• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১৬ই ভাদ্র ১৪৩৩ রাত ১০:৫৭:০৮ (31-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:

কারিগরি শিক্ষায় সমঝোতা স্মারক, সার্ভিস সেন্টার ও তিনটি প্ল্যাটফর্মের সূচনায় ফলপ্রসূ চীন সফর: মাহ্দী আমিন

৩১ আগস্ট ২০২৬ রাত ০৮:২৪:৪৭

কারিগরি শিক্ষায় সমঝোতা স্মারক, সার্ভিস সেন্টার ও তিনটি প্ল্যাটফর্মের সূচনায় ফলপ্রসূ চীন সফর: মাহ্দী আমিন

ডেস্ক রিপোর্ট: কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে সমঝোতা  স্বাক্ষর, সার্ভিস সেন্টার ও তিনটি প্লাটফর্মের সূচনায় ফলপ্রসূ হয়েছে চীন সফর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।

তিনি বলেন, এই সংক্ষিপ্ত অথচ অত্যন্ত ফলপ্রসূ সফরের মাধ্যমে যে ঐতিহাসিক সূচনা হলো, তার মূল লক্ষ্যই হলো আমাদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বিশ্বমানের কাতারে নিয়ে যাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের দ্রুত মানসম্মত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। ইনশাআল্লাহ, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ-চীন শিক্ষা সহযোগিতা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে।

৩১ আগস্ট সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে চীন সফর উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব একথা বলেন তিনি।

সম্প্রতি চীন সরকারের আমন্ত্রণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন আয়োজন এবং আলোচনায় অংশ নিতে দেশটিতে তিন দিনের সফর করেন শিক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাসহ উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল। 

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, এই সাম্প্রতিক চীন সফর বেশ চমৎকার আর ফলপ্রসূ হয়েছে। চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের জায়গাটা অনেক পুরোনো ও ঐতিহাসিক। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এই সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় সেটা এক নতুন মাত্রায় পৌঁছায়। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানও দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়া ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পর তাঁর তৃতীয় সফর হিসেবে চীনকেই বেছে নিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা আসলে এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা আমাদের শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে; পাশাপাশি তারা বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও তৈরি হবে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার পরিধি অনেক বড়, প্রাথমিক, গণশিক্ষা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত নানা রকম ধারা এতে রয়েছে।

চীন সফরের মূল উদ্দেশ্যটাই ছিল কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা নিয়ে কাজ করা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, কারণ এই জায়গায় চীনের দীর্ঘদিনের দারুণ অভিজ্ঞতা ও সাফল্য রয়েছে। তারা বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় খুব কম খরচে অত্যন্ত মানসম্পন্ন কারিগরি শিক্ষা দেয়। বিশেষ করে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে শিল্পকারখানার যে চমৎকার যোগসূত্র রয়েছে, তা সত্যিই দেখার মতো।

মাহ্দী আমিন বলেন, চীনা সরকারের আমন্ত্রণে তিন দিনের সংক্ষিপ্ত সফরের মূল উদ্দেশ্যই ছিল চীনের অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশে কাজে লাগানো এবং কর্মক্ষেত্রের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে দেশের তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের কার্যকর পথ খোঁজা, যা আজকের এই প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে আমরা সবার সামনে তুলে ধরতে চাই। সফরের প্রধান তিনটি আয়োজনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে চীনের প্রথম সারির ১৯টি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমাদের শিক্ষাক্রমকে আরও বাস্তবমুখী করার বিষয়ে আলোচনা হয়, আর বিশেষ একটি সিম্পোজিয়ামে ১১টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা হয় আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করার উপায় নিয়ে। এর পাশাপাশি আমরা চীনের বিশেষ ‘ভোকেশনাল এডুকেশন টাউন’ যেখানে ১১টি স্বনামধন্য কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত এবং বেশ কিছু ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাইট সরেজমিনে ঘুরে দেখেছি, যেন পলিটেকনিক ও টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটগুলোর সাথে স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্প খাতের প্রাতিষ্ঠানিক মেলবন্ধন ও অংশীদারিত্ব কীভাবে কাজ করে, তা আমরা সরাসরি প্রত্যক্ষ করতে পারি।

এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন শিক্ষা সহযোগিতার কিছু সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি রচিত হয়েছে উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, প্রথমত, শিক্ষক প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার শিরোনাম 'এগ্রিমেন্ট অন দ্য চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার ট্রেনিং'। অর্থাৎ আমাদের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত শিক্ষকদের বৈশ্বিক মানে আরও দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতেই এই সমঝোতা।

মাহ্দী আমিন বলেন, এর পাশাপাশি একটি নতুন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে-'চীন-বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস সেন্টার'। কারিগরি শিক্ষার গুণগত রূপান্তরের সাথে সংযুক্ত আরও তিনটি প্ল্যাটফর্মের যাত্রা হয়েছে, চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার ট্রেনিং সেন্টার, বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন রিসার্চ সেন্টার ও বাংলাদেশ 'চাইনিজ ল্যাংগুয়েজ প্লাস স্কিল ডেভেলপমেন্ট' কো-অপারেশন সেন্টার।

সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্য দিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, একটি আন্তর্জাতিক সার্ভিস সেন্টার এবং তিনটি প্ল্যাটফর্‌ম উদ্বোধন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এগুলোর মূল উদ্দেশ্যই হলো পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া লিংকেজের মাধ্যমে দেশের কারিগরি শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা। আমরা চীনের বেশ কিছু অত্যাধুনিক গবেষণা ও উন্নয়ন এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি পরিদর্শন করেছি এবং সেখানে স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে শিল্পকারখানার যে মেলবন্ধন রয়েছে, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি।

এটা নিয়ে তো প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমরা বেশ কিছু অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করেছি। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো 'তৃতীয় ভাষা' শিক্ষা। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাদর্শন ও দূরদর্শী ভিশন অনুযায়ী, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা হিসেবে আমরা মান্দারিন বা চাইনিজ ভাষাকে গুরুত্ব দিতে চাই। সে লক্ষ্যে কীভাবে আমাদের কারিকুলাম সমৃদ্ধ করা যায়, চীন থেকে দক্ষ ভাষা শিক্ষকদের কীভাবে বাংলাদেশে আনা যায় এবং কারিগরি শিক্ষার সাথে ভাষা শিক্ষাকে কীভাবে সমন্বিত করা যায়, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। শিক্ষার বিভিন্ন ধারায় স্ব স্ব উৎকর্ষতার উপরে ভিত্তি করে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সাথেই অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চাই।

শিক্ষক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে মূলধারায় প্রতিষ্ঠা করা নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন,  আধুনিক কারিকুলাম প্রণয়ন, ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন জোরদারকরণ, উভয় দেশের টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, যৌথ গবেষণা পরিচালনা এবং যৌথ ডিগ্রি চালুর বিষয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

মাহ্দী আমিন বলেন, শিক্ষামন্ত্রী একটি নতুন ধারার সূচনা করেছেন। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা মূলধারার সাধারণ বিষয়গুলোতেই পড়তে যান। তবে আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাতেও উচ্চশিক্ষার জন্য চীনে যাক। এ জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক পূর্ণাঙ্গ বৃত্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে বিশ্বমানের প্রযুক্তি শিক্ষা অর্জন করতে পারে। মন্ত্রীপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

চীনের খ্যাতনামা কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে বাংলাদেশের পলিটেকনিক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক তৈরি করা সফরের একটি বড় লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন মাহ্দী আমিন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন চীনা প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানে যেন আমরা মান্দারিন জানা দক্ষ দেশীয় জনশক্তি যুক্ত করতে পারি, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

একই সাথে বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত চীনা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভাষা ও প্রযুক্তি দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের বিপুল চাহিদা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের চাইনিজ ভাষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে তারা অগ্রাধিকার পাবে এবং দেশের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের বিশাল দ্বার উন্মোচিত হবে।

চীন থেকে আসা ভাষা শিক্ষক, গবেষক এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে আসা নির্বিঘ্ন করতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সাথে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাত্র তিন দিনের এই নিবিড় সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের জনগণের সাথে জনগণের সংযোগে কারিগরি শিক্ষা এক চালিকাশক্তি হিসেবে রূপ নিচ্ছে উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, এই সংযোগের হাত ধরে দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের মাঝে গড়ে উঠবে সুদৃঢ় অংশীদারিত্ব এবং উন্মোচিত হবে নতুন কর্মসংস্থান ও ক্যারিয়ারের অপার সম্ভাবনা।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে এই সফর একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন সমন্বিত উদ্যোগ ইতোপূর্বে দেখা যায়নি। ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশনের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝেও এখন কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, যা সরাসরি তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা এমন একটি যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে "শিক্ষাকে আমরা দক্ষতায়, দক্ষতাকে কর্মসংস্থানে এবং কর্মসংস্থানকে তরুণদের অপার সম্ভাবনায় রূপান্তর করব।" আমাদের এই দক্ষ তরুণ প্রজন্মই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং আগামীর নেতৃত্ব দেবে।

শিক্ষামন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে এই স্বল্প সময়ে প্রায় ৫০টি অগ্রণী কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর নির্দেশনায় আগামী দিনগুলোতে এই অগ্রযাত্রার ধারা আরও বেগবান ও সুসংহত হবে, ইনশাআল্লাহ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ও কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ দাউদ মিয়া প্রমুখ। 

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ





সিপিএলে দল পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ
সিপিএলে দল পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ
৩১ আগস্ট ২০২৬ রাত ০৮:০০:৫৪



নওগাঁয় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার
৩১ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪৬:২১