৭
জর্দানে গির্জায় বন্দুকধারীদের গুলি, নিহত ৭
২৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৫৬:৩৫